শিরোনাম

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও শহীদ জিয়া একসুত্রে গাথা

DSC_6061বিডি রিপোর্ট 24 ডটকম : লেবার পার্টি আয়োজিত সংবাদপত্রের কালো দিবসের আলোচনায় নেতৃবৃন্দ বলেছেন-১৯৭৫ সালের ১৬ জুন শেখ মুজিব গনতন্ত্রের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করে রাষ্ট্রীয় ফরমান জারির মাধ্যমে ৪ পত্রিকা রেখে সকল সংবাদপত্র প্রকাশনা বাতিল করে। বিরোধী শক্তিকে দমন ও মতপ্রকাশের অধিকার অবরুদ্ধ করতেই গনমাধ্যমের স্বাধীনতা গলাটিপে হত্যা করা হয়। শহীদ জিয়া বহুদলীয় গনতন্ত্র পূর্নঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে ফিরিয়ে দেয়। তাই আওয়ামী লীগের মুখে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার কথা মানায় না। তারা যখনই ক্ষমতায় এসেছে সংবাদপত্রের কন্ঠরোধ করেছে। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা দৈনিক বাংলা, টাইমসসহ অসংখ্য পত্রিকা বন্ধ করেছে। ২০০৮ সালে এসে গনমাধ্যমের স্বাধীনতার নামে মিডিয়া নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করছে। দৈনিক আমার দেশ, দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি বন্ধ করে দিয়েছে। নির্ভিক সাংবাদিক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করে রিমান্ডের নামে নির্যাতন নিপীড়ন করছে। সংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনী হত্যাসহ অসংখ্য সাংবাদিক হত্যা করা হয়েছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন- শেখ মুজিবের রাজনৈতিক ব্যার্থতার কারনেই জিয়াউর রহমানের আর্বিভাব হয়েছে। তাই সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও শহীদ জিয়া একসূত্রে গাথা। দেশে আজ চরম ক্রান্তিকাল চলছে। গনতন্ত্রের লেবাসে বাকশালী অপশক্তি ক্ষমতা কুক্ষিগত করেছে। গনতন্ত্র, মানবাধিকার, আইনের শাসন ও গনমাধ্যমের স্বাধীনতার মুখ থুবড়ে পরেছে। ’৭৪-৭৫ ন্যায় গুম,খুন, অপহরন, চুরি, ডাকাতি ও স্বৈরাচারীর কবলে দেশ জিম্মি হয়ে পড়েছে। তাই গনতন্ত্রকামী দেশপ্রেমিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের মাধ্যমে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম বেগবান করতে হবে।
আজ (সোমবার) বেলা ১১ টায় মেজর জলিল মিলনায়তনে বাংলাদেশ লেবার পার্টির উদ্যোগে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা-শহীদ জিয়া ও আজকের বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দৈনিক নয়া দিগন্ত সম্পাদক জনাব আলমগীর মহিউদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক দিনকাল সম্পাদক ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী, মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহেদী,ভাইস চেয়ারম্যান এমদাদুল হক চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ফারুক রহমান। বক্তাব্য রাখেন- লেবার পার্টির যুগ্ম-মহাসচিব শামসুদ্দিন পারভেজ, মাহমুদ খান, মিসেস শামিমা চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক আবদুর রহমান খোকন, নগর সাধারন সম্পাদক আশরাফ আলী হাওলাদার, শিক্ষকনেতা মাওঃ শেখ মিজানুর রহমান, ওলামা ফোরাম আহবায়ক মাওঃ আনোয়ার হোসাইন, যুবফোরাম আহবায়ক হুমাউন কবীর, ছাত্রফোরাম আহবায়ক কামরুল ইসলাম সুরুজ, পল্টন থানা লেবার পার্টির সভাপতি মিরাজ হোসেন তুষার প্রমুখ।