সীমান্তে পথে আসা ভারতীয় আমন বীজের মজুদ বাজারে দেদারছে বিক্রি

kurigram photo from sourovসৌরভ কুমার ঘোষ,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
আসন্ন আমন মৌসুমকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে সীমান্ত পথ দিয়ে অবৈধভাবে আসা ভারতীয় নি¤œ মানের আমন ধান বীজের বিশাল মজুদ গড়ে উঠছে ভারতীয় আমন ধান বীজ  স্বর্ণমশরী, পান পাতা, রনজী মশরী ও সুফলা নামের ভারতীয় ধান বীজে এখানকার বীজের দোকান গুলো সয়লাব হচ্ছে।

উপজেলার সকল হাটবাজারের বীজের দোকানে শোভা পাচ্ছে এসব ভারতীয় ধান বীজ। ওপেন সিক্রেটে হিন্দী ও ইংরেজি লেখার স্টিকারে দেদারছে বিক্রি হচ্ছে ধান বীজ গুলো।  জানা গেছে, প্রতি ৩০ কেজি ওজনের এক বস্তা ভারতীয় ধানবীজ চোরাকারবারিরা সীমান্ত দিয়ে পাড় করে এনে ১৬ ’শ থেকে ১৭’শ টাকায় বীজ ব্যবসায়ীদের কাছে  বিক্রি করছে। বীজ ব্যবসায়ীরা এগুলো ধান বীজ মজুদ করে কৃষকের কাছে তা ২ হাজার থেকে ২৫’শ টাকায় বিক্রি করছেন। এখানকার অধিকাংশ বীজ ব্যবসায়ী উন্নত মানের মোড়ক ব্যবহার করে এক কেজি থেকে ৫-১০ কেজি পর্যন্ত ওজনের প্যাকেট করে তা অধিক মূল্যে খুচরা গ্রাহকের কাছে বিক্রি করছে। এক সূত্র জানিয়েছে, এখানকার হাট-বাজারে সার, বীজ ব্যবসায়ীরা দীর্ঘ ধরে নকল মোড়কে ভারতীয় নি¤œ মানের ধান বীজ ও সার প্যাকেট জাত করে বাজারে বিক্রি করে আসলেও প্রশাসন এদের দিকে নজরদারী করছেন।  বিশেষ করে উপজেলা কৃষি অফিস সার ও বীজ ব্যবসায়ীদের এসব অপরাধ কর্মকান্ডের ওপর কঠোর নজর না দেয়ায় এখানকার বীজ ব্যবসায়ীরা নির্বিঘেœ ভারতীয় ি ন¤œ মানের ধান, পাটবীজ ও সার দেদারছে বিক্রি অব্যাহত রেখেছে। ফলে এখানকার কৃষকরা ঝুকে পড়ছে ভারতী সার ও বীজের উপর । এতে দেশীয় বীজ ও সারে আস্থা কমে যাচ্ছে মানুষের । সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব। প্রতারণার শিকার হচ্ছে কৃষক।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা টিআইএম জাহেদুর রহমান জানান, বিজিবি সীমান্তে কঠোর নজরদারী না করায় ভারতীয় এসব ধান বীজ পাচার হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। ফুলবাড়ীতে অবৈধ পথে এসব ভারতীয় ধান বীজ বিক্রেতাদের তাদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।