পতাকা তৈরীতে ব্যস্ত টেইলার আব্দুর রহিম

PIC-02বদরুদ্দোজা বুলু, পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ
আমাদের টুনটুনি প্রতি বছরেই ক্যালেন্ডারে ২৯ ফেব্রে“য়ারী খুঁজতে থাকে। কিন্তু ক্যালেন্ডারে খুঁজে পায় না। প্রতি চার বছর পর পর আসে ২৯ ফেব্র“য়ারী। যাকে বলা হয় লিপিয়ার বছর বা মাস। ঠিক তেমনি বিশ্ব কাপ ফুটবল খেলা হয় চার বছর পর পর। আর মাত্র কয়েক দিন বাকী। সবাই প্রস্তুুতি নিচ্ছেন। কে কোথায় খেলা দেখবেন। আবার অনেকেই খেলার মাধ্যমে বাজি বা জুয়া খেলারও প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এদিকে, কিছু টেইলার বা দর্জিরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন বিশ্বকাপ ফুটবল খেলায় অংশগ্রহনকারী দলের বা দেশের পতাকা তৈরীতে। পার্বতীপুরের থানা মোড় থেকে স্টেশনের আসার পথে চোখে একজন টেইলার বা দর্জি আব্দুর রহিম (৫৫) এএসএম হাই স্কুলের সামনে ফুটপাতে বসে পতাকা তৈরী করেছেন। তার পিতার নাম মৃত শমসের আলী সাবেক পৌর কমিশনার। বাড়ী শহরে নিয়ামতপুর মহল্লায়। আবদুর রহিম জানান, তিনি প্রতি বিশ্বকাপ ফুটবল খেলায় বিভিন্ন দেশের পতাকা তৈরী করে বিক্রি করেন। তবে সবচেয়ে বেশী পতাকা বিক্রি করেছেন ব্রাজিল ও আর্জেটিনার। এযাবত তিনি প্রায় পাঁচ শতাধিক পতাকা বিক্রি করেছেন। প্রতিটি পতাকা বিক্রি করেছেন ৫০ ও ১শ’ টাকা থেকে শুরু করে ২শত টাকা দরে। আবার অর্ডার পেলে পতাকা ছোট-বড় তৈরী করে থাকেন। তিনি গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত ১৮টি দেশের পতাকা তৈরী করে বিক্রি করেছেন। ১৮টি দেশের মধ্যে পশ্চিম আর্জেটিনা, ব্রাজিল, পশ্চিম জার্মানি, ফ্রান্স, ইটালি, ক্যামেরুন, স্পেন, নাইজেরিয়া, ইংল্যান্ড, উরুগুয়ে, চিলি ইত্যাদি। টেইলার আবদুর রহিম বলেন, এটা হচ্ছে সিজিনাল ব্যবসা। বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার সময় অন্য নিজের কাজের পাশাপাশি পতাকা তৈরী করে বিক্রি করাটা বাড়তি আয় বলা যেতে পারে। তিনি বলেন, ছেলেরা পতাকা ক্রয় করে নিয়ে নিজের বাড়ীতে বা দোকানে লাগিয়ে রাখে। ওদের আনন্দে আমিও আনন্দের সাথে পতাকা তৈরী করেই চলছি।