গাইবান্ধায় জামায়াত-শিবীরের ১০ নেতাকর্মী গ্রেফতার

gaibandhaগাইবান্ধা থেকে আঃ খালেক মন্ডলঃ গাইবান্ধা- জেলার সুন্দরগঞ্জ ,সাদুল্লাপুর ও পলাশবাড়ী উপজেলায় জামায়াত-শিবীরের ১০ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার মধ্য রাত থেকে ভোর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেফতারকৃতরা জামায়াত-শিবীরের নেতাকর্মী বলে জানান ওসি।

তিনি জানান, উপজেলার বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ৪ পুলিশ সদস্য হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত আসামি হিসাবে ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলার গ্রেফতারকৃতরা হলেন উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের ভাটিয়াপাড়া গ্রামের শফিকুল ইসলাম শফিক (৪২), দক্ষিণ শিবরাম ভাটিয়াপাড়া গ্রামের নীল মিয়ার ছেলে আমির আলী (৩৮), জামির আলী (৪০) ও রেজাউল করিম (৪৮), একই গ্রামের হারুন অর রশিদ ওরফে বাবু (৪২), বৈদ্যনাথ গ্রামের আব্দুল গোফ্ফার মিয়া (৪৫), সর্বানন্দ ইউনিয়নের রামভদ্র কদমতলা ভাটিয়াপাড়া গ্রামের আব্দুল হান্নান মিয়া ওরফে হান্নান (৪৫), আব্দুল মালেক (৩৬)।

সাদুল্যাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহারিয়া খাঁন বিপব হত্যা চেষ্টা মামলার অন্যতম আসামী বনগ্রাম ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারী শাহাবুল আলম কাজল (৪৭) কে বুধবার রাতে পীরগঞ্জ থানা পুলিশ শানেরহাট একবারপুর গ্রাম থেকে গ্রেফতার করে। শাহাবুল আলম কাজল সাদুল্যাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়ার হযরত আলীর ছেলে। পীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আকতারুজ্জামান প্রধান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়া লতিফুল ইসলাম জানান, কাজলের বিরুদ্ধে গত সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে নাশকতাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

অপরদিকে পলাশবাড়ি উপজেলা সদর ইউনিয়নের জামালপুর গ্রাম থেকে লিটন মিয়াকে (৩৬) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে লিটনকে গ্রেফতার করেন। লিটন ওই গ্রামের সৈয়দ জামানের ছেলে।

পলাশবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোপাল চন্দ্র চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, লিটন মিয়ার বিরুদ্ধে ৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে থানায় মামলা রয়েছে।