কিশোরগঞ্জে পেঁপে চাষ করে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন আবুল কালামের

Pape0428কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি : নিজের মেধা দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে পেঁপে চাষে লাখপতি হয়ে এলাকার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। কিশোরগঞ্জের
কটিয়াদী উপজেলা বেকার যুবক আবুল কালাম।এখন সে উপজেলার মডেল কৃষক। জালালপুর ইউনিয়নের চরপুক্ষিয়া গ্রামের আবুল কালামের বাড়ি। ফাজিল পাশ করার পর চাকরির পিছনে ছুটতে ছুটতে যখন ক্লান্ত তখন নিজের দক্ষতা ও উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ কাজে লাগিয়ে এক বছর ধরে পেঁপে চাষে অনেক টাকা আয় করেন তিনি।গত মৌসুমে সাড়ে ৪ বিঘা জমিতে পেঁপে চাষ করে সব খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ৪ লক্ষ ৮৬ হাজার টাকা মুনাফা অর্জন করেন তিনি।আর এ বছর নতুন করে দুই বিঘা জমিতে পেঁপে চাষ করেছেন।ভাল উত্‍পাদন ওফসলের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের লক্ষে স্থানীয় কৃষি অফিসের সাথে যোগা-যোগ স্থাপন করেন।তারই ফলশ্রুতি তে আবুল কালাম তার লব্দক্তান ও কৌশল গুলো মাঠে প্রয়োগ করে ধীরে ধীরে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেন।আবুল কালাম জানান বাগান জমিতে আরও এক বছর রাখা
হবে।পরে বাগান ভেঙ্গে নতুন করে রোপন করা হবে, বর্তমানে গাছ ও বাগান ভাল আছে আগামী ১বছর বাগান হতে ভাল ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা আছে।আবুল কালামের সাফল্য দেখে এলাকার অন্যান্য চাষীগন পেঁপে চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছে ।উপজেলা কৃষি অফিসার ইতিমধ্যে তার বাগান পরিদর্শন করেছন এবং সংশ্লিষ্ট উপ সহকারী অফিসার বাগানের শুরু থেকে অদ্যবধি বাগানটির ব্যাপারে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করে যাচ্ছেন।এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মোজাহার হোসেন আহম্মেদ জানান পেঁপে পুষ্টি গুনে ভরা সবজি ও ফল যা সারা বছর ফলে। কটিয়াদী মাটি পেঁপে চাষে উপযোগি,বর্তমানে কটিয়াদী উপজেলা প্রায় ১১০ বিঘা জমিতে পেঁপে বাগান আছে।আমরা পেঁপে চাষ সম্প্রাসারনে চাষিদের কারিগরি পরামর্শ প্রদান ও প্রশিক্ষন দিচ্চি যাতে কৃষকগন পেঁপে চাষ করে লাভবান হতে পারেন। সংশ্লিষ্ট
জালালপুর ইউনিয়নের চরপুক্ষিয়া ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মোহাম্মদ নূর আলম গন্ধি বলেন আবুল কালামের মত অন্যান্য চাষী গন মানসম্মত সঠিক জাতের, সঠিক বয়সের চারা, জমিতে চুন প্রয়োগ,সুষমমাত্রা সার ব্যবহার, সঠিক দুরত্বে চারা রোপন, মানসম্মত রোগনাশক, কীটনাশক, সঠিক সময়ে ব্যবহার পরিচর্যা ও যত্ন সহকারে পেঁপে চাষ করলে চাষীগন লাভবান হবেন এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে বলে বিশ্বাস করি।