ডোমারে শিক্ষক বদলী নিয়ে জনগন প্রশাসন মুখোমুখি

niilfamari-1ডোমার, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর ডোমারে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বদলী নিয়ে মুখোমুখি দাড়িয়েছে প্রশাসন ও স্থানীয় অভিভাবকগন। ওই প্রধান শিক্ষকের বদলী বদলী করা না হলে শিশুদের ভবিষতের কথা চিন্তা করে বৃহত্তর কর্মসুচীর ঘোষনা দেওয়া হবে বলে অভিভাবকগন জানান। এ ঘটনাটি ঘটেছে জেলার ডোমার উপজেলা সদরের শহীদ স্মৃতি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। অভিভাবকদের পক্ষ থেকে নীলফামারী-০১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের সংসদ সদস্য বরাবর দায়ের করা অভিযোগে জানা যায়, জেলার ডোমার উপজেলার শহীদ স্মৃতি প্রাথমিক বিদ্যালযের সভাপতি ও তার স্ত্রীর পক্ষ হতে গত ১৭ এপ্রিল বিদ্যালয় চত্তরে একটি অনাকাংখিত ঘটনা ঘটে যায়। এ ঘটনার জন্য অভিভাবকগন নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এবং সেই সাথে এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবী করে প্রকৃত দোষীদের শাস্তি দাবী করছেন। এ ঘটনায় একটি মহল এই বিদ্যালয়ে বদলী হয়ে আসার জন্য ওই ঘটনাকে ইস্যু বানিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহ কতিপয় শিক্ষক ও শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিরুপ প্রচার ও প্রচারনায় নেমেছেন। সবশেষে প্রশাসনকে ব্যাবহার করে নানামূখী চাপ প্রয়োগ করছেন। অভিভাবকদের পক্ষ থেকে দাবী করা হয়, তদন্ত কমিটি গঠন করেও প্রতিবেদন পাওয়ার পুর্বেই প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করতেই এক শ্রেনীর স্বার্থন্নেষী মহলের স্বার্থ রক্ষা করতেই তড়িঘড়ি করে ওই বিদ্যালয়ে কর্মরত প্রধান শিক্ষককে অন্যত্র বদলীর রেজুলেশন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর পাঠায় উপজেলা শিক্ষা কমিটি। অভিভাবকগনের দাবী পারিবারিক বিষয়ের ঘটনাকে ব্যাবহার করে একটি মহল সুপরিকল্পিতভাবে বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুন্ন করতে উঠে পড়ে লেগেছেন এবং বিদ্যালযের শিক্ষক শিক্ষিকাদের জনগনের মুখোমুখি দাড় করিয়েছেন। বিশেষ করে প্রধান শিক্ষক সহ অপর একজন সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে চক্রটি উঠে পড়ে লেগেছেন বলে অভিযোগে প্রকাশ। এ কাজে তারা ব্যাবহার করছেন প্রশাসনকে। অথচ বর্তমান প্রধান শিক্ষকের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারনে বিদ্যালয়ের ফলাফল দিন দিন বেড়েই চলছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে অভিভাবকদের দাবী মহল বিশেষের প্ররোচরায় প্রভাবিত না হয়ে সে দিনের ঘটনার সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত শাস্তির ব্যবস্থা করা। এ ব্যাপারে ডোমার উপজেলা নির্বাহী অফিসার শফিউর রহমান জানান, উপজেলা শিক্ষা কমিটি প্রধান শিক্ষকের বদলীর রেজুলেশন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর পাঠিয়েছে এখন তাদের করার আর কিছু নেই। স্থানীয় সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার বিষয়টি ভেবে দেখবেন বলে সাংবাদিকদের জানান।