‘মোদির জয়ে আওয়ামী লীগ নার্ভাস’ : মির্জা ফখরুল

23930_fakrulবিডি রিপোর্ট 24 ডটকম : ভারতের লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদির নিরঙ্কুশ জয়ে বিএনপি নয়, আওয়ামী লীগই নার্ভাস হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আওয়ামী লীগ নেতাদের ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, আপনারা নার্ভাস হয়েছেন কেন? আসলেই কি ভয় পেয়েছেন? ভারতের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের মানুষের এতা উজ্জীবিত হওয়ার কোন কারন আছে বলে মনে করি না এমন মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন,‘বর্তমান অবৈধ ক্ষমতাসীন শাসক দলের মন্ত্রী এমপিদের কথা শুনে মনে হয় তারা নার্ভাস হয়ে পড়েছে। কারন তারা জানে তাদের নতজানু পররাষ্ট্রনীতিতে কোন ন্যায্য অধিকার আদায় করা সম্ভব নয়। জাতীয় প্রেস ক্লাবে রবিবার সকাল ১০ টায় আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ভারতের কঠোর পানি আগ্রাসনের কবলে বাংলাদেশ: পরিত্রানের উপায় ও আশু করণীয় নির্ধারণ-শীর্ষক গোল টেবিল বৈঠকের আয়োজন করে আগ্রাসন প্রতিরোধ জাতীয় কমিটি নামক এক সংগঠন। মির্জা ফখরুল বলেন, ভারত সরকারের পরিবর্তনে আমরা নাকি উল্লাস করছি, আমরা কেন উল্লাস করবো। ভারতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিবার্চন হয়েছে। এক দল জয়ী হয়েছে তারা উল্লাস করবে। ভারতের জনগণ উল্লাস করবে। আর যার হেরে গেছেন তারা দুঃখ করবে।’ তিনি বলেন, ‘ভারত আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র। আমরা তাদের কাছে বন্ধুসুলভ ব্যবহার প্রত্যাশা করি। তাই ভারতে নতুন যে সরকার ক্ষমতায় এসেছে তাদের কাছে আশা করবো ভারত ও বাংলাদেশের সঙ্গে যে চ্যালেঞ্জ গুলো আছে এবং বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন। মির্জা ফখরুল বলেন, গত ৫ই জানুয়ারি আওয়ামী লীগ তামাশার নির্বাচন অনুষ্ঠিত করে জনগনের আস্থা হারিয়ে সরকার গঠন করেছে। আওয়ামী লীগ এখন জনগণের আস্থাহীন রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজ বহুমুখী আগ্রাসনের শিকার। সর্বগ্রাসী শিকারে পরিণত হয়েছে। আর এর জন্য ভারতকে দোষারোপ করলে হবে না। কারন ভারত তাদের নিজের স্বার্থে কাজ করলেও আমাদের সরকার ন্যায্য অধিকার আদায় করতে পারেনি। তিস্তা নদীর পানিসহ অভিন্ন অন্যান্য নদীর পানি পাওয়া আমাদের ন্যায্য অধিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটা কারো দয়ার বিষয় নয়। এই সরকার ক্ষমতায় থাকলে পানির বিদ্যমান সমস্যা সমাধান হবে না। তিনি বলেন, পানিসহ দেশের সকল সমস্যা সমাধানে এই সরকারকে হটিয়ে নির্দলীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যে সরকার হবে জনগণের সরকার। গোল টেবিল বৈঠকে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি এ এইচ এম কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন- বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান এডভোকেট আব্দুল মোবিন প্রমুখ।