নানা কারনে সুন্দরী গাছের সংখ্যা হ্রাস পাওয়ায় সৌন্দর্য্য হারাচ্ছে সুন্দরবন

sundobon.treeডাঃ আওরঙ্গজেব কামাল ঃ লবণাক্ততার প্রভাবে সুন্দরী গাছের সংখ্যা হ্রাস পাওয়ায় সৌন্দর্য্য হারাচ্ছে সুন্দরবন। ভারতের ফারাক্কা বাঁধের কারণে মিঠে পানি প্রবাহ কমে যাওয়ায় এবং সমুদ্রের নোনা পানি উচ্চতা বৃদ্ধি এবং এর প্রবাহ অনেক ভেতরে ঢুকে পড়ায় এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। মিষ্টি পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় একদিন সুন্দরবন হারিয়ে যাবে। এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন পবিবেশবাদীরা। বর্তমানে সুন্দরী গাছে ব্যাপকভাবে টপ ডাইং রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। আগামরা রোগের কারণে প্রায় ৫০ শতাংশ সুন্দরী গাছ হ্রাস পেয়েছে। ৩০ বছরে ১৫শ’ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় ৪৫.২ মিলিয়ন সুন্দরী গাছ আগামরা রোগে আক্রান্ত হতে দেখাগেছে।আগামরা রোগের পেছনে উদ্ভিদবিদরা ৭টি কারণ খুঁজে পেয়েছে। বিশেষজ্ঞদের উদ্ধৃতি দিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেষ্টি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপিনের সূত্র জানান, এমন একটি বিশেষ প্রাকৃতিক পরিবেশ যেখানে নোনা এবং মিষ্টি পানির প্রবাহের একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় সম্মিলন ঘটে সেখানে ম্যানগ্রোভ বন সৃষ্টি । নোনা ও মিঠে পানির এই মাত্রা বা হেরফের ঘটলে ম্যানগ্রোভ বনের ক্ষতি হয়। এর মধ্যে নোনা পানির আধিক্য সুন্দরী গাছের জন্য প্রাণঘাতী। দুর্ভাগ্যবসতঃ সুন্দরবনে তাই ঘটেছে। এই কারণে সুন্দরী গাছে আগামরা রোগ প্রায় বনজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। সুন্দরবন বিভাগের সূত্র মতে, বনে ৩৩৪ প্রজাতির বৃক্ষরাজি রয়েছে। বনের কেওড়া, গেওয়া, গরান প্রজাতির গাছের পাশাপাশি সবশেষে জন্মেছে সুন্দরী গাছ। সুন্দরী স্টারকুলেসী পরিবারভূক্ত একটি সার্বজনীন বৃক্ষ। সুন্দরবনে সর্বত্র সুন্দরী গাছ দেখা যায়। সুন্দরী গাছে ব্যাপকভাবে টপডাইং রোগ ছড়িয়ে পড়ায় বন সৌন্দর্য্য হারাচ্ছে। যেসব কমপার্টমেন্টে টপডাইং রোগে আক্রান্ত হচ্ছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে, ৬, ১৪, ১৯, ২০, ২১, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ৩২, ৩৩, ৩৪, ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪৬। এই সূত্র মতে, বনে ৪৫.২ মিলিয়ন সুন্দরী গাছ টপডাইং রোগে আক্রান্ত হয়েছে। সূত্র আরো জানান, এ রোগের কারণগুলো হচ্ছে, মিষ্টি পানির প্রবাহ হ্রাস, বনের অভ্যন্তরে নদ-নদীতে পলির আধিক্য, পুষ্টি সরবরাহ হ্রাস, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, স্বাভাবিক জোয়ার-ভাটা বাঁধাগ্রস্থ এবং জলবদ্ধতা-ঘনঘন জ্বলোচ্ছাস সহ নানাবিধ প্রাকৃতিক কারণ। সুন্দরী এই ভয়ানক সমস্যা ছাড়াও পশুরের হাটরট, কেওড়ার ডাইব্যাক, সুন্দরীর ক্যাংকর বা গলরক রোগ, সুন্দরবনের অর্থকারীর বৃক্ষের অন্যতম সমস্যা। টপডাইং এক ধরনের ফাঙ্গাল ডিজিস বা গাছের আগা আক্রমন করে প্রথমে। পরবর্তীতে ছড়িয়ে পরে গাছের সর্বত্র। গাছ নির্জীব হয়ে পড়ে। পানি বিশেষজ্ঞ ড. আইনুন নিশাত তার এক প্রবন্ধে উল্লেখ করেন, ফারাক্কার