পীরগঞ্জের ভীমশহর উচ্চ বিদ্যালয় সমস্যায় জর্জরিত

rangpurবখতিয়ার রহমান, পীরগঞ্জ( রংপুর)  : চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে পীরগঞ্জের । ঐতিয্যবাহী ভীশহর দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় । ফলে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ একটি বিদ্যালয় গৃহ মেরামত করতে পারছেন না বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ । যে কারনে শ্যেনী কক্ষের অভাবে বিদ্যালয়টিতে পাঠদ্বান চরম ব্যাহত হচ্ছে ।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে অধ্যায়নরত ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৩ শত ৫৭ জন । অতিরিক্ত ছাত্রছাত্রীর কারনে বিদ্যালয়টিতে ৬ষ্ট ও ৭ম শ্রেণীর জন্য পৃথক শাখা খোলা হয়েছে । এ কারনে বিদ্যালয়টিতে পাঠদ্বানের জন্য সার্বক্ষণিক ৭ টি শ্রেণী কক্ষের প্রয়োজন । আর এ শ্রেণী কক্ষ ছিলও পর্যাপ্ত । কিন্ত গত ৮ বছর পুর্বে এক ঝড়ে বিদ্যালয়টির ৫ কক্ষ বিশিষ্ট একটি গৃহের সম্পুর্ণ টিনের চালা উড়ে যায় । আর তখন থেকেই সংস্কারের অভাবে ঐ গৃহে পাঠদ্বান সম্পুর্ণ রুপে বন্ধ রয়েছে । আর অর্থাভাবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অদ্যবদি গৃহটি সংস্কার করকে না পারায় সেটিতে পাঠদ্বান বন্ধই রয়েছে । সার্বিক এ অবস্থাতে ছাত্রছাত্রীদের পাঠাগার ও বারান্দাতে ক্লাশ করতে হচ্ছে । শেণী কক্ষের অভাবে প্রায় বন্ধই রয়েছে বিজ্ঞান, মানবিক ও কম্পিউটারের পৃথক ক্লাশ । কখনও বা এ সব ক্লাশ করতে হচ্ছে খোলা আকাশের নীচে । যা পাঠদ্বানের ক্ষেত্রে এক অনুকুল পরিবেশ । শুধু শ্রেণী কক্ষের সমস্যাই নয় । বিদ্যালয়টিতে রয়েছে বিজ্ঞানাগারের প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদী ও ক্রীড়া সামগ্রীর অভাব ।
এ দিকে সার্বিক বিষয় নিয়ে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক আসাদুল্লাহেল গালেব এর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে বিগত সময়ে বিদ্যালয়টিতে প্রধান শিক্ষক ও কমিটির বিরোধের কারনে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও শিক্ষা ক্ষেত্রে বিরুপ প্রভাব পড়েছিল । বিগত ২০১১ সনের শেয়ের দিকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে তার যোগদানের পর বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার পরিবেশ ফিরে এসেছে এবং গত ১ যুগের মধ্যে এ বারেই বিদ্যালয়ে এএসসি পরীক্ষার্থীদের পাশের হার ছিল ২ জন জিপি এ -৫ প্রাপ্ত সহ ৯৭ শতাংশ । সে সঙ্গে জেএসসি পরীক্ষাতেও ৭ জন ছাত্রছাত্রী জিপিএ-৫ পেতে সক্ষম হয়েছে ।
এলাকার সকলের প্রত্যাশা বিদ্যালয়টির সমস্যা দ্রত সমাধান হলে বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার মান আরও উন্নত হবে । তাই তারা এ ব্যাপারে সরকার তথা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু দৃষ্টি কামনা করছেন ।