বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে অবাধে পাচার হচ্ছে মাদক সোনা, ও হুন্ডির টাকা

মোঃ আনিছুর bpরহমান, বেনাপোলঃ আন্তর্জাতিক চেকপোষ্ট ও দেশের বৃহত্তম স্থল বন্দর এর নাম বেনাপোল। প্রতিদিন বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে ২ থেকে ৩ হাজার দেশ- বিদেশী পাসপোর্টযাত্রী ভারত সহ অন্যান্য দেশে যাতায়াত করে থাকে। বেনাপোল বন্দরে ও ভারতের পেট্রপোল বন্দরে প্রবেশ করে ৫ শতাধিক আমদানি রফতানি পন্য বাহি  গাড়ি।বন্দর ও কাষ্টমস কর্মকতা সিএন্ড এফ এবং ট্রান্সপোর্ট মালিক কর্তৃক বৈধ ব্য্রাবসার জন্য প্রায় ৫ হাজার শ্রমিক ও কমৃচারির মধ্যে পরিচয় পত্র বা কার্ড ইস্যু করা হয়েছে।

বেনাপোল চেকপোষ্ট লাল-সবুজ পোশাক ধারী কুলিদের মধ্যে বন্টন করা হয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষের দেওয়া কার্ড। বৈধ সিএন্ডএফ কর্মচারি বর্ডারম্যানদের মধ্যে সঠিক কার্ড থাকলে ও এক শ্রেনীর অসাধু সংঘবব্ধ একটি চক্র চোরাকারবাররা বর্ডারম্যান ও কুলিদের দেওয়া কার্ড জাল করে অবাধে সোনা, হুন্ডির টাকা, ও মাদক পাচারে নেমেছে। সীমান্তে দায়িত্বরত ভিভিন্ন গোয়েন্দা সদস্যদের আড়াল করেই চলছে এসব অসাধু ব্যাবসা। এ চক্রের সদস্যরা পেট্রপোল ও বনোপোলে একাধিকবার সোনা হুন্ডির টাকা নিয়ে ধরা পড়লে ও তদবির বানিজ্যের পর পার পেয়ে যায়।

বেনাপোল কাষ্টমস এর দেওয়া সিএন্ড এফ কর্মচারিদের কার্ড জাল করে একাধিবার ভারত যাতায়াতকরছে হুন্ডি সোনা ও মাদক পাচারকারিরা। নির্বাক কতিপয় অসাধু বন্দর ইমিগ্রেশন ও বিজিবি সদস্যরা।

সীমান্তের একাধিক সুত্রে জানা যায়, আদানিরফতানি কাজের জন্য উভয় দেশের সীমান্তে দ্রুত মালামাল দেখার জন্য সিএন্ড এফ কর্মচারিদের সরকারের শুল্ক বিভাগ থেকে পরিচয় পত্র প্রদান করা হয়েছে।পাসপোর্ট যাত্রীদের ল্যাগেজ বহনের জন্য নিয়োগ দদেওয়া হয় হ্যান্ডলিং শ্রমিক (কুলি) । কিন্তু বন্দর ও কাষ্টমসের দেওয়া পরিচয়পত্র জাল করে কিছু অসাধু লোক কম্পিউটারের মাধ্যেমে পরিচয় পত্র জাল করে অবৈধ ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়েছে। অবৈধ কার্ড দেখিয়ে ভারতে হুন্ডির টাকা , সোনা , পাচারসহ নানা ধরনের অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভারতের এক মানিচেঞ্জার ব্যাবসায়ি জানান, বাংলাদেশের ও ভারতের কিছু লোক কুলি ও সিএন্ডএফ এজেন্সির কার্ড জাল করে দুদেশে হুন্ডি ও সোনা পাচার করে থাকে।বাংলাদেশের একজন ব্যাবসায়ি জানান, বাংলাদেশ থেকে সোনা হুন্ডির টাকা বার বার নোম্যান্স ল্যান্ডে বিএসএফ ধরলে ও এ পর্যান্ত কোন পুলিশ বিজিবি তা ধরতে পারে নাই। তিনি আরো বলেন সীমান্তে বিজিবি ও পুলিশ একটু সতর্ক হলে সোনা ও হুন্ডি পাচার কমবে।

বেনাপোল নোম্যান্সল্যান্ডে গত ১২ এপ্রিল কামাল নামে এক সিএন্ডএফ কর্মচারিকে ৬ টিপস সোনাসহ বিএসএপ আটক  করে। ১৭ এপ্রিল লোকমান নামে এক সিএন্ডএফ কর্মচারিকে ৪ লাখ টকা সহ বিএসএফ আটক করে।এর আগে ২৫ জানুয়ারী বেনাপোল চেকপোষ্ট নোম্যান্সল্যান্ড থেকে ২০ টি স্বর্নের বার সহ আলী কদর ও ২৫ টি স্বর্নের বারসহ ১লা ফেব্রুয়ারী গোপাল ১৫ ফেব্রুয়ালি এক কেজি স্বর্ন সহ আজহারুল নামে এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করে বিএসএফ।