বিরুপ প্রভাব এবং মিঠে পানির অভাবে সুন্দরবনের সুন্দরী গাছ মারা যাচ্ছে। এক পরিসংখ্যান থেকে তিনি উলেখ করেন, বনে ৮৫ কোটি ৬৭ লাখ সুন্দরী গাছ রয়েছে। সুন্দরবন সংলগ্ন নদ-নদীতে লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় ৩৮ শতাংশ সুন্দরী গাছ আগামরা রোগে আক্রান্ত হয়েছে। বন বিশেষজ্ঞ ড. মাসুদুর রহমান জানান, বনের মধ্যম লবণাক্তাতা এলাকাতে সুন্দরী গাছে আগামরা রোগ বেশি দেখা দিয়েছে। প্রতিকূল ইকোলজিক্যাল অবস্থার কারণে সুন্দরী গাছে আগামরা রোগ ধরেছে বলে তিনি ধারণা করেন। সুন্দরী গাছ লবণাক্ততা সহিঞ্চু ক্ষমতা কম। আগামরা রোগ প্রতিরোধক সুন্দরী গাছ বাছাই করে বীজ সংগ্রহের মাধ্যমে নতুন সুন্দরী বাগান তৈরি করার সুপারিশ করেছেন এই বিশেষজ্ঞ। টিসু ক্যালচার করে চারা তৈরি করে বনের রোপণের পরামর্শ রয়েছে তার। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সিটিটিউট অব ফরেস্টার বিভাগের প্রফেসর ড. এম এ রহমান তার গবেষণাপত্রে উলেখ করেন, ১৯১৫ সালে টপডাইং রোগের সূচনা হয়। বনের সৌন্দর্য্য সুন্দরী গাছে ব্যাপক টপডাইং রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, ১৯৮৫ সালে বনে ১৫টি কমপার্টমেন্টে টপডাইং দেখা দিলেও ২৭ কমপার্টমেন্টে ছড়িয়ে পড়েছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেষ্টি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপিনের সহকারী অধ্যাপক মোঃ কামরুজ্জামান জানান, পাহাড়ের পাদদেশ থেকে আসা বিশুদ্ধ পানি নানা কারণে বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে। মিষ্টি পানির প্রবাহ কমে যাওয়ার কারণে পুষ্টির অভাব দেখা দিচ্ছে। সাধুৃ পানি স্বল্পতার কারণে লবণাক্ততা বৃদ্ধি ফলে পরিবেশগত বৃদ্ধির কারণে টপডাইং বিস্তার লাভ করেছে। মিষ্টি পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় একদিন সুন্দরবন হারিয়ে যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। টপডাইং আক্রান্ত গাছ নিলামে বিক্রির করার জন্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সুপারিশ করা হয়েছে। সুন্দরবন (পশ্চিম) বন বিভাগীয় কর্মকর্তা জহির উদ্দিন আহম্মেদ জানান, সুন্দরী গাছ নিলামে দেয়ার জন্য কোন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের নেই। সুন্দরী গাছে আগামরা রোগের বিস্তার আগের তুলোনায় অনেকখানি কমে এসেছে বলে তিনি উলেখ করেন। এর প্রতিরোধ করারও কিছু নেই। খুলনা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মোহাম্মদ জহুরুল হক জানান, শিবসা ও পশুর নদীর তীরে সুন্দরী গাছে আগামরা রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি। তিনি জানান, খালের পাড়ের সুন্দরী গাছে আগামরা রোগ নেই। ১৮,১৯, ৪৩ ও ৪৪ কমপার্টমেন্টে সুন্দরী গাছে আগামরা রোগ নেই বলে তিনি দাবি করেন। সুন্দরবনে দীর্ঘদিন যাবৎ পশুর ও সুন্দরী কাঠ কাটা ও ব্যবহার নিষিদ্ধ রয়েছে। তবুও চোরাই ভাবে চলছে এই কাঠের ক্রয় বিক্রয়। সারা পৃথিবীর ৩টি ম্যানগ্রোভ বনের মধ্যে সুন্দরবনের অবস্থান সবচেয়ে বর্তমানে মর্যাদা সম্পন্ন । যার ৬২শতাংশ বাংলাদেশের মধ্যে অবস্থীত। পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন যার আছে অপরিসীম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য, যার আয়তন ১০ হাজার ২৮০ বর্গ কিলোমিটার । এই বনে রয়েছে বিশ্বখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার, মায়াবী হরিণ, ভয়ঙ্কর ও সুন্দর অজগর, বিভিন্ন প্রজাতির সাপ , কুমির,বানর সহ প্রায় ১হাজার প্রজাতীর পশু । সাড়ে তিনশত প্রজাতির পাখি । আছে সুন্দরী, গরান, গেওয়া, কেওরা, ধুন্দল, গোলপাতাসহ মনজুড়ানো ৩৫০ প্রজাতির গাছ। