দিনাজপুরে পানি মজুদ রাখার প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সরকারী পদক্ষেপের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

1000 (1)মো.নুরুন্নবী বাবু.দিনাজপুর প্রতিনিধি :
ওয়াটার প্রটেক্টর ওয়াল বিল্ডারস মেশিনের মাধ্যমে বৃষ্টির পানি ভূ-গর্ভে মজুদ রাখার প্রযুক্তি উদ্ভাবণে সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের জন্য সংবাদ সম্মেলন করেছে এক প্রকৌশলীসহ কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

সংবাদ সম্মেলনে দিনাজপুর টেক্সটাইল মিলের সাবেক মেইনটেন্যান্স ইনচার্জ ও ডিপ্লোমা প্রকৌশলী মোঃ জয়নাল আবেদীন লিখিত বক্তব্যে জানান, বর্তমানে অত্যাধিক মাত্রায় ভূ-গর্ভের পানি নিচে নেমে যাচ্ছে। যদি শুকিয়ে যাওয়া পানি স্তরে এই প্রকল্পের মাধ্যমে ভূ-গর্ভে নেওয়া সম্ভব হয় তাহলে আগামী ১০ বছরের মধ্যে ভাল ফলাফল পাওয়া সম্ভব হবে।

এই প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য সাধারন জনগোষ্ঠীকে সমবায়ের মাধ্যমে নিজ খরচায়, সরকারি ভূতুর্কি ও প্রযুক্তি সহায়তা তৈরী করতে হবে। কিন্তু এর আগে সরকারকে এই মেশিন তৈরীতে পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে। যদি এটি করা হয় তাহলে প্রাকৃতিক মহাবিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হবে বলে জানানো হয়।

আমাদের দেশে প্রতি বছর যা বৃষ্টিপাত হয় তা আনুমানিক শতকরা ১৫/২০ ভাগ পানি আমরা বিভিন্নভাবে সংরক্ষণ করতে পারি। বাকী সব কিছু পানি নদী দিয়ে সাগরে চলে যায়। এধরনের প্রযুক্তির মাধ্যমে ভূগর্ভে মজুদ রাখতে সক্ষম হলে তবেই সংকট কাটতে পারে, যার কোন বিকল্প নেই। পানির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্রমান্বয়ে ৫০/৬০ বছরের মধ্যে ২০/৩০ ফুট হতে ৬শ/৭শ ফুট নিচুতে পানির স্তর নেমে গেছে। যা কল্পনা করা যায় না। ভবিষ্যতে পানির অভাবে দেশের সব কিছু বিকল ও অচল হয়ে পড়বে। আমার এই নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশে পানির এই সংকট দূর করা সম্ভব হতে পারে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের সকল কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, পূর্বের ন্যায় দেশে সকল নদী-খাল বিলে সারা বছর পানির প্রাচুর্যতা থাকবে। বন্যার প্রকোপতা কমবে ও বর্হিদেশের পানির প্রয়োজন হবে না। প্রাকৃতি মহাবিপর্যয়ের কারণে ২/১ বছর প্রয়োজন অনুপাতে বৃষ্টিপাত না হয় তবুও বাংলাদেশ পানি কষ্টে ভুগবে না- ইনশাল্লাহ। এব্যাপারে পানি সম্পদ বিভাগীয় সংশ্লিষ্ট প্রধানগন ও সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন কামনা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সাবেক কৃষি কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম, সাবেক শিক্ষা কর্মকর্তা রিয়াজুল ইসলাম, নির্বাহী পরিচালক (অনুঘটক) আনোয়ারুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।##

