গাইবান্ধায় নদী ভাঙনের আতঙ্ক হাজার পরিবারে

H1090138গাইবান্ধা  থেকে আঃ খালেক মন্ডল ঃ গাইবান্ধায় যমুনা নদীসহ বিভিন্ন নদ-নদীর বানের পানি বৃদ্ধি শুরু হয়েছে। গত ৪৮ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধিপেয়ে জেগে উঠা চরগুলি ডুবতে শুরু করেছে। চর ডুবতে থাকায় ওই সকল চরের কৃষকের লাগানো কাউন, বাদাম, ভুট্টাসহ নানা ধরনের উঠতি ফসল ডুবে যাচ্ছে। বানের পানির পাশাপাশি নদীভাঙনে নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ আতংকিত হয়ে পড়েছে।
ভাঙন ঠেকাতে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ, মানব বন্ধন করলেও করাল গ্রাসী যমুনার অব্যাহত ভাঙ্গনে গত বছর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কয়েক শত একর আবাদি জমি উঠতি ফসল নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
গত কয়েকদিনে বানের পানি বাড়ার সাথে সাথে নদীতে পানির স্রোত বেড়ে যাওয়ায় সাঘাটা, ফুলছড়ি, সুন্দরগঞ্জ, ও সদর উপজেলার যমুনা-ব্রহ্মপুত্র-তিস্তার বিভিন্ন পয়েন্টে নদী ভাঙন আতঙ্ক শুরু হয়েছে।

হলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মন্ডল জানায়, তার ইউনিয়নের  ৯’শ পরিবারের ফসল বানের পানিতে তলিয়ে গেছে। পাতিলবাড়ি, দীঘলকান্দি চরের কমপক্ষে ২০পরিবার এ সপ্তাহে নদীভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে।

পাউবোর এসও চন্দ্র শেখর জানায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বেশ কিছু স্থানে বাধের অবস্থা ভালনয় সেগুলো পুর্বেই মেরামত করা হয়েছে বা হচ্ছে। তিনি তার লোকজনকে বন্যা মোকাবেলায় সার্বক্ষনিক নজরদারী অব্যাহত রেখেছে বলে জানিয়েছে। ফুলছড়ি ও সাঘাটার বেশ কিছু পয়েন্ট মারাক্বক ঝুকির মাঝে রয়েছে।