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন, জলযান ও কিছু সরকারী ও সাধারন অসাধু মানুষের নানা রকম অপরকর্মের কারণে আমদের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন ধীরে ধীরে হারাতে বসেছে তার অপরূপ সৌন্দর্য। সুন্দরবনের ৪ শতাধিক নদী, হাজার  খালের অসহণীয় লবণাক্ততা, সিডর-আইলাসহ নানা প্রাকৃতিক ও মানুষ্য সৃষ্টি নানা রকম দুর্যোগে গত ৪০ বছর ধরে ধীরে ধীওে নীরবে ধ্বংস হচ্ছে এ প্রিয় সুন্দরবন। এদিকে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন এভাবে সুন্দর বনের উপর মানুষের অশহনশীল চাপ চলতে থাকলে আগামী ৫০বছরের মধ্যে হারিয়ে যাবে সুন্দরবনের ৭৫শতাংশ। প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানাযায় , এই বনকে এক শ্রেনীর অসাধু প্রশাসনিক কর্মকর্তারা নিরবিঘেœ উজার করে দিচ্ছে অথচ দেখার কেউ নেই । বিগত কথিত তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে উসমান গনির মতো কিছু বোন খেকো সরকারী কর্মকর্তা  আটক হয় । চলে বোন খেকো নিধন অভিযান । এ সময় অনেকে বনবিভাগে কর্মরত কর্মচারী নিজেদের শুধিয়ে নিয়ে বোন খাওয়া থেকে কিছুদিনের জন্য হলেও বিরাত থাকে। কিন্তু স্বল্প সময়ে তত্ববধায়ক সরকার কিছু অপরাধীদের শাস্তি দিলেও অসংখ্য অপরাধীরা রয়েযায় ধরা ছোয়ার বাইরে । মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আশার সাথে সাথে ঐসব কর্মকর্তা ও বহিরাগত বোনউজারকারী সংঘবদ্ধ চক্র সুন্দরবোন উজারের মহাউৎসবে মেতে উঠে । বর্তমান সরকার সুন্দরবনকে রক্ষার জন্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা জোরদার করেছে , প্রতিনিয়ত তদরকিও হচ্ছে কিন্তু তাবে কি লাভ । সরিসার মধ্যে ভুত থাকলে সে ভুত তাড়াবে কে । অপরদিকে প্রাকৃতিক বিপর্যেও কারনে বর্তমানে সুন্দরবনে ঢুকলেই চোখে পড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ব্যাপক প্রভাব। ২০০৭ সালের সিডর ও ২০০৯ সালের আইলার ক্ষত এখনো মোছেিেন সুন্দরবনের বুক থেকে। বনের অনেক জায়গায় পরে আছে সুকনো ও আধমরা সুন্দরী, গেওয়া, বাইনসহ নানা রকম গাছ। যে গাছগুলো দক্ষিণাঞ্চলের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে সবসময় দাড়িয়ে থাকত মাথা উচু করে, কিন্তু সিডর ও আইলা কেড়ে নিয়েছে ওদের ডালপাতা,কিছু গাছ উপরে পরেছে, আর কিছু সুকিয়ে গেছে। এই আধমরা গাছগুলির প্রান ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট চেষ্টা  করে হলেও প্রতিকুল জলবায়ু, সমুদ্রের পানি বৃদ্ধি, অনেক খাল ও নদী শুকিয়ে যাওয়ার ফলে মিস্টি পানির প্রবাহ  কমে যাওয়া, কিছু নদীতে আবার লবন পানির প্রবাহ আশংকাজনক ভাবে বেড়ে যাওয়া, বায়ুমন্ডলে কার্বনের পরিমান বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কারনে তা সফল হচ্ছে না। তাই গাছগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে আর সুন্দরবন হারাচ্ছে তার স্বাভাবিকতা। ধ্বংস হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী সব প্রাণীকুলের সম্ভার।