জকিগঞ্জের শত বছরের প্রাচীন মসজিদ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার আহবান

mosjidমিসবাহ মনজুর :

প্রায় দেড় শ‘ বছরের পুরনো মসজিদ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। জানাগেছে, সিলেট জেলার জকিগঞ্জের সুলতানপুর ইউনিয়নের রহিমপুর গ্রামের একমাত্র জামে মসজিদ এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক পক্ষের অদক্ষতার কারনেই মুলত মসজিদের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরেছে। র্দীঘ একমাস যাবত ধর্মপ্রাণ মুসল্লীগন মসজিদ রক্ষায় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করেও কাজ হচ্ছে না। আল্লাহর ঘর মসজিদটি রক্ষার জন্য গত ৩ জুন সিলেটের জেলা প্রশাসক বরাবরে এক আবেদন করে দাবী জানিয়েছেন গ্রামবাসী।

এলকাবাসী জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক ৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে আপার সুরমা কুশিয়ারা প্রকল্পের আয়ত্বে রহিমপুরী খালে রহিমপুর পাম্প হাউজ প্রকল্পের কাজ চলছে। প্রকল্পটির কর্যাদেশ প্রাপ্ত ঢাকার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হাসান এন্ড ব্রাদাস ২০১১ সাল থেকে প্রকল্পের কাজ শুরু করে। প্রকল্পটির কার্যক্রমে শুরু থেকে গ্রামের লোকজনের জন্য ব্যবহৃত রাস্তাটি গভীর খাল খননের জন্য কেটে ফেলা হয়। প্রকল্পের উন্নয়নে গ্রামের শত শত বসত ভিটা ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ কারনে বিকল্প রাস্তা দিয়ে গ্রামের স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী বৃষ্টি ও কাদায় যাতায়াতে মারাতœক দুর্ভোগ পেতে হচ্ছে। এ প্রকল্প খনন কাজে মসজিদের ইমামের কক্ষ, একটি ডীপ টিউবওয়েল ও অনেক গাছ গভীর খনন কাজে বিলুপ্তি হয়েছে। গত ২১ এপ্রিল গভীর রাতে পাম্প  হাউজে গভীর খনন কাজে মসজিদের মিনার ধ্বংস হয়ে গভীর খলে পড়ে যায়। শুধু তাই নয় মসজিদের ইমামের কক্ষ ও ভেঙ্গে বিলিন হয়ে গেছে। পার্শবর্তী কবরস্থান ও ধ্বংসের পথে।  শত বছরের এই মসজিদটি রক্ষায় এলাকাবাসী প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেও অনেকটা ব্যর্থ! রহিমপুর নিবাসী মো: জিয়াউর রহমান, হাজি আব্দুল মানিক, ফয়সল আহমদ, আব্দুন নুর,  মাহতাব আহমদ খোকন, আব্দুল খালিক, রবাই মিয়া, মতিন মিয়া, মুজিবুর রহমানসহ প্রায় অর্ধশত মুসল্লি মসজিদটি রক্ষায় এক বিবৃতিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।