গুম-খুন অপরাধে উদ্বিগ্ন ১৪ দল

25286_nasimবিডি রিপোর্ট 24 ডটকম : সম্প্রতি নারায়নগঞ্জ, ফেনী, লক্ষীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় হত্যা, গুম ও অপহরণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ১৪ দল। তবে অপরাধের  বিষয়ে সরকার ও ১৪ দলের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’ বলে জানিয়েছেন নেতারা। মঙ্গলবার ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ১৪ দলের এক বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন। সংবাদ সম্মেলনে নাসিম বলেন সাম্প্রতিক বিভিন্ন জেলার ঘটনা আমাদের উদ্বিগ্ন করেছে। তবে যে কোন অপরাধকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে জনগণের উদ্বেগ দূর করতে হবে। সরকার সে লক্ষ্যে কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেকটি ঘটনায় পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা নিয়েছে। নারায়নগঞ্জের ঘটনায় অভিযুক্তরা সেনাবাহিনীর লোক হওয়া সত্বেও তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এধরনের ঘটনারোধে সরকার আরও কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। বিএনপি ও খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, র‌্যাব যিনি সৃষ্টি করলেন তিনিই র‌্যাবের বিলুপ্তি চান, এটি বিস্ময়কর। ‘আওয়ামী লীগ পচে গেছে’ খালেদা জিয়ার এমন মন্তব্য ও বিএনপি নেতা এম কে আনোয়ারের সংবিধান নিয়ে করা বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে তিনি বড়-লেন, এসব বক্তব্য বালখিল্যতা ছাড়া আর কিছু নয়। এতে প্রমান হয় বিএনপির রাজনীতির কোন পরিবর্তন হয়নি। এধরনের কথা বলে খালেদা জিয়া দেশকে উত্তপ্ত করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চান। নাসিম বলেন, ক্ষমতায় থাকতে তিনি কোন খুনের ঘটনার বিচার করেননি। এমনকি নিজের স্বামী হত্যার বিচারও আজ পর্যন্ত করেননি। বর্তমান সরকার সব ঘটনায় দোষীদের খোঁজে বের করে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। নারায়নগঞ্জের শামীম ওসমান ও নূর হোসেনের ফোনালাপের বিষয়ে শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ কোন ব্যবস্থা নেবে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে নাসিম বলেন, জেলার নেতারাও এখন জাতীয় নেতা হয়ে গেছেন। অপরাধী অপরাধীই। তার কোন রাজনৈতিক সংজ্ঞা নেই। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় দলীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী জুনে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর সিলেটে সমাবেশ করবে ১৪ দল। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আহমদ হোসেন, উপ-দপ্তর সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাস, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়–য়া, জাতীয় পার্টি (জেপি)’র মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম, ন্যাপের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।