বন বিভাগের পরিসংখ্যন অনুযায়ী এর মধ্যেই সুন্দরবনের পশ্চিম বন বিভাগের সবচেয়ে গহিনে অবস্থিত মান্দারবাড়িয়া ক্যাম্প সমুদ্রবক্ষে হারিয়ে গেছে। যার অবস্থান ছিল বঙ্গপসাগর থেকে মাইল কয়েক দূরে। এর কারণে স্বভাবতই ম্যানগ্রোভ গাছ শ্বাস ছাড়তে না পেরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে সুন্দরবনের অতন্দ্র প্রহরী সুন্দরী গাছ। বন রাণীর আদরের ধন গাজী, কালু, চম্পাবতী, মৌয়াল, বাওয়ালী, সুন্দরী, কুমির, বানর , হরিণ,  রয়েল বেঙ্গল টাইগার, বনমোরগসহ হাজার প্রজাতীর  প্রাণী আজ হুমকির মুখে। বিভিন্ন তথ্য থেকে জানাযায় , “প্রায় ৪০বছর ধরে সুন্দরবনের এ ধ্বংসাতœক  প্রবনতা লক্ষ করা যায় তবে তখন এ প্রবনতা ছিল ক্ষীণ। সুন্দরী গাছের প্রায় সবই কালো হয়ে মারা যাচ্ছে। বনের প্রায় ৭৩শতাংস গাছই সুন্দরী গাছ। আর সুন্দরী ছাড়াও সুন্দরবনে ৩৩৪ প্রজাতির গাছ আছে। বর্তমান অবস্থা চলতে থাকলে আগামী ৫০বছরে সুন্দরবনের ৭৫শতাংশ ভূমিই গাছশূন্য মরুভূমিতে পরিনত হবে।সুন্দরী গাছের এ অকাল মৃত্যুর জন্য বিশেষজ্ঞরা এখানকার নদী ও বঙ্গপসাগরের পানির উচ্চতা বাড়া এবং সর্গীয় গঙ্গা নদীর উপর দেওয়া ভারতীয় ফারাক্কা বাধ এবং বোন খেকো উসমান গনিদের দায়ী করেন। নদী বিশারদদের মতে, ফারাক্কা বাধের পরই প্রথম খুলনা, বাগেরহাট, ও সাতক্ষিরা অঞ্চলের লবণাক্ততা বৃদ্ধি পায়। তাই ১৯৭৫সালের পর থেকেই নিয়মিত বেড়ে চলেছে সুন্দরবনের লবণাক্ততা এবং নদীর পানিতে উচ্চমাত্রার এলকোহল পাওয়া গেছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও অন্যান্য প্রতিকুল আচরণের কারণে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। সুন্দরবনের ৩১.১৫ভাগ এলাকা জুড়ে আছে নদী ফলে লবণাক্ততা বৃদ্ধিতে প্রানীকুলসহ অসংখ্যা গাছপালা বিনিষ্ট হচ্ছে । ৩৩৪ প্রজাতির গাছ, ১৫৬ প্রজাতির শৈবাল, ১৩ প্রজাতির অর্কিড আজ বিনষ্টর পথে ।  এ ভাবে চলতে থাকলে ৮০শতাংস আগামী ৫০বছরের মধ্যে বিলীন হয়ে যাবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট বিষেজ্ঞরা। এছাড়াও প্রতিনিয়ত বনদস্যুরা সুন্দরবনের কোটি কোটি টাকার গাছ কেটে পাচার করে দিচ্ছে।স্থানীয় সুত্রেথেকে জানাযায় , প্রতি বছর ৫০কোটি টাকার কাঠ পাচার হয় এই বন থেকে। গত পাচ বছরে বিভিন্ন সময় সুন্দরবন বন বিভাগের বিভিন্ন অভিযানে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৪২ ঘনফুট কাঠ আটক হয়েছে, গ্রেপ্তার হয়েছে ৪০২জন, মামলা হয়েছে ৫২১৭টি, তবে এসব মামলা ও মামলায় আটক কারীরা বিভন্ন কারণে লঘু সাস্তিও মাধ্যমে পার পেয়ে যায়, অনেক ক্ষেত্রেত মোটা অংকের উৎকোচের মাধ্যমে পার পেয়ে বন অপরাধীরা। সাধারণ বনজীবি সূত্রে জানা গেছে, প্রকাশ্যে তাদের পাশ পারমিট, বিএলসি নবায়ন, সিডি পাশ প্রভৃতি খাত থেকে জোর পূর্বক চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। দাবিকৃত চাঁদা না দিলে সুন্দরবনে প্রবেশে বাঁধা দেওয়া সহ নানা ভাবে তাদের হয়রানী করা হচ্ছে। প্রতি মাসে করাত কল ৩ হাজা টাকা, ষ্টেশনের অধীন প্রতিটি নৌকা ১০থেকে ৩০হাজার টাকা, ফরেষ্ট গার্ড বনজীবিদের ট্রলার থামিয়ে জেলে প্রতিটি প্রতিদিন ২-৩’শ টাকা । এছাড়া প্রতি গোনে প্রতিটি ট্রলার ২হাজার টাকা ,এছাড়া বিএলসি নবায়নের ফি ১০-১২ টাকা হলেও এ চক্র আদায় করছে ২-৩’শ টাকা। প্রায় ৮’শ বিএলসি বছরে এ ষ্টেশনে নবায়ন করা হয়। নবায়ন বাবদ অবৈধ ভাবে আদায় করা হচ্ছে দেড় লক্ষাধিক টাকা। ট্রলার প্রতি ৭ দিনের জন্য সিডি পাশ বা অনুমতি পত্র দিতে নেওয়া হয় ১ হাজার ৮’শ টাকা। ট্রলার মালিকদের কাছ থেকে এ পরিমাণ টাকা নিয়ে রিসিট দেওয়া হয় মাত্র ৫’শ টাকার। মাসে দুটি গোনে এভাবে ট্রলার প্রতি অবৈধ ভাবে নেওয়া হয় ২ হাজার ৬’শ টাকা। ১৫ ট্রলারে নেওয়া হয় ৩৯ হাজার টাকা। ১৭৬ টাকার পারমিট ইস্যু করতে নেওয়া হয় ২৯১ টাকা। সাতক্ষীরা জেলার বুড়িগোয়ালীনী ষ্টেশনে যেয়ে দেখা যায় অসংখ্যা দালালের আনাগোনা । এলাকাবাসী এই প্রতিবেদককে জানায় , এই ফরেষ্ট্র কর্মকর্তা টাকা ছাড়া কিছু বোঝেনা । তার কথায় মনে হয় টাকা হলে পুরা সুন্দর বন সে কিক্রয় করে দিবে । সরন খোলা রেজ্ঞে যেয়ে দেখা যায় কিছু বন রক্ষী কর্তব্যরতর সময় সাধারন জনগনের সহিত তাস খেলছে । নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী চলছে অভাদ ঘুষ বানিজ্য । সচেতনদের মতে এ ভাবে চলতে থাকলে সুন্দরবন তার সুন্দর্য্য হারিয়ে সুন্দও মরুভূমিতে পরিনত হবে । আর উসমান গনিরা হবে বৃত্তশালী।

bvbv Kvi‡b my›`ix Mv‡Qi msL¨v n«vm cvIqvq †mŠ›`h©¨ nviv‡”Q my›`ieb

Wvt AvIi½‡Re Kvgvj t jeYv³Zvi cÖfv‡e my›`ix Mv‡Qi msL¨v n«vm cvIqvq †mŠ›`h©¨ nviv‡”Q my›`ieb| fvi‡Zi dviv°v euv‡ai Kvi‡Y wg‡V cvwb cÖevn K‡g hvIqvq Ges mgy‡`ªi †bvbv cvwb D”PZv e„w× Ges Gi cÖevn A‡bK †fZ‡i Xy‡K covq G Ae¯’v m„wó n‡q‡Q| wgwó cvwbi cÖevn K‡g hvIqvq GKw`b my›`ieb nvwi‡q hv‡e| Ggb AwfgZ e¨³ K‡i‡Qb cwe‡ekev`xiv| eZ©gv‡b my›`ix Mv‡Q e¨vcKfv‡e Uc WvBs †ivM Qwo‡q c‡o‡Q| AvMvgiv †iv‡Mi Kvi‡Y cÖvq 50 kZvsk my›`ix MvQ n«vm †c‡q‡Q| 30 eQ‡i 15kÕ eM© wK‡jvwgUvi GjvKvq 45.2 wgwjqb my›`ix MvQ AvMvgiv †iv‡M Avµvš— n‡Z †`Lv‡M‡Q|AvMvgiv †iv‡Mi †cQ‡b Dw™¢`we`iv 7wU KviY Luy‡R †c‡q‡Q| we‡klÁ‡`i DׄwZ w`‡q Lyjbv wek¦we`¨vj‡qi d‡iwó GÛ DW †UK‡bvjwR wWwmwc‡bi m~Î Rvbvb, Ggb GKwU we‡kl cÖvK…wZK cwi‡ek †hLv‡b †bvbv Ges wgwó cvwbi cÖev‡ni GKwU wbw`©ó gvÎvq mw¤§jb N‡U †mLv‡b g¨vb‡MÖvf eb m„wó | †bvbv I wg‡V cvwbi GB gvÎv ev †ni‡di NU‡j g¨vb‡MÖvf e‡bi ¶wZ nq| Gi g‡a¨ †bvbv cvwbi AvwaK¨ my›`ix Mv‡Qi Rb¨ cÖvYNvZx| `yf©vM¨emZt my›`ie‡b ZvB N‡U‡Q| GB Kvi‡Y my›`ix Mv‡Q AvMvgiv †ivM cÖvq ebRy‡o Qwo‡q c‡o‡Q| my›`ieb wefv‡Mi m~Î g‡Z, e‡b 334 cÖRvwZi e„¶ivwR i‡q‡Q| e‡bi †KIov, †MIqv, Mivb cÖRvwZi Mv‡Qi cvkvcvwk me‡k‡l R‡b¥‡Q my›`ix MvQ| my›`ix ÷viKz‡jmx cwievif~³ GKwU mve©Rbxb e„¶| my›`ie‡b me©Î my›`ix MvQ †`Lv hvq| my›`ix Mv‡Q e¨vcKfv‡e UcWvBs †ivM Qwo‡q covq eb †mŠ›`h©¨ nviv‡”Q| †hme KgcvU©‡g‡›U UcWvBs †iv‡M Avµvš— n‡”Q †m¸‡jvi g‡a¨ i‡q‡Q, 6, 14, 19, 20, 21, 25, 26, 27, 28, 32, 33, 34, 36, 37, 38, 39, 40 I 46| GB m~Î g‡Z, e‡b 45.2 wgwjqb my›`ix MvQ UcWvBs †iv‡M AvµvšÍ n‡q‡Q| m~Î Av‡iv