বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

joishorমোঃ আনিছুর রহমানঃ বন্দর নগরী বেনাপোলের পোর্ট থানার এসআই শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে নিরীহ মানুষদের ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে বেনাপোল পোর্ট থানার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা যায়,এসআই শফিকুল পোর্ট থানায় যোগদানের পর থেকেই মাদক ব্যবসায়ী সন্ত্রাসী ও চোরাচালানীদের সাথে সখ্যঁতা গড়ে তুলেছেন।প্রতিদিন বিকালে সাদা পোশাকে বিভিন্ন মাদক স্পটে তাকে ঘুরতে দেখা যায়।

ভবারবেড় ট্রেন ষ্টেশন,দৌলতপুর,গাতিপাড়া,সাদিপুর,পুটখালী সহ বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে তার শতাধিক সোর্স ও এজেন্ট,পুলিশের সোর্স হিসাবে কাজ করা ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত রোষানলে পড়ে নিরীহ ব্যক্তিরা চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছে।অনেক পাসপোর্ট যাত্রীর আত্মীয় স্বজনরা এসআই শফিকের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না।অসুস্থ রোগীদের ভারতে চিকিৎসার জন্য বেনাপোল বন্দরে এগিয়ে দিতে আসলে ফেরার পথে তাদের আত্মীয় স্বজন কে ভারত থেকে অবৈধ ভাবে এসেছে বলে আটক করে টাকা আদায় করছে।

গত ৭ জুন  দৌলতপুর গ্রামের মহব্বত আলীর পুত্র ফারুক কে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।পরবর্তীতে ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে রাতে থানা থেকে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। অপর দিকে ১৩জুন একই গ্রামের আবু তাহেরের পুত্র জামাল কে মাদক ব্যবসায়ী হিসাবে চালান দেয়ার ভয় দেখিয়ে ২০হাজার টাকা উৎকোচ নিয়ে তাকে ও থানা থেকে ছেড়ে দেয়। এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যক্তির মোবাইল ফোনের নং যোগাড় করে তাদের কে ফোন করে গোপনে তার সাথে দেখা করতে বলছেন এসআই শফিকুল ।

গত ১৪ জুন দৌলতপুর গ্রামের রেজা কে ফোন তার সাথে দেখা করতে বলেন। না হলে পরিনাম ভালো হবে না বলে জানায়। একটি বিশ্বস্ত সুত্র জানায় গত ৬ জুন সকাল ১০টায় বেনাপোল ইমিগ্রেশনে ঢাকা থেকে পুলিশের একজন উর্ধতন কর্মকর্তা পরিদর্শনে আসেন। এসময় এসআই শফিকুল ইসলাম সাদা পোশাকে অস্ত্র নিয়ে ইমিগ্রেশন অফিসের মধ্যে ঘোরাঘুরি করছিল। পুলিশের ওই কর্মকর্তা ওসির মাধ্যমে তাকে ডেকে তিরষ্কার করলে তিনি ক্ষমা চেয়ে বেরিয়ে যান।

এসআই শফিকুলের অত্যাচার আর চাঁদাবাজির হাত থেকে রেহাই পেতে এবং তদন্ত পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করতে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি এবং যশোরের পুলিশ সুপারের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও ভ’ক্তভোগী পাসপোর্ট যাত্রীরা। এসব বিষয়ে এসআই শফিকুলের সাথে ০১৭১২৯৭৮৭০৩ নং মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি ঘটনা অস্বীকার করে বলেন থানায় আসেন ওসি সাহেবেব সাথে কথা বলে আপনাদের সব জানাবো। এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি অপূর্ব হাসানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান,এসআই শফিকুলের বিরুদ্ধে কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।#