ডেসটিনির এমডি-প্রেসিডেন্টসহ ৬৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে

desitny_110437_78512বিডি রিপোর্ট 24 ডটকম : অর্থপাচার ও অর্থ আত্মসাত মামলায় মাল্টি লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) কোম্পানি ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমিন ও প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান হারুনুর রশীদসহ ৬৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আদালত। ৪ হাজার ১১৯ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলার অভিযোগপত্র দুটি বুধবার আমলে নেন মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. জহুরুল হক। একই সঙ্গে বিচারক জেলহাজতে থাকা আসামিদের জামিন আবেদন নাকচ করার পাশাপাশি পলাতকদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। পরোয়ানা ফেরতের জন্য আগামি ১৩ জুলাই দিন ধার্য করা হয়েছে।

গত ৫ মে ডেসটিনির এমডি মো. রফিকুল আমীন, চেয়ারম্যান মোহাম্মাদ হোসেনসহ ৬৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে পৃথক দুটি অভিযোগপত্র উপস্থাপন করে দুদক। এর আগেরদিন দুদকের উপ-পরিচালক মোজাহার আলী সরদার ওই অভিযোগপত্র দুটি সিএমএম আদালতে দাখিল করেন।

অভিযোগপত্র দুটির মধ্যে ডেসটিনি মাল্টি পারপাস কো-অপারেটিভ লি. মামলায় ১০৪ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রে ৩০৯ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। অন্যদিকে ডেসটিনি ট্রি প্লান্টেশন লিমিটেডের ৮৩ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রে ২৩৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। মামলা দায়েরের ১৮ মাস পর ১৬ জানুয়ারি অভিযোগপত্র অনুমোদন করে দুদক। অনুমোদনের প্রায় সাড়ে ৩ মাস পর তা আদালতে দাখিল করা হয়।

আসামিদের মধ্যে এমডি মো. রফিকুল আমীন, চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন, লে. কর্নেল (অব.) মো. দিদারুল আলম ও  মো. জিয়াউল হক মোল্লা কারাগারে আছেন এবং লে. জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদসহ চার্জশিটভুক্ত অপর ৪৬ আসামি পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তা গ্রেফতারি ও ক্রোকি পরোয়ানা জারির আবেদন করেছেন।

২০১২ সালের ৩১ জুলাই দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম মামলা ২২ জনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়- ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেড কর্তৃপক্ষ ডেসটিনি ট্রি প্ল্যানটেশন ও ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মাধ্যমে প্রায় ৪ হাজার কোটি সংগ্রহ করে। কিন্তু বর্তমানে তাদের পৃথক দুটি অ্যাকাউন্টে ৫৬ লাখ ও ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আছে। বাকি তিন হাজার ২৮৫ কোটি টাকা তারা মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন।