হিলিতে স্থলবন্দর সকাল-সন্ধা হরতাল চলছে

20.05.2014মো.নুরুন্নবী বাবু.দিনাজপুর প্রতিনিধি :
হিলিতে আজ মঙ্গলবার আবারো হরতাল আহ্বান করে বন্দরে নজির বিহীন হরতাল পালন করছে ব্যবসায়ীসহ বন্দর ব্যবহারকারী ৭ টি সংগঠনসহ হির্লি-হাকিমপুরের সর্ব স্থরের সব সংগঠন গুলো। গতকাল সোমবার দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে বিজিবি কর্তৃপক্ষ এবং ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে আলোচনা ফলপ্রসু না হওয়াই এই হরতালের ডাক দেওয়া হয় বলে জানান ব্যবসায়ী নেতারা।

এদিকে আজ মঙ্গলবার ৭ তম দিনের মতো বন্ধ রয়েছে দেশের দ্বিতীয় বৃহৎ স্থলবন্দর হিলি স্থলবন্দরের আমদানী-রফতানি কার্যক্রমসহ ট্রাকে পন্য লোড-আনলোড। সেই সাথে বন্ধ রয়েছে বন্দর এলাকা থেকে পণ্য পরিবহনের কাজ। ফলে সরকারের প্রতিদিন ক্ষতি হচ্ছে প্রায় কোটি টাকার রাজস্ব। হরতাল চলাকালিন সময়ে হিলি থেকে সকল রুটে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে ট্রেন চলাচল আছে স্বভাবিক। সেই সাথে বন্ধ রয়েছে হিুিল-হাকিমপুরের পৌরসভাধীন সকল বাজার-হাট। বিজিবিকে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসি বিত্রি“ও বন্ধ করেছে ব্যবসায়ীরা। বন্ধ রয়েছে সকল ব্যবসা প্রষ্ঠিনসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো। কোন প্রকার অপ্রিতিকর ঘটনা এড়াতে বন্দরের বিভিন্ন মড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
হিলি আমদানী কারক গ্র“পের সভাপতি জানান, বিজিবি কর্তৃপক্ষ আমাদের কোন দাবি মেনে না নেয়ায় আমরা আমাদের আন্দলোন চালিয়ে যাব হরতাল চলবে।
হরতালের সমর্থনে সকাল সাড়ে ১০ টায় বন্দরের চারমাথা মোড় থেকে ব্যবসায়ীসহ বন্দর ব্যবহারকারীরা একটি বি্েক্ষাভ মিছিল নিয়ে বন্দরের প্রধান-প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আবারো চারমাথা মরে এসে সমাবেশ করে।
হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট ইন-চাজ খাজামুদ্দিন জানিয়েছেন, ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট দিয়ে ভারত-বাংলাদের মধ্যে পাসপোর্টে যাত্রী পারাপার স্বভাবিক রয়েছে। তবে গন্তব্যে পৌছাতে যাত্রীদের দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
উলেখ্য, বন্দরদিয়ে আমদানীকৃত পণ্যের মেনিফিষ্টে বা ট্রাক চালানে গত ২৭ তারিখ থেকে সীল মারছে বিজিবি। বিজিবি কর্তৃক এই সীল মারা, ব্যবসায়ীদের সাথে অসৌজন্য আচরণ বন্ধ এবং জয়পুরহাট ৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের অপসারণের দাবিতে ১৫ এপ্রিল বুধবার থেকে বন্দরে আমদানী-রফতানি বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করে আসছে ব্যবসায়ীসহ বন্দর ব্যবহার কারীরা। এর আগে একই দাবিতে তারা মঙ্গলবার ২ ঘন্টা এবং সোমবার ১ঘন্টার কর্মবিরতি পালন করে।