ঈদগাঁওতে “ইয়াবা” ব্যবসায় জড়িত ওরা ২০ জন !

cox-01এম.শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার : কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওতে প্রভাবশালী ২০ জনের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত। এদের মধ্যে মহিলাও রয়েছে। এরা আড়ালে আবঢালে থেকে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন এসব নিয়ন্ত্রনে কোন উল্লেখযোগ্য ভূমিকা না রাখার ফলে বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকাতে ইয়াবার আগ্রাসন অপ্রতিরোধ্য হয়ে পড়েছে।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজার সদরের বৃহত্তর ঈদগাও এলাকায় ওই সিন্ডিকেট ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে আসছে। চৌফলদন্ডী, ঈদগাও, জালালাবাদ, পোকখালী, ইসলামাবাদ, ইসলামপুর ও ভারুয়াখালীর ২০ জনের সমন্বয়ে গঠিত সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে মরণনেশা ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত রয়েছে। এদের মধ্যে চিহ্নিত বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ও উঠতি বয়সের রাজনৈতিক নেতাও রয়েছে। এরা বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলের পথভ্রষ্ট ও মাস্তান প্রকৃতির ভবঘুরে যুবকদের মাধ্যমে ইয়াবা বেচাকেনার কাজ অব্যাহত রেখেছে। ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত এমন কয়েকজন গড ফাদার ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে গিয়ে নের্তৃত্ব দিতেও যায় বলে সুত্রের দাবী।

ঈদগাঁও ইউনিয়নের বঙ্কিম বাজার এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকা এক মহিলা (যার স্বামীর নাম হান্টা মৌলভী এবং চাঞ্চল্যকর একটি হত্যা মামলার আসামী) সরাসরি ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত বলে প্রতক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

ঈদগাঁও  বাস ষ্টেশনের উত্তরে গোমাতলী সড়কের ( কবি নুরুল হুদা সড়ক ) মাথায় কতিপয় চিহ্নিত ব্যক্তি ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এরা বিভিন্ন স্থান হতে আসা “ ইয়াবার” চালান ওই স্পটে খালাস করেন।

এদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে চৌফলদন্ডি ইউনিয়নের নতুন মহাল এলাকায় প্রকাশ্যে ইয়াবা চালান খালাসের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে এবং এই স্থানটিই সবচেয়ে বড় মজুদকারী (ভেন্ডার) রয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্র্শীরা জানান, ইয়াবা ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বেশিরভাগই উক্ত স্পটে বিচরণ করতে দেখা যাচ্ছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক লোকজন জানান। বিভিন্ন দোকানেও এখন পাওয়া যাচ্ছে যৌন উত্তেজক ইয়াবা ট্যাবলেট।

সম্প্রতি ইয়াবা ব্যবসাকে কেন্দ্র করে চৌফলদন্ডী নতুন মহালে একটি মর্মান্তিক হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই এলাকার বশিরার দোকান নামক স্থানে ইয়াবার একটি বড় চালান ধরা পড়ে গত প্রায় ৬ মাস পূর্বে। কিন্তু রাঘব বোয়ালদের হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত গোপনেই মিমাংশা হয়ে যায়।

ইয়াবার বিরুদ্ধে উখিয়া- টেকনাফসহ জেলা ব্যাপী আইনশৃংঙ্খলা বাহিনী তৎপরতা বেড়ে পর এখন অনেকের ইয়াবা চালান ও খালাসের মার্কেট ঈদগাওয়ের আশপাশ এলাকা এবং চকরিয়া অভিমূখী বলে অভিজ্ঞমহল জানান।