পাহাড়ের বাস্তব অবস্থার পরিপেক্ষিতে কিছু কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা জরুরী

Khagracoryখাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :

খাগড়াছড়ি জেলায় বিশুদ্ধ পানির ব্যবহার, নিরাপদ স্যানিটেশন, ১৫-২৪ বছর বয়সী তরুণদের শিক্ষার হার, ডায়ারিয়া পরিস্থিতি ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার ইত্যাদিতে জাতীয় পর্যায় থেকে পিছিয়ে আছে। আবার মাতৃদুগ্ধ পান, বাল্য বিবাহ, বহু বিবাহ এ ক্ষেত্রে জাতীয় পর্যায় থেকে ভালো অবস্থানে আছে। বৃহষ্পতিবার দুপুর ১২টায় খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউজে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ‘মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লুস্টার সার্ভে (এমআইসিএস) ২০১২-১৩ এর মোড়ক উন্মোচ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।

খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মাসুদ করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চাইথোঅং মারমা, বিশেষ অতিথি হিসেবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এনায়েত হোসেন মান্নান, সহকারি সিভিল সার্জন ডা. তানভির আহম্মেদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে জেলার উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ  সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা পরিসংখ্যা বিভাগের উপ পরিচালক শফিকুল ইসলাম জরিপের ফলাফল তুলে ধরে বলেন, খাগড়াছড়ি জেলায় বিশুদ্ধ পানির সুবিধা পাচ্ছে ৬৯.৮ % যেখানে জাতীয় পর্যায়ে এ সুবিধা পায় ৯৭.৯ %। নিরাপদ স্যানিটেশন জেলায় ২৬.৯%, জাতীয় পর্যায়ে ৫৫.৯%। তরুণদের শিক্ষার হার জেলায় ৭১.৭%, জাতীয় পর্যায়ে ৮২%। প্রযুক্তি ব্যবহার জেলায় ৫.৬%, জাতীয় পর্যায়ে ৬.১%। মাতৃদুগ্ধ পানে জেলায় শতভাগ আর জাতীয় পর্যায়ে তা রয়েছে ৯৭.১%।

সভায় বক্তারা বলেন, অনেক বিষয়ে খাগড়াছড়ি জেলা জাতীয় পর্যায় থেকে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। এই তথ্য জেলার সমস্যা চিহ্নিত করতে সহায়ক হবে ও এর সমস্যা সমাধানে সহায়ক হবে বলে জানানো হয়। বক্তারা আরো বলেন, কিছু কিছু উন্নয়ন কাজে পার্বত্য এলাকার অবস্থান অনুসারে পরিকল্পনা নিতে হবে। বিশেষত নিরাপদ পানি সরবরাহের ক্ষেত্রে একটি গভীর নলকূপ স্থাপনে স্বাভাবিকের চেয়ে ৩-৪ গুণ বেশী অর্থ খরচ হয়।

উন্মুক্ত আলোচনায় বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন জেলা পরিসংখ্যা বিভাগের উপ পরিচালক শফিকুল ইসলাম।