আটক রাবি শিবির নেতাকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করায় শিবিরের নিন্দা ও প্রতিবাদ

ru-leadrঅন্যায় ভাবে আটকের পর রাবি শিবির নেতা আফজাল হোসেনকে হাতুড়ি, লোহা ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হাত পা ভেঙে দেয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার ও সেক্রেটারী আতিকুর রহমান বলেন, অবৈধ সরকারের অনুকম্পা পেতে পুলিশ ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের মত নরঘাতকে পরিণত হয়েছে। কোন কারণ ছাড়াই রাবি শিবির নেতা আফজাল হোসেন ও কর্মী শহিদুজ্জামানকে অন্যায় ভাবে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু গ্রেপ্তারের কথা অস্বিকার করে শিবির নেতা আফজালকে হাতুড়ি, রড, লাঠি দিয়ে নির্দয়ভাবে পিটিয়ে হাত পা ভেঙে দেয় মতিহার থানা পুলিশ। এ বর্বরতার পরও রাতের আধারে নির্জন এলাকায় নিয়ে তার পায়ে গুলি করে বন্দুকযুদ্ধের নাটক প্রচার করেছে। পুলিশের এমন লোমহর্ষক অত্যাচারে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। কয়েকদিন আগেও ছাত্রশিবির যশোর শাখার সভাপতি জাহিদুল ইসলাম মন্ডলকে একই কায়দায় প্রথমে অস্বিকার করে পরে রাতের আধারে নির্জন স্থানে নিয়ে পায়ে গুলি করে পঙ্গু করে দেয় পুলিশ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয় পুলিশের ধারাবাহিক হত্যা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে শিবির নেতাকর্মীরা। অথচ ছাত্রলীগের অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্য ঘুরে বেড়ালেও গ্রেপ্তারের বদলে তাদের সেবাদাসের মত আচরণ করে যাচ্ছে। পুলিশের এমন বর্বরতায় রাবি সাধারণ ছাত্রসমাজ আজ তাদের জীবন নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছে।

নেতৃবৃন্দ হুশিয়ার করে বলেন, পুলিশ যদি আইনের লেবাসে সন্ত্রাসীদের মত হত্যা নির্যাতন অব্যাহত রাখে তাহলে ছাত্রসমাজের প্রতিরোধের সিদ্ধান্ত নেয়া ছাড়া আর কোন পথ খোলা থাকবে না। আইন আদালতের তোয়াক্কা না করে ছাত্রদের জীবন বিপন্ন করার অধিকার কাউকে দেয়া হয়নি। আইনের পোষাকে যারা সন্ত্রাসীদের মত আচরণ করে তারা আইনের রক্ষক হতে পারেনা। অবিলম্বে এ জুলম অত্যাচার বন্ধ করতে হবে। আহত শিবির নেতাকে সুচিকিৎসা ও মুক্তি দিতে হবে। অন্যথায় ছাত্রশিবির ছাত্রসমাজকে সাথে নিয়ে নিজেদের জান মাল রক্ষায় প্রয়োজনে পুলিশ রুপি এসব ভারাটে সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। এবং জুলুম অত্যাচারে জড়িতদের আইনের কাঁঠগড়ায় দাঁড় করিয়েই ক্ষান্ত হবে।

নেতৃবৃন্দ শিবির নেতাকর্মীদের উপর জুলুম নির্যাতন থেকে বিরত থাকতে এবং রাবি শিবির নেতা আফজাল হোসেনসহ নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান।