কালো টাকা বলে কোনো টাকা নেই

29074_firojবিডি রিপোর্ট 24 ডপকম : দেশে কালো টাকা বলে কোনো টাকা নেই বলে দাবি করেছেন বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ। তিনি বলেন, যে টাকাকে কালো টাকা বলা হয়, তা বিদেশে পাচার করে সাদা করা হয়। তাই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে যে কোন টাকা বিনিয়োগের সুযোগ দিতে হবে। রোববার দশম জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের শুরুতেই পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্যের সুযোগ নিয়ে তিনি এই দাবি জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া অধিবেশনে কাজী ফিরোজ রশিদ বলেন, সরকারি ভুল নীতি ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে টাকা বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে। গত দুই দিন যাবৎ দেশের সমস্ত পত্রিকায় যে খবর বেরিয়েছে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তিনি গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিপোর্টের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, দুর্নীতির টাকা সুইস ব্যাংকে চলে যাচ্ছে। ধারাবাহিকভাবে টাকা পাচার হচ্ছে। মালেয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোমের নামে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। কানাডা, যক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য হংকং ও সিঙ্গাপুর পাচার হচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা। এটা অত্যন্ত লজ্জাজনক। জাপা নেতা বলেন, এই দেশে অপার সম্ভাবনা রয়েছে। পর্যটন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হলে এই খাত থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় হবে। আমরা যদি পুঁজি এখানে খাটাতে চাই আমাদের সেক্টরের অভাব হবে না। কিন্তু অত্যন্ত কঠিন নিয়ম করায় বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করতে পারছে না। তাই অর্থমন্ত্রীকে বলবো, আপনি বিনিয়োগের খাতগুলো সুনির্দিষ্ট করে দেন। বিনিয়োগকারীদের ৫ বছর ট্যাক্স ফ্রি করে দিন, সমস্ত টাকা বিনিয়োগ করুক। বিনিয়োগের সুযোগ দিলে টাকা বিদেশে পাচার বন্ধ হবে না। পর্যটন খাতের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের এক কোটি মানুষ যদি সুন্দরবনে যায়, আর তারা গড়ে ১০ হাজার টাকা খরচ করলে বছরে সরকারের ১০ হাজার কোটি টাকা আয় হবে। একই ভাবে অন্যান্য স্থান থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করা সম্ভব। তিনি এবিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন।