নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় মন্ত্রী এমপিরা জড়িত : মির্জা ফখরুল

fakryulবিডি রিপোর্ট 24 ডটকম : নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনায় সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা জড়িত বলে দাবি করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বলেছেন, সারা দেশে গুম-খুন-অপহরণের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী কাজ করছে সরকার। নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় প্রমাণিত হয়েছে, এর সঙ্গে সরকারের মন্ত্রী-এমপি ও তাদের লোকজন জড়িত। তাদের একজনের জামাইকে চাকরি থেকে অপসারণ করায় এটা প্রমাণ করে। এসব ঘটনা ধামাচাপা দিতে সরকার নানা কৌশল অবলম্বন করছে। গতকাল সকালে ছাত্রদলের সদ্য কারামুক্ত ছাত্র ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাদের নিয়ে শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ কথা বলেন। মির্জা আলমগীর অভিযোগ করে বলেন, শীতলক্ষ্যা এখন গুমের নদী। এখানে গুম খুন করে মানুষকে ফেলে দেয়া হচ্ছে। কাউকে পাওয়া যাচ্ছে, কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারের নৈতিক ভিত্তি নেই দাবি করে তিনি বলেন, আগেও আওয়ামী লীগ তাদের বিরোধী মতকে দমনের জন্য খুন, গুম ও অপহরণ করেছে। বর্তমানেও তা অব্যাহত রেখেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করে তা করা হচ্ছে। ২০০৮ সালে এ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে সারা দেশে গুম-খুন-অপহরণের শিকার হচ্ছেন বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীরা। এ সময় শুধু ছাত্রদলের ১৯ জন নেতাকর্মী গুম হয়েছেন। তাই নারায়ণগঞ্জের ঘটনার দায়ভার নিয়ে সরকারের পদত্যাগ করা উচিত। সেই সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় মন্ত্রী পরিবারের নাম আসায় তা সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। ছাত্রদল নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মির্জা আলমগীর বলেন, বিজয় না হওয়া পর্যন্ত সরকারের বিরুদ্ধে এ আন্দোলন চলবে। এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, নাজিমউদ্দিন আলম, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, বিএনপির সহ-ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সরাফত আলী সপু, সাংগঠনিক সম্পাদক সফিউল বারী বাবু, সদ্য কারামুক্ত ছাত্রদল সভাপতি আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিবসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। পরে নেতাকর্মীদের শপথবাক্য পাঠ করান মির্জা আলমগীর।