অবৈধ সরকার দেশের মানুষের নিরাপত্তা দিতে পারে না : খালেদা জিয়া

21543_kaledaবিডি রিপোর্ট 24 ডটকম :  সরকারকে অবৈধ ক্রীতদাস সরকার উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, এই অবৈধ সরকার দেশের মানুষের নিরাপত্তা দিতে পারে না। তারা প্রভুদের খুশি রাখায় ব্যস্ত। মানুষের জীবনের নিরাপত্তার জন্য এই সরকারকে বিদায় করতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। মানুষের নিরাপত্তার জন্য আমিও রাস্তায় নামব। বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শ্রমিক দল আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে বিএনপি ও শ্রমিক দলের নেতারা বক্তব্য রাখেন।
খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ হলো ক্রীতদাস। মুনিব যা বলে তাকে যতো অন্যায়ই হোক তা করতে হবে। যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন হলো আর দেশ এখন ক্রীতদাসের হাতে।
ফেলানীর লাশ যখন কাটাতারে ঝুলে, সীমান্ত থেকে যখন বাংলাদেশীদের ধরে নিয়ে যায়, আমাদের নদীর পানি যখন আটকে দেয়া হয় তখন এই ক্রীতদাস সরকার প্রতিবাদ করতে পারে না। তাদের সেই সাহস নেই।
তিনি বলেন, সরকার গ্যাস দিতে পারে না, বিদ্যুৎ দিতে পারে না, পানি দিতে পারে না। শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এই অবৈধ ও ক্রীতদাস সরকার ক্ষমতায় থাকলে এই অবস্থা চলতে থাকবে। তাই তাদের বিদায় করতে হবে।
তিনি বলেন, তারা কথায় কথায় জঙ্গি বলে। নামাজ পড়লে, টুপি পড়লে, দাঁড়ি রাখলে তারা জঙ্গি বলে। আর এখন দেখা যায় তাদের লোকই জঙ্গিদের ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এই হল আওয়ামী লীগ। ময়মনসিংহে জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় যুবলীগ নেতার জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি আমার কথা নয়, পত্রিকায় এসেছে এ ঘটনার পরিকল্পনা ছিল যুবলীগের এক নেতার। এদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের।
তিনি বলেন, এখন খুন-গুমও তাদের ইশারায় হয়। তা প্রমাণ হয়ে গেছে। কারণ এখন পর্যন্ত একজনও ধরা পড়েনি। তারা ধরতে পারেনি।  দুই বিশিষ্ট নাগরিক ব্যারিস্টার রফিক উল হক ও ড. আকবর আলি খান বলেছেন, দেশের কেউ নিরাপদ নয়। আগের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন আমরা কারও বেডরুম পাহারা দিতে পারবো না। এখন দেখা যায় তারা রাস্তায়ও মানুষের নিরাপত্তা দিতে পারে না। এখন এই সরকারের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ  গড়ে তুলতে হবে। জনগণের নিরাপত্তার জন্য আমিও রাস্তায় নামব। আন্দোলনের জন্য নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকতে বলছি। এখন থেকে কেউ যদি অপহরণ করতে যায় তাহলে ঘেরাও করে রাখতে হবে। সে যেই হোক। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নাম বললেও।
আলোচনা করে নির্বাচনের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, অবৈধ সংসদ ভেঙে দিন। এই সংসদ বৈধ নয়। এখানে ১৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হয়েছে। অন্যরাও ৫ ভাগ ভোটের এমপি। তাদেরকে নির্বাচিত বলা যায় না।