বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমার রায় ২ জুলাই

bay-of-bengal_114813_80702বিডি রিপোর্ট 24 ডটকম : বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সমুদ্রসীমা নির্ধারণের রায় ঘোষণা করা হবে আগামী ২ জুলাই। নেদারল্যান্ডসে অবস্থিত সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সালিশ আদালত রায় ঘোষণার এই দিন ধার্য্য করেছেন। সোমবার বাংলাদেশ নৌবাহিনী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে হেগের স্থায়ী বিরোধ নিষ্পত্তি আদালত বা পার্মানেন্ট কোর্ট অব আর্বিট্রেশনে (পিসিএ) দুই পক্ষের যুক্তিতর্ক উত্থাপন শেষে রায়ের জন্য তা অপেক্ষমান রেখেছিল।

সমুদ্রসীমা নিয়ে ভারতের সঙ্গে বিরোধের প্রধান বিষয় হলো দুই দেশের জলসীমা শুরুর স্থান নির্ধারণ। এছাড়া ভূমিরেখার মূলবিন্দু থেকে সমুদ্রে রেখা টানার পদ্ধতি নিয়েও মতবিরোধ রয়েছে।

সমুদ্রসীমা বিরোধের ক্ষেত্রে ভারত সমদূরত্বের ভিত্তিতে রেখা টানার পক্ষে মত দিলেও বাংলাদেশ ন্যায্যতার ভিত্তিতে রেখা টানার পক্ষে। বাংলাদেশের যুক্তি অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগর ও ভূমির মূলবিন্দু থেকে সমুদ্রের দিকে ১৮০ ডিগ্রির সোজা রেখা যাবে। তবে ভারত বলছে- সমুদ্রতট বিবেচনায় এ রেখা হবে ১৬২ ডিগ্রি।

প্রতিবেশী দুটি দেশের মধ্যে সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির আলোচনা শুরু হয় ১৯৭৪ সালে। দীর্ঘসময়ে কয়েকটি বৈঠক হলেও সমাধান না পেয়ে ২০০৯ সালের ৮ অক্টোবর সমুদ্রসীমা নির্ধারণের বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতে যায় বাংলাদেশ। সেখানেও সমঝোতা না হওয়ায় ২০১১ সালের মে মাসে হেগের আদালতের শরণাপন্ন হয় ঢাকা। এরপর ২০১২ সালের জুলাইয়ে আদালতে পাল্টা দাবি উত্থাপন করে ভারতও।

এর আগে ২০১২ সালে জার্মানির হামবুর্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারণ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক আদালত মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধের রায়ে নায্যতার ভিত্তিতে বঙ্গোপসাগরে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত জলসীমা পায় বাংলাদেশ।