নাম মাত্র মূল্যে এনআরবি বিনিয়োগ কারীদের কোটি কোটি টাকার জমি অধিগ্রহন

NRB_Land_News-25মতিয়ার চৌধুরী,লন্ডন প্রতিনিধি ঃ বাজার মূল্যের যাচাই-বাছাই না করেই নতুন কেন্টনমেন্ট নির্মানের জন্যে ভূমি অধিগ্রহনের ফলে বিপাকে পড়েছেন প্রবাসী  বিনিয়োগ কারীরা। গতকাল দুপুরে লন্ডনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শাহ ডেভলাপার লিমিটেড  কোম্পেনীর পরিচালক বৃন্দ অভিযোগ করে বলেন বিশের বিাভন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রবাসীরাই রেমিটেন্স প্রেরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার স্ফীত করে রেখেছেন। বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সাংসদসহ সবাই উচ্ছকণ্ঠে প্রবাসীদেরকে দেশে বিনিয়োগের আহবান জানান। সংবাদ সম্মেলনে শাহ ডেভলাপার লিমিটেডের পরিচালকবৃন্দ বলেন দেশ থেকে আগত নেতৃবৃন্দের আশ্বাসে বিশ্বাস করে তারা ৪৪ জন ব্যাবসায়ী সমন্বয়ে সিলেট জেলার সদর উপজেলার হাজিরাই মৌজায় ও গোলাপঞ্জ উপজেলার হাতিমনগর ও আমধরপুর মৌজায় ঢাকা-সিলেট-তামাবিল সড়ক সংলগ্ন শাহ ডেভেলপার লিমিটেড নামে কোম্পেনী প্রতিষ্ঠা  করে একটি কৃষিভিত্তিক ও আবাসিক প্রকল্প স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন কিন্তু সরকারি এক আদেশ বলে তাদের সকল প্রত্যাশা চুরমার হয়েগেছে । লিখিত বক্তব্যে বিনিয়োগকারীরা বলেন আমরা এখন দীশেহারা হয়ে স্থাানীয় প্রশাসনসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ে দেনদরবার করেছি কিন্তু কেউ আমাদের কান্না ণ্ডনতে রাজি নয়। এ অবস্থা চলতে থাকলে দেশে প্রবাসী বিনিয়োগ বন্ধ হয়ে যাবে। আমরা জানতে পালরাম নতুন সেনা নিবাস নির্মানের জন্যে আমাদের পূরো প্রকল্পটি একোয়ার করা হয়েছে। গত ২রা জুন দুপুরে পূর্ব লন্ডনের মন্টিফিউরি সেন্টারে শাহ ডেভেলপার লিমিটেড কোম্পানীর অংশিদারবৃন্দের উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অশ্রুসিক্ত নয়নে লিখিত বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলা হয়। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কোম্পানীর অন্যতম পরিচালক এম এ মোনিমন, সাংবাদিকদের বিভিন প্রশ্নের উত্তর দেন, এম এ বাসিত, খন্দকার ফরিদ উদ্দিন, লোকমান আহমদ, বাইছ মিয়া, জালাল আহমদ, ইউনুস মিয়া, রুহুল আহমদ প্রমুখ। লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়, কোম্পানীর  অধিকাংশ পরিচালক, ব্রিটেন, আমেরিকা, সৌদি আরব, ইতালী ও জাপানে বিভিন্ন  পেশায় নিয়োজিত থেকে ২০০৬ সালের ৯ জুলাই শাহ ডেভেলপার লিমিটেড কোম্পানী রেজিষ্টেশন করে বিপুল পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগের মাধ্যমে তারা এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিয়াল ফিস পার্ক এন্ড টুরিজম স্থাপনের জন্য প্রজেক্ট প্রফাইল তৈরী করি এবং সে অনুযায়ী ফিসারিজ, হ্যাচারি, পোল্টি ফিড মিল ও ফিস ফিড মিলসহ টুরিজম প্রজেক্ট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে  শাহ ডেভেলপার লিমিটেড ও পরিচালকগণের নামে সাফ কবালা দলিলে রেজিষ্ট্রি করে ২০৫ একর জমি ক্রয় ও বায়না পত্র করা হয়।  বাইপাসের মেইন রোড সংলগ্ন প্রায় ৬০ হাজার বর্গফুট জমি প্রায় অধিকাংশই ১৫ ফুট পানি নীচে থাকায় মাটি ভরাটের মাধ্যমে বন্যামুক্ত করে পাকা দালান ও টিন সেড গৃহ এবং  ২০ ফুট প্রস্থ প্রায় তিন হাজার ফুট দৈর্ঘ এবং ১৫ ফুট উচ্চতা সম্পন্ন  রাস্তা নির্মাণ করি রাস্তার উভয় পার্শ্বে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষ  রোপন সহ জলা জমিতে শাকসবজি এবং নীচু জমি আবাদ করে বোরো ও আমন ধান চাষ করে উনস্থয়ন মূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছেন, বিপুল পরিমান অর্থ বিনিয়োগের মাধ্যমে নানা মূখী উন্নয়ন কার্য পরিচালনার মাধ্যমে আমরা এই খবরে হতাশ হয়ে পড়েছি। উল্লেখিত মৌজায় সর্বমোট ১৪৮৪.২২ একর ভূমি নবগঠিত ১৭ পদাতিক ডিভিশনের ক্যান্টনমেন্ট নির্মাণের জন্য অধিগ্রহণের নিমিত্তে এল এ কেইছ নং ১/২০১৩-১৪ এর নির্দেশ ক্রমে একোয়ার করা হয় আমরা আরো জানতে পারি। আমধরপুর মৌজায় প্রতিশতক ভুমির মূল্য আট হাজার টাকা ও হাতিম নগর মৌজায় প্রতি শতক জমির মূল্য নির্ধারন করা হযেছে তিন হাজার ছয়শত টাকা। এইসব জমির বাজার মূল্য বর্তমানে বহুগুন বেশী এই মূল্য আমাদের জমি অধিগ্রহন করা হলে আমাদের বিনিয়োগ কৃত অর্থের ৯০%ই গচ্ছা যাবে এর ফলে আমরা মারাত্মক ক্ষতির শিকার হব । এই এলাকায় আমাদের বিনিয়োগের ফলে আবাসন সমস্যার সমাধান ও সেই সাথে আমাদের প্রকল্পে স্থানীয় বেশ কিছু লোকের কর্মসংস্থান হয়েছিল সবই ভেস্তে গেছে, আমাদের দাবী বিনিয়োগ কৃত অর্থের ক্ষতি পূরন ও জমির প্রকৃত মূল্য না দিয়ে যেন আমাদের উচ্ছেদ করা  না হয়।