Rvbvb, G †iv‡Mi KviY¸‡jv n‡”Q, wgwó cvwbi cÖevn n«vm, e‡bi Af¨šÍ‡i b`-b`x‡Z cwji AvwaK¨, cywó mieivn n«vm, jeYv³Zv e„w×, ¯^vfvweK †Rvqvi-fvUv euvavMÖ¯’ Ges Rje×Zv-NbNb R¡‡jv”Qvm mn bvbvwea cÖvK…wZK KviY| my›`ix GB fqvbK mgm¨v QvovI cï‡ii nvUiU, †KIovi WvBe¨vK, my›`ixi K¨vsKi ev MjiK †ivM, my›`ie‡bi A_©Kvixi e„‡¶i Ab¨Zg mgm¨v| UcWvBs GK ai‡bi dv½vj wWwRm ev Mv‡Qi AvMv Avµgb K‡i cÖ_‡g| cieZ©x‡Z Qwo‡q c‡i Mv‡Qi me©Î| MvQ wbRx©e n‡q c‡o| cvwb we‡klÁ W. AvBbyb wbkvZ Zvi GK cÖe‡Ü D‡jøL K‡ib, dviv°vi weiæc cÖfve Ges wg‡V cvwbi Afv‡e my›`ie‡bi my›`ix MvQ gviv hv‡”Q| GK cwimsL¨vb †_‡K wZwb D‡jL K‡ib, e‡b 85 †KvwU 67 jvL my›`ix MvQ i‡q‡Q| my›`ieb msjMœ b`-b`x‡Z jeYv³Zv †e‡o hvIqvq 38 kZvsk my›`ix MvQ AvMvgiv †iv‡M AvµvšÍ n‡q‡Q| eb we‡klÁ W. gvmy`yi ingvb Rvbvb, e‡bi ga¨g jeYv³vZv GjvKv‡Z my›`ix Mv‡Q AvMvgiv †ivM †ewk ‡`Lv w`‡q‡Q| cÖwZK~j B‡KvjwRK¨vj Ae¯’vi Kvi‡Y my›`ix Mv‡Q AvMvgiv †ivM a‡i‡Q e‡j wZwb aviYv K‡ib| my›`ix MvQ jeYv³Zv mwnÂy ¶gZv Kg| AvMvgiv †ivM cÖwZ‡ivaK my›`ix MvQ evQvB K‡i exR msMÖ‡ni gva¨‡g bZzb my›`ix evMvb ˆZwi Kivi mycvwik K‡i‡Qb GB we‡klÁ| wUmy K¨vjPvi K‡i Pviv ˆZwi K‡i e‡bi †ivc‡Yi civgk© i‡q‡Q Zvi| PÆMÖvg wek¦we`¨vj‡qi BwÝwUwUDU Ae d‡i÷vi wefv‡Mi cÖ‡dmi W. Gg G ingvb Zvi M‡elYvc‡Î D‡jL K‡ib, 1915 mv‡j UcWvBs †iv‡Mi m~Pbv nq| e‡bi †mŠ›`h©¨ my›`ix Mv‡Q e¨vcK UcWvBs †ivM Qwo‡q c‡o‡Q| wZwb e‡jb, 1985 mv‡j e‡b 15wU KgcvU©‡g‡›U UcWvBs †`Lv w`‡jI 27 KgcvU©‡g‡›U Qwo‡q c‡o‡Q| Lyjbv wek¦we`¨vj‡qi d‡iwó GÛ DW †UK‡bvjwR wWwmwc‡bi mnKvix Aa¨vcK †gvt Kvgiæ¾vgvb Rvbvb, cvnv‡oi cv`‡`k †_‡K Avmv weï× cvwb bvbv Kvi‡Y euvavMÖ¯’ n‡”Q| wgwó cvwbi cÖevn K‡g hvIqvi Kvi‡Y cywói Afve †`Lv w`‡”Q| mvay„ cvwb ¯^íZvi Kvi‡Y jeYv³Zv e„w× d‡j cwi‡ekMZ e„w×i Kvi‡Y UcWvBs we¯Ívi jvf K‡i‡Q| wgwó cvwbi cÖevn K‡g hvIqvq GKw`b my›`ieb nvwi‡q hv‡e e‡j wZwb D‡jøL K‡ib| UcWvBs AvµvšÍ MvQ wbjv‡g wewµi Kivi Rb¨ Lyjbv wek¦we`¨vj‡qi c¶ †_‡K mswkøó gš¿Yvjq mycvwik Kiv n‡q‡Q| my›`ieb (cwðg) eb wefvMxq Kg©KZ©v Rwni DwÏb Avn‡¤§` Rvbvb, my›`ix MvQ wbjv‡g †`qvi Rb¨ †Kvb cwiKíbv gš¿Yvj‡qi †bB| my›`ix Mv‡Q AvMvgiv ‡iv‡Mi we¯Ívi Av‡Mi Zz‡jvbvq A‡bKLvwb K‡g G‡m‡Q e‡j wZwb D‡jL K‡ib| Gi cÖwZ‡iva KiviI wKQz †bB| Lyjbv †i‡Äi mnKvix eb msi¶K †gvnv¤§` Rûi“j nK Rvbvb, wkemv I cïi b`xi Zx‡i my›`ix Mv‡Q AvMvgiv †iv‡Mi cÖv`yf©ve †ewk| wZwb Rvbvb, Lv‡ji cv‡oi my›`ix Mv‡Q AvMvgiv †ivM †bB| 18,19, 43 I 44 KgcvU©‡g‡›U my›`ix Mv‡Q AvMvgiv †ivM †bB e‡j wZwb `vwe K‡ib| my›`ie‡b `xN©w`b hver cïi I my›`ix KvV KvUv I e¨envi wbwl× i‡q‡Q| ZeyI †PvivB fv‡e Pj‡Q GB Kv‡Vi µq weµq| mviv c„w_exi 3wU g¨vb‡MÖvf e‡bi g‡a¨ my›`ie‡bi Ae¯’vb me‡P‡q eZ©gv‡b gh©v`v m¤úbœ | hvi 62kZvsk evsjv‡`‡ki g‡a¨ Ae¯’xZ| c„w_exi e„nËg g¨vb‡MÖvf eb my›`ieb hvi Av‡Q Acwimxg cÖvK…wZK †mŠ›`h©¨, hvi AvqZb 10 nvRvi 280 eM© wK‡jvwgUvi | GB e‡b i‡q‡Q wek¦L¨vZ i‡qj †e½j UvBMvi, gvqvex nwiY, fq¼i I my›`i ARMi, wewfbœ cÖRvwZi mvc , Kzwgi,evbi mn cÖvq 1nvRvi cÖRvZxi cï | mv‡o wZbkZ cÖRvwZi cvwL | Av‡Q my›`ix, Mivb, †MIqv, †KIiv, ay›`j, †MvjcvZvmn gbRyov‡bv 350 cÖRvwZi MvQ|wKš‘ Rjevqy cwieZ©b, Rjhvb I wKQy miKvix I mvavib Amvay gvby‡li bvbv iKg AciK‡g©i Kvi‡Y Avg‡`i e„nËg g¨vb‡MÖvf eb my›`ieb ax‡i ax‡i nviv‡Z e‡m‡Q Zvi Aciƒc †mŠ›`h©| my›`ie‡bi 4 kZvwaK b`x, nvRvi  Lv‡ji AmnYxq jeYv³Zv, wmWi-AvBjvmn bvbv cÖvK„wZK I gvbyl¨ m„wó bvbv iKg `y‡h©v‡M MZ 40 eQi a‡i ax‡i ax‡I bxi‡e aŸsm n‡”Q G wcÖq my›`ieb| Gw`‡K we‡klÁiv Avk¼v Ki‡Qb Gfv‡e my›`i e‡bi Dci gvby‡li Aknbkxj Pvc Pj‡Z _vK‡j AvMvgx 50eQ‡ii g‡a¨ nvwi‡q hv‡e my›`ie‡bi 75kZvsk| cÖvß Z_¨ †_‡K Rvbvhvq , GB eb‡K GK †kªbxi Amvay cÖkvmwbK Kg©KZ©viv wbiwe‡Nœ DRvi K‡i w`‡”Q A_P †`Lvi †KD †bB | weMZ Kw_Z ZZ¡veavqK miKv‡ii Avg‡j Dmgvb Mwbi g‡Zv wKQz †evb †L‡Kv miKvix Kg©KZ©v  AvUK nq | P‡j †evb †L‡Kv wbab Awfhvb | G mgq A‡b‡K ebwefv‡M Kg©iZ Kg©Pvix wb‡R‡`i ïwa‡q wb‡q †evb LvIqv †_‡K wKQzw`‡bi Rb¨ n‡jI weivZ _v‡K| wKš‘ ¯^í mg‡q ZZ¡eavqK miKvi wKQz Acivax‡`i kvw¯Í w`‡jI AmsL¨ Acivaxiv i‡qhvq aiv †Qvqvi evB‡i | gnv‡RvU miKvi ¶gZvq Avkvi mv‡_ mv‡_ Hme Kg©KZ©v I ewnivMZ †evbDRviKvix msNe× Pµ my›`i‡evb DRv‡ii gnvDrm‡e †g‡Z D‡V | eZ©gvb miKvi my›`ieb‡K i¶vi Rb¨ cÖkvmwbK e¨e¯’v †Rvi`vi K‡i‡Q , cÖwZwbqZ Z`iwKI n‡”Q wKš‘ Zv‡e wK jvf | mwimvi g‡a¨ fyZ _vK‡j †m fyZ Zvov‡e †K | Aciw`‡K cÖvK…wZK wec‡h©I Kvi‡b eZ©gv‡b my›`ie‡b XyK‡jB †Pv‡L c‡o Rjevqy cwieZ©‡bi e¨vcK cÖfve| 2007 mv‡ji wmWi I 2009 mv‡ji AvBjvi ¶Z GL‡bv †gv‡Q‡wb my›`ie‡bi eyK †_‡K| e‡bi A‡bK RvqMvq c‡i Av‡Q myK‡bv I Avagiv my›`ix, †MIqv, evBbmn bvbv iKg MvQ| ‡h MvQ¸‡jv `w¶Yv‡ji AZ›`ª cÖnix wn‡m‡e memgq `vwo‡q _vKZ gv_v DPz K‡i, wKš‘ wmWi I AvBjv †K‡o wb‡q‡Q I‡`i WvjcvZv,wKQy MvQ Dc‡i c‡i‡Q, Avi wKQy mywK‡q †M‡Q| GB Avagiv MvQ¸wji cÖvb wdwi‡q †`Iqvi Rb¨ h‡_ó †Póv  K‡i n‡jI cÖwZKyj Rjevqy, mgy‡`ªi cvwb e„w×, A‡bK Lvj I b`x ïwK‡q hvIqvi d‡j wgw÷ cvwbi cÖevn  K‡g hvIqv, wKQy b`x‡Z Avevi jeb cvwbi cÖevn AvksKvRbK fv‡e †e‡o hvIqv, evqygÛ‡j Kve©‡bi cwigvb e„w×mn wewfbœ Kvi‡b Zv mdj n‡”Q bv| ZvB MvQ¸‡jv ïwK‡q hv‡”Q Avi my›`ieb nviv‡”Q Zvi ¯^vfvweKZv| aŸsm n‡”Q HwZn¨evnx me cÖvYxKz‡ji m¤¢vi|eb wefv‡Mi cwimsL¨b Abyhvqx Gi g‡a¨B my›`ie‡bi cwðg eb wefv‡Mi me‡P‡q Mwn‡b Aew¯’Z gv›`vievwoqv K¨v¤ú mgy`ªe‡¶ nvwi‡q †M‡Q| hvi Ae¯’vb wQj e½cmvMi †_‡K gvBj K‡qK `~‡i| Gi Kvi‡Y ¯^fveZB g¨vb‡MÖvf MvQ k¦vm Qvo‡Z bv †c‡i wejxb n‡q hv‡”Q my›`ie‡bi AZ›`ª cÖnix my›`ix MvQ| eb ivYxi Av`‡ii ab MvRx, Kvjy, P¤úveZx, †gŠqvj, evIqvjx, my›`ix, Kzwgi, evbi , nwiY,  i‡qj †e½j UvBMvi, eb‡gviMmn nvRvi cÖRvZxi  cÖvYx AvR ûgwKi gy‡L| wewfbœ Z_¨ †_‡K Rvbvhvq , ÒcÖvq 40eQi a‡i my›`ie‡bi G aŸsmvZœK  cÖebZv j¶ Kiv hvq Z‡e