গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ভাঙ্গনের কবলে আশ্রয় কেন্দ্র

gaibandha-01গাইবান্ধা থেকে আঃ খালেক মন্ডলঃ গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় তিস্তা নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে তেওড়া বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র ।
প্রকাশ, কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হরিপুর বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রটি। জানা গেছে, ২০০৫ সালে ১ কোটি টাকা ব্যয়ে ২ একর জমির উপর নির্মাণ করা হয় উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের উজান তেওড়া বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র। আশ্রয় কেন্দ্রটি বর্তমানে তিস্তা নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। ইতোমধ্যে এর একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। দু-দুবার বাঁশের পাইলিং দিয়েও ঠেকানো যায়নি ভাঙ্গন। আশ্রয় কেন্দ্রটি ভাঙ্গনের মুখে পড়ায় কয়েক’শ পরিবারের তাদের গৃহপালিত পশুপাখিসহ বন্যার সময় আশ্রয়হীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে এলাকাবাসি দারুণ হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন। হরিপুর ইউপি সদস্য বিদ্যুৎ কুমার দেবসর্মা বলেন, আশ্রয় কেন্দ্রটি থাকায় ওই এলাকায় বন্যার সময় পানিবন্দি পরিবারগুলো আশ্রয় নিত। এটি নদীগর্ভে বিলীন হলে বিশেষ করে হরিপুর ইউনিয়নের পরিবারগুলোকে চরম দূর্ভোগের শিকার হতে হবে। তাই জরুরি ভিত্তিতে তিস্তার ভাঙ্গন ঠেকিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রটি রক্ষা করা সরকারি এবং বে-সরকারি দাতা সংস্থার একান্ত প্রয়োজন বলে আমি মনে করছি। ইউপি চেয়ারম্যান মোজাহারুল ইসলাম জানান, ভাঙ্গন ঠেকানোর জন্য এনজিও এবং ব্যক্তি উদ্যোগে দু-দুবার বাঁশের পাইলিং দিয়েছিলাম। কিন্তু তারপরও পুরোপুরি ভাঙ্গন ঠেকানো সম্ভব হয়নি। নদীর গতিপথ পরিবর্তনসহ শক্ত পাইলিং নির্মাণ করলে ভাঙ্গন ঠেকানো সম্ভব বলে আমি মনে করি। একতা এনজিও’র পরিচালক লুৎফর রহমান মন্ডল জানান, জনস্বার্থে এবং এলাকাবাসির আশ্রয়ের জন্য কেন্দ্রটি রক্ষা করা একান্ত প্রয়োজন। একতা সংস্থা ইতোমধ্যে আশ্রয় কেন্দ্রটি রক্ষার জন্য বাঁশের পাইলিং দিয়েছিল। পাশাপাশি দাতা সংস্থার নিকট বিষয়টি অবহিত করেছি। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম বলেন, হরিপুর বন্য্ াআশ্রয় কেন্দ্রটি একতা এনজিও’র। কোন এনজিও’র নামে নির্মিত প্রতিষ্ঠানে সরকারি সহায়তা প্রদানের সুযোগ নেই। তারপরও ভাঙ্গন ঠেকানোর বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট অবহিত করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু রাফা মোহাম্মদ আরিফ জানান, আমরা আশ্রয় কেন্দ্রটি নদী ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা করার জন্য কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চেয়েছি।