মৌলভীবাজারের শেরপুরে পুলিশ-ডাকাতের বন্ধুকযুদ্ধ পুলিশসহ আহত ১৯

moulovibazarএমএ ওয়াদুদ,মৌলভীবাজার :
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুরে পুলিশ-ডাকাতের মধ্যে বন্ধুকযুদ্ধ ৪টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, ১১ রাউন্ড গুলি ও ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামাধীসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ১১সদস্যকে  গ্রেপ্তার করেছে মডেল থানা পুলিশ। এতে মডেল থানার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সিরাজুল হুদা সহ ৮ পুলিশ ও ১১ ডাকাত আহত হয়। এদের মধ্যে ডাকাত দলের দুই সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়। গুলিবিদ্ধ ২ডাকাত মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। ঘটনাটি  রোববার রাত সাড়ে ১১টায় ঘটে। পুলিশ জানায়, রোববার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সিরাজুল হুদার নেতৃত্বে একটি টিম, মডেল থানার ওসির আব্দুস সালেহ এর নেতৃত্বে একটি টিম ও থানার ওসি (তদন্ত) দিলীপ কুমারের নেতৃত্বে আরেকটি টিম অভিযান চালায়। এসময় শেরপুর এলাকার মিয়া এন্ড সন্স ফিলিং ষ্টেশনের সামনে অভিযান চালিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে শেরপুর এলাকা থেকে ৪টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, ১১ রাউন্ড গুলি ও ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামাধীসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ১১সদস্যকে  গ্রেপ্তারের সময় ডাকাতরা পুলিশের উপর গুলি চুড়লে পাল্টাগুলি চুড়ে পুলিশ।  তখন ডাকাতের গুলিতে মডেল থানার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সিরাজুল হুদা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালেহ, ওসি (তদন্ত) দিলীপ কুমার, এসআই সিরাজুল ইসলাম,এসআই হাশিম  সহ ৮ পুলিশ ও ১১ ডাকাত আহত হয়। পরে গ্রামবাসীর সহায়তায় পুলিশ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ১১ সদস্যকে  গ্রেপ্তার করে। আটকৃত ডাকতরা হলো- শাহেদ মিয়া (৩২),শাহিদ মিয়া(৫৫), মন্নাফ মিয়া (২৭),রিপন মিয়া (২৭),জিয়া উদ্দিন (২৮),আউয়াল (২২),ইমরান (২৮),শফিক মিয়া (৩০),কাজল (২৭),কায়ের (২৫),লুৎফুর রহমান। আহত পুলিশ সদস্যরা মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নি”েছন। মডেল থানার ওসি আব্দুছ সালেহ জানান, বিগত কয়েকদিন ধরে চুরি,ডাকাতি ও ছিনতাই বেড়ে যাওয়ায় দিন-রাত  কাজ করে  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই চিহিৃত আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ১১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করতে সম হয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে সিলেট জেলার বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে।