ঠাকুরগাঁওয়ে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন ও বিক্ষোভ

indexঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ছাত্র নির্যাতনের প্রতিবাদে ও মাদরাসার সুপার অপসারণে দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ে গত তিন দিন ধরে ক্লাস বর্জন করছে এক মাদরাসার শিক্ষার্র্থীরা। সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের পাগলাপীর দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থীরা গত মঙ্গলবার থেকে তারা এ কর্মসুচি পালন করছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মাদ্রসায় গিয়ে দেখা যায়, অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রীরা ক্লাসে না এসে ক্লাস বর্জন করেছে। সে সময় মাদরাসা প্রাঙ্গণে বিক্ষোভও করে ছাত্র-ছাত্রীরা।

মাদরাসার শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পাগলাপীর দাখিল মাদরাসার সুপার রফিকুল ইসলাম বিনা কারণে মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের নির্যাতন করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। তিনি ছোট খাট বিষয়ে শিক্ষার্থীদের বেত দিয়ে বেধরক মারপিট করেন বলেও অভিযোগ করে শিক্ষার্থীরা।

তারা আরো অভিযোগ করে, মাদরাসার সুপার রফিকুল ইসলাম, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল জলিল শিক্ষার্থীদের মাদরাসার বাইরের শিক্ষকদের কাছে শিক্ষার্থীদের পছন্দসই শিক্ষকদের কাছে পড়তে বাধাদান করছে। মাদ্রাসার ৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্র্থী আল-আমিন ও ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মো. লিটন. জানায়, আমাদের মাদরাসার সুপার রফিকুল ইসলাম ছোট খাট কারণে বিনা অপরাধে আমাদের মারধর করে। প্রতিবাদ করলে আরো বেশি মারে। এরকম সুপারের কাছে আমরা পড়বো না। এ সুপারকে অপসারণ না করলে আমরা ক্লাস করবো না বলেও জানায় তারা।

এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে পাগলাপীর দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থীরা ক্লাস থেকে বের হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। পরে তারা জেলা শিক্ষা পরিদর্শক হুমায়ন কবির, মাদরাসার সুপার রফিকুল ইসলাম, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল জলিলসহ শিক্ষকদের অবরোধ করে রাখেন। সে সময় জেলা শিক্ষা পরিদর্শক হুমায়ন কবির উত্তেজিত শিক্ষার্থীদের অবিলম্বে এ সমস্যা সমাধানে আশ্বাস দিলে তাদের ছেড়ে দেয় শিক্ষার্থীরা।

পরে সুপার অপসারণ, মাদরাসায় শিক্ষার্থীদের পছন্দসই শিক্ষকের কাছে পড়াতে বাধা না দেওয়াসহ ৫দফা দাবিতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করে।

এ ব্যাপারে পাগলাপীর দাখিল মাদরাসার সুপার রফিকুল ইসলাম, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল জলিল বৃহস্পতিবার দু’ জনেই তাদের বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ঠাকুরগাঁওয়ে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন ও বিক্ষোভ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ছাত্র নির্যাতনের প্রতিবাদে ও মাদরাসার সুপার অপসারণে দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ে গত তিন দিন ধরে ক্লাস বর্জন করছে এক মাদরাসার শিক্ষার্র্থীরা। সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের পাগলাপীর দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থীরা গত মঙ্গলবার থেকে তারা এ কর্মসুচি পালন করছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মাদ্রসায় গিয়ে দেখা যায়, অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রীরা ক্লাসে না এসে ক্লাস বর্জন করেছে। সে সময় মাদরাসা প্রাঙ্গণে বিক্ষোভও করে ছাত্র-ছাত্রীরা।

মাদরাসার শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পাগলাপীর দাখিল মাদরাসার সুপার রফিকুল ইসলাম বিনা কারণে মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের নির্যাতন করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। তিনি ছোট খাট বিষয়ে শিক্ষার্থীদের বেত দিয়ে বেধরক মারপিট করেন বলেও অভিযোগ করে শিক্ষার্থীরা।

তারা আরো অভিযোগ করে, মাদরাসার সুপার রফিকুল ইসলাম, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল জলিল শিক্ষার্থীদের মাদরাসার বাইরের শিক্ষকদের কাছে শিক্ষার্থীদের পছন্দসই শিক্ষকদের কাছে পড়তে বাধাদান করছে। মাদ্রাসার ৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্র্থী আল-আমিন ও ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মো. লিটন. জানায়, আমাদের মাদরাসার সুপার রফিকুল ইসলাম ছোট খাট কারণে বিনা অপরাধে আমাদের মারধর করে। প্রতিবাদ করলে আরো বেশি মারে। এরকম সুপারের কাছে আমরা পড়বো না। এ সুপারকে অপসারণ না করলে আমরা ক্লাস করবো না বলেও জানায় তারা।

এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে পাগলাপীর দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থীরা ক্লাস থেকে বের হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। পরে তারা জেলা শিক্ষা পরিদর্শক হুমায়ন কবির, মাদরাসার সুপার রফিকুল ইসলাম, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল জলিলসহ শিক্ষকদের অবরোধ করে রাখেন। সে সময় জেলা শিক্ষা পরিদর্শক হুমায়ন কবির উত্তেজিত শিক্ষার্থীদের অবিলম্বে এ সমস্যা সমাধানে আশ্বাস দিলে তাদের ছেড়ে দেয় শিক্ষার্থীরা।

পরে সুপার অপসারণ, মাদরাসায় শিক্ষার্থীদের পছন্দসই শিক্ষকের কাছে পড়াতে বাধা না দেওয়াসহ ৫দফা দাবিতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করে।

এ ব্যাপারে পাগলাপীর দাখিল মাদরাসার সুপার রফিকুল ইসলাম, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল জলিল বৃহস্পতিবার দু’ জনেই তাদের বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।