ZLb G cÖebZv wQj ¶xY| my›`ix Mv‡Qi cÖvq meB Kv‡jv n‡q gviv hv‡”Q| e‡bi cÖvq 73kZvsm MvQB my›`ix MvQ| Avi my›`ix QvovI my›`ie‡b 334 cÖRvwZi MvQ Av‡Q| eZ©gvb Ae¯’v Pj‡Z _vK‡j AvMvgx 50eQ‡i my›`ie‡bi 75kZvsk f~wgB MvQk~b¨ giyf~wg‡Z cwibZ n‡e|my›`ix Mv‡Qi G AKvj g„Z¨yi Rb¨ we‡klÁiv GLvbKvi b`x I e½cmvM‡ii cvwbi D”PZv evov Ges mM©xq M½v b`xi Dci †`Iqv fviZxq dviv°v eva Ges †evb †L‡Kv Dmgvb Mwb‡`i `vqx K‡ib| b`x wekvi`‡`i g‡Z, dviv°v ev†ai ciB cÖ_g Lyjbv, ev‡MinvU, I mvZw¶iv A‡ji jeYv³Zv e„w× cvq| ZvB 1975mv‡ji ci †_‡KB wbqwgZ †e‡o P‡j‡Q my›`ie‡bi jeYv³Zv Ges b`xi cvwb‡Z D”PgvÎvi Gj‡Kvnj cvIqv ‡M‡Q| Rjevqy cwieZ©b I Ab¨vb¨ cÖwZKzj AvPi‡Yi Kvi‡Y my›`ie‡bi Rxe‰ewPÎ aŸsm n‡q hv‡”Q| my›`ie‡bi 31.15fvM GjvKv Ry‡o Av‡Q b`x d‡j jeYv³Zv e„wׇZ cÖvbxKzjmn AmsL¨v MvQcvjv wewbó n‡”Q | 334 cÖRvwZi MvQ, 156 cÖRvwZi ˆkevj, 13 cÖRvwZi AwK©W AvR webói c‡_ |  G fv‡e Pj‡Z _vK‡j 80kZvsm AvMvgx 50eQ‡ii g‡a¨ wejxb n‡q hv‡e e‡j g‡b K‡ib mswkøó we‡lÁiv| GQvovI cÖwZwbqZ eb`m¨yiv my›`ie‡bi †KvwU †KvwU UvKvi MvQ ‡K‡U cvPvi K‡i w`‡”Q|¯’vbxq my‡Î‡_‡K Rvbvhvq , cÖwZ eQi 50†KvwU UvKvi KvV cvPvi nq GB eb †_‡K| MZ cvP eQ‡i wewfbœ mgq my›`ieb eb wefv‡Mi wewfbœ Awfhv‡b 1 jvL 95 nvRvi 42 NbdzU KvV AvUK n‡q‡Q, †MÖßvi n‡q‡Q 402Rb, gvgjv n‡q‡Q 5217wU, Z‡e Gme gvgjv I gvgjvq AvUK Kvixiv wefbœ Kvi‡Y jNy mvw¯ÍI gva¨‡g cvi †c‡q hvq, A‡bK †¶‡ÎZ †gvUv As‡Ki Dr‡Kv‡Pi gva¨‡g cvi †c‡q eb Acivaxiv| mvaviY ebRxwe m~‡Î Rvbv †M‡Q, cÖKv‡k¨ Zv‡`i cvk cviwgU, weGjwm bevqb, wmwW cvk cÖf„wZ LvZ †_‡K †Rvi c~e©K Puv`v Av`vq Kiv n‡”Q| `vweK…Z Puv`v bv w`‡j my›`ie‡b cÖ‡e‡k euvav †`Iqv mn bvbv fv‡e Zv‡`i nqivbx Kiv n‡”Q| cÖwZ gv‡m KivZ Kj 3 nvRv UvKv, †ók‡bi Aaxb cÖwZwU †bŠKv 10†_‡K 30nvRvi UvKv, d‡ió MvW© ebRxwe‡`i Uªjvi _vwg‡q †R‡j cÖwZwU cÖwZw`b 2-3Õk UvKv | GQvov cÖwZ †Mv‡b cÖwZwU Uªjvi 2nvRvi UvKv ,GQvov weGjwm bevq‡bi wd 10-12 UvKv n‡jI G Pµ Av`vq Ki‡Q 2-3Õk UvKv| cÖvq 8Õk weGjwm eQ‡i G †ók‡b bevqb Kiv nq| bevqb eve` A‰ea fv‡e Av`vq Kiv n‡”Q †`o j¶vwaK UvKv| Uªjvi cÖwZ 7 w`‡bi Rb¨ wmwW cvk ev AbygwZ cÎ w`‡Z †bIqv nq 1 nvRvi 8Õk UvKv| Uªjvi gvwjK‡`i KvQ †_‡K G cwigvY UvKv wb‡q wiwmU †`Iqv nq gvÎ 5Õk UvKvi| gv‡m `ywU †Mv‡b Gfv‡e Uªjvi cÖwZ A‰ea fv‡e †bIqv nq 2 nvRvi 6Õk UvKv| 15 Uªjv‡i †bIqv nq 39 nvRvi UvKv| 176 UvKvi cviwgU Bmy¨ Ki‡Z †bIqv nq 291 UvKv| mvZ¶xiv †Rjvi eywo‡Mvqvjxbx †ók‡b †h‡q †`Lv hvq AmsL¨v `vjv‡ji Avbv‡Mvbv | GjvKvevmx GB cÖwZ‡e`K‡K Rvbvq , GB d‡ióª Kg©KZ©v UvKv Qvov wKQz †ev‡Sbv | Zvi K_vq g‡b nq UvKv n‡j cyiv my›`i eb †m wKµq K‡i w`‡e | mib †Lvjv †i‡Á †h‡q †`Lv hvq wKQz eb i¶x KZ©e¨iZi mgq mvavib RbM‡bi mwnZ Zvm †Lj‡Q | wba©vwiZ wbqg Abyhvqx Pj‡Q Afv` Nyl evwbR¨ | m‡PZb‡`i g‡Z G fv‡e Pj‡Z _vK‡j my›`ieb Zvi my›`h©¨ nvwi‡q my›`I giæf~wg‡Z cwibZ n‡e | Avi Dmgvb Mwbiv n‡e e„Ëkvjx|