মনপুরায় ভাঙ্গা বেড়ীবাঁধ এখনও নির্মিত হয়নি

Monpura baribad pic-2মোঃ ছালাহউদ্দিন,মনপুরা (ভোলা)সংবাদদাতা :
মনপুরা উপজেলায় গত বছর আমবশ্যার প্রবল জোয়ারে প্রায় ২ কিলোমিটার ওয়াপদা বেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে কয়েকটি গ্রাম তলিয়ে যায়। ভেঙ্গে যাওয়ার প্রায় ১ বছর পার হলেও এখনও ভাঙ্গা বেড়ীবাঁধ নির্মানের কোন উদ্যোগ দেখা যায়নি। আমবস্যা ও পুর্নিমার  জোয়ারে পানি প্রবেশ করে গ্রাম তলিয়ে যাওয়ার আশংঙ্খা রয়েছে। গ্রাম তলিয়ে যাওয়ার আশংঙ্খায় জনগনের মধ্যে উৎকন্ঠা আতংক বিরাজ করছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার ৪নং দক্ষিন সাকুচিয়া ইউনিয়নের সূর্যমুখী,তালতলা পুর্বপাশ্বের ও বাতির খাল বেড়ীবাঁধ প্রায় ১কিলোমিটার ভাঙ্গা।এখনও ভাঙ্গা বেড়ীবাঁধ নির্মান বা নতুন বেড়ী নির্মানের কোন  উদ্যোগ চোখে পড়েনি।নতুন বেড়ী বা পুর্ননির্মান করা না হলে ভাঙ্গা বেড়ীবাঁধ দিয়ে বর্ষা মৌসুমে আমবশ্যা ও পুর্নিমার সময় জোয়ারের পানি ভিতরে ঢুকে মানুষ পানি বন্ধি হয়ে পড়বে।এত কয়েকটি গ্রাম তলিয়ে যাবে। মানুষের বসত বাড়ী,পুকুরের মাছসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার সম্বভনা রয়েছে। ভাঙ্গা বেড়ীবাঁধ নির্মানের কোন উদ্যোগ না দেখে মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। সামনে বর্ষাকাল প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে ভাঙ্গা বেড়ীবাঁধ দিয়ে জোয়ারের পানি ভিতরে প্রবেশ করে প্রান হানির মত ঘটনা ঘটার সম্ভবনা রয়েছে।উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের আলম নগর পশ্চিম পাশ হতে খাড়ির খাল হয়ে লতাখালী পর্যন্ত বেড়ীবাঁধ অধিকাংশ ভাঙ্গা । দ্রুত এসব বেড়ীবাঁধ পুর্ননির্মান করা না হলে বর্ষা মৌসুমে বেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে গ্রাম তলিয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে। এছাড়া ২নং হাজির হাট ইউনিয়নের ১,ও ২নং ওয়ার্ডের পুর্ব ও পশ্চিম পাশের বেড়ীবাঁধ কয়েকটি স্থানে ভাঙ্গা রয়েছে। কয়েকটি স্থানে বর্ষাকালে বেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে । মেঘনা নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনের ফলে অনেকাংশে দেখা যায় বেড়ীবাঁধ  ভাঙ্গনের হুমকির মুখে। যে কোন সময় মেঘনার ভাঙ্গনে বেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে যেতে পারে। এসব এলাকায় নতুন বেড়ীবাঁধ নির্মাানের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। ১নং মনপুরা ইউনিয়নের ১,২ ও ৩নং ওয়ার্ডে বেড়ীবাঁধ কয়েকটি স্থানে ভাঙ্গা রয়েছে ।এগুলো দ্রুত পুর্ননির্মান করা জরুরী। দ্রুত এসব ভাঙ্গা বেড়ীবাঁধ নির্মান করা না হলে বর্ষা মৌসুমে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে মানুষ পানি বন্ধী হয়ে পড়বে। এব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান মিসেস শেলিনা আক্তার চৌধুরী বলেন,ভাঙ্গা বেড়ীবাঁধ পুর্ননির্মান ও নতুন বেড়ীবাঁধ নির্মানের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড কতৃপক্ষের সাথে আলাপ করে দ্রুত বেড়ীবাঁধ নির্মান করা হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আবুল কালাম জানান, দ্রুত বেড়ীবাঁধ নির্মান করা হবে। নতুন ১৫ কিলোমিটার  বেড়ীবাঁধ ও পুর্নসংস্করন প্রায় ৭ কিলোমিটার বেড়ীবাধ নির্মান কাজের টেন্ডার হয়ে গেছে। ওর্য়াকঅর্ডার পেলেই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান দ্রুত কাজ শুরু করবে বলে তিনি জানান।