শার্শা উপজেলা এক মৃত্যু আতঙ্কের জনপদ

jessore.মোঃ আনিছুর রহমান,বেনাপোল, (যশোর) সংবাদতাঃ যশোরের শার্শা উপজেলার জনপদ এক খুন খারাপি মৃত্যপুরির  আতঙ্ক জনপদ। এখানে প্রভাবশালি এমপি শেখ আফিল উদ্দিনের কথার কাজের কেউ প্রতিবাদ মুখর হলে তার আর নিস্তার নাই। আফিল উদ্দিন পরোক্ষ ও প্রত্যাক্ষ ভাবে শার্শা বেনাপোল ও বাঁগআচড়া এলাকায় রেখে দিযেছে তার অলিখিত গুন্ডা বাহিনী।সম্প্রতি বেনাপোল পৌর কমিশনার রাশেদকে কেউ খুন, গুম করতে পারলে ১ কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে বলে জন মুখে রব উঠেছে।

এসব এলাকায় কেহ এমপির কাজের ও এমপির প্রিভাজনদের কাজের সহোযোগিতা থেকে দুরে থাকলে তাকে মৃত্যু ,মেরে পঙ্গু অথবা মিথ্যা মামলায় ঢুকিয়ে দিয়ে এমপি ও তার বাহিনীর লোক স্বস্তির ঢেকুর তোলে।

এমপি আফিল উদ্দিনের গত পাাঁচ বছরের যশোর-১ (শার্শা) আসনের শাশন আমলে মোট খুন হয় ৬০ জন। এর ভিতর আওয়ামীলিগের নেতা কর্মী ৪০ জন এমপির পরোক্ষ ও প্রত্যাক্ষ সহোযোগিতায়  খুন হয়েছে। এ অঞ্চলে প্রায় খুন খারাপি ঘাট দখল নিয়ে ও খুনের মতো নৃশংশ কাজে এমপির সহোযোগিতা রয়েছে বলে এরাকার সচেতন মানুষ নাম না বলার শর্তে এ প্রতিববেদকের কাছে জানায়।

এমপি শেখ আফিল উদ্দিন বেনাপোলের আলোচিত স্বর্ন, ফেনসিডলি ,গরু চোরাচালানি ঘাট বলে পরিচিত সেখান থেকে সে মাসিক ৪ কোটি টাকা চাঁদা নিয়ে থাকেন বলে এলাকার লোকজন জানায়। এখানে মাঝে মদ্যে দু একটি ছোটখাট স্বর্নের চলান লোক দেখানোর জন্য আটক করলে ও বাকি বড় চালান পার হয়ে যায় ভারতে।

এমপি আফিল উদ্দিনের লোকদের হাতে বাগঁআচড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলামকে কয়েকদফা মারধর করে অপমানিত করেছে।বাঁগআচড়া ইউনিয়নের আওয়ামীলিগের সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বাবুকে এমপির কথা না শুনার কারনে তার গুন্ডা বকুল বাহিনী নিজ বাড়ির ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে হত্যা করেছে। শার্শা উপজেলা আওয়ামীলিগের সাধারন সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমানকে বাজারের ভিতর তার গুন্ডা বাহিনী দিয়ে মারধর করে।

আওয়ামিলীগের শার্শার এক নেতা প্রানের ভয়ে নাম প্রকাশ না  করার শর্তে জানায় , এমপি আফিলেরর শার্শা উপজেলার প্র্রতিটি এলাকায় একটি করে নিজস্ব স্শস্ত্র বাহিনী আছে। যেমন বাগআচঁড়ায় বকুল বাহিনী, লক্ষনপুরে কামাল বাহিনী, বাহদুপুরে মফিজ বাহিনি, বেনাপোলে ওয়াহীদ বাহিনী,পুটথালিতে সিরাজ বাহিনী,গোগায় রশিদ বাহিনী, কায়বায় টিংকু বাহিনী,উলশিতে আইনাল বাহিনী,শার্শায় সোহরাব ও হাসান বাহিনী। এসব বাহিনিীর লোক এমপি ও ক্যাডারদের কথা মতো না চললে প্রতিটি মানুষের জীবন অতিষ্ট করে তুলছে।

উপজেলা আওয়ামীগের কয়েকজন নেতা বলেন তার ীপকর্মের বিরুদ্ধে কেহ কথা বরলে তার নিস্তার নাই। হয় গুম, নাহয় মৃত্যু আর তা না হলে হাত পা ভেঙ্গে সোজা হাসপাতালে।

এমপি আফিল নিজ হাতে যদি লোক মারতে পারত তাহলে সেকাজ করতে দ্বিধা করত না। সে এমপি তাই লোক লজ্জার ভয়ে তার লোক দিয়ে সে এলাকায় ত্রাশ সৃষ্টি করে মানুষ মারার কাজে নেমেছে। অনেকে খুলনার ৬০ খুনি এরশাদ সিকদারের সাথে এমপি আফিল উদ্দিনকে তুলনা করেছে।

২০১০ সালের ১৫ আগষ্ট শার্শার থানার ওসি সহ ৬ পুলিশকে এমপি আফিল নিজ হাতে মেরে তাদের বলে এখানে থাকতে হলে আমি যা বলাব তাই শুনবি। নতবা মেরে আমার মিলের ভিতর পুতে রাখব।

সম্প্রতি বেনাপোল হ্যান্ডলিং শ্রমিকের একটি অংশ এমপি আফিল উদ্দিনের লোক অস্ত্রের মুখে বাদ দেয়্। এতে শ্রমিকরা তাদের রুটি রুজির পরে আঘাত করাতে ফুশলে উঠে। আর এদের পাশে দাড়ায় তরুন নেতা বেনাপোল পৌরসভার কমিশনার যুবলীগের কর্মী রাদেদুজ্জামান রাশেদ। রাশেদ শ্রমিকদের কষ্ট দুঃখ বুঝতে পেরে পুনরায় শ্রমিদের নিয়ে হ্যান্ডলিং অফিস দখল করে। এত ক্ষিপ্ত হয় এমপি আফির ও তার বেনাপোল বাহিীনি প্রধান ওহিদ। তারা অলিখিত ভাবে ঘোষনা দিয়েছে রাশেদের মাথা কাটতে পারলে ১ কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।

রাশেদ ও তার অনুগত লোকজন প্রানের ভয়ে এখানে ওখানে ঘুরে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

এমপি আফিল টাকার জোরে শাশৃঅয় যা ইচ্ছে তাই করছে এটা দেখার কেউ না বললে চলে।