দিনাজপুরে পৌর সভার উপ-নির্বাচনে ৬ জনের মনোনয়ন পত্র দাখিল

মো.নুরুন্নবী বাবু.দিনাজপুর প্রতিনিধি ২ জুন  ২০১৪ ॥

সোমবার দিনাজপুরের বীরগঞ্জ পৌর সভার মহিলা কাউন্সিলর পদে উপনির্বাচনে মনোনয়নয় পত্র দাখিলের শেষ দিনে ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র দাখিল। আগামী ২৬ জুন ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও রিটার্নিং অফিসার মোঃ আবু জাফর জানান, পৌর সভার সংরক্ষিত মহিলা আসনের উপনির্বাচনে মোছাঃ জমিলা বেগম, মোছাঃ নার্গিস বেগম, মোছাঃ কোহিনুর আকতার, মোছাঃ রওশন আরা রওশন, মোছাঃ বকুল বেগম, মোছাঃ শিমু বেগম সহ মোট ৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার লক্ষ্যে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।

উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ শামসুল আজম জানান, পৌর সভার ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত মহিলা আসনে মোট ভোটার ৪নং ওয়ার্ডে ২হাজার ০০৬ জন, ৫নং ওয়ার্ডে ১হাজার ১ শত ১৩ জন, ৬নং ওয়ার্ডে ১হাজার ১শত জন সহ মোট ৪হাজার ২শত ১৯জন ভোটার।

উল্লেখ্য যে, উক্ত আসনের মহিলা কাউন্সিলর মোছাঃ সেলিনা খাতুন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় পদটি শুন্য হয়।##

দিনাজপুরে শুরু হয়েছে সাতদিনব্যাপী লোকনাথ মেলা

মো.নুরুন্নবী বাবু.দিনাজপুর প্রতিনিধি ২ জুন  ২০১৪ ॥

“সৎ পথে চলো-সত্য কথা বলো” ত্রিকালদর্শী মহাপুরুষ বাবা লোকনাথের এই বাণীকে লালন করে সোমবার দেশের উত্তরবঙ্গে প্রথমবারের মতো প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে বাবা লোকনাথ মন্দির। বিশার এই মন্দির প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে উত্তরবঙ্গের হাজার হাজার ভক্তের সম্মিলনে দিনাজপুরে শুরু হয়েছে সাতদিনব্যাপী লোকনাথ মেলা। মঙ্গলবার শুরু হবে বাবা লোকনাথের তিরোধাম উৎসব।

সোমবার সকালে পূজা অর্চনার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয় লোকনাথ মন্দির। মন্দির প্রতিষ্ঠার পর ভক্তরা পায়ে হেঁটে পাশ্ববর্তী কালিতলা মন্দির সংলগ্ন পুকুর থেকে জল নিয়ে এসে মন্দিরে অর্পন করে। এছাড়া আয়োজন করা শোভাযাত্রা, কীর্তন, গীতাপাঠ, ভোগ, প্রসাদ বিতরনসহ সাতদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের। সকালে ঢাকের মধুর আওয়াজ ও সানাইয়ের সুরে মুখরিত হয়ে উঠে গোটা এলাকা।

দিনাজপুর গনেশতলাস্থ রায়সাহেব বাড়ীতে প্রতিষ্ঠিত এই মন্দির প্রাঙ্গনে আয়োজন করা হয়েছে সাত দিনব্যাপী লোকনাথ মেলার। মেলায় কবিগানসহ প্রতিদিন বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শ্রী শ্রী লোকনাথ বাবা কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক স্বরূপ কুমার বক্সী বাচ্চু জানান, বাবা লোকনাথের আদর্শ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি আদর্শ ও সুশৃংখল সমাজ গঠনের দিনাজপুরে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে এই মন্দির। এটিই উত্তরবঙ্গের প্রথম লোকনাথ মন্দির বলে জানান মন্দির কমিটির সদস্যরা। তিনি জানান, ৪১ শতক জমির উপর মূল মন্দির ছাড়াও মন্দিরের বিশাল প্রাঙ্গনে ভক্ত ও পূর্ণার্থীদের জন্য নির্বিঘেœ চলাচলের ব্যবস্থা, শৌচাগারসহ সবরকম সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। এছ^াড়াও দুর-দুরান্ত থেকে আগত ভক্ত ও পুর্নার্থীদের আবাসিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য মন্দিরের পাশে আবাসিক ভবন নির্মানের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।##