সুনামগঞ্জের ছাতকে রেলওয়ের কংক্রীট সøীপার কারখানাটিতে চলছে দূর্নীতি ও লুটপাট

PIC- RELWAY -01অরুন চক্রবর্তী, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ
সুনামগঞ্জের ছাতকে রেলওয়ের নিয়ন্ত্রনাধীন কংক্রিট সøীপার কারখানাটিতে দীর্ঘদিন যাবৎ চলছে দূর্নীতি ও লুটপাঠের মহোৎসব। কারখানায় নিম্ন মানের সøীপার তৈরী মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা আতœসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্টার পর থেকে প্রতিষ্টানটি বন্ধ হয়েছে বেশ কয়েক বার। ২০১২ সালের ৫ই আগষ্ট বন্ধ হয়ে প্রায় এক বছর বন্ধ থাকার পর ২০১৩ সালের ১৯ আগষ্ট কারখানাটি চালুর ৬ মাস পর আবারও কারখানাটি বন্ধ হয়ে গেছে।

কংক্রীট সøীপার কারখানাটি ১৯৮৮ সালের ২৭ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর কারখানায় সøীপার উৎপাদন শুরু হয়। কারখানাটি চালুর ২৫ বছরের মধ্যে একাধিকবার কাঁচামাল সহ নানা সংকটের কারনে কারখানাটি বন্ধ হয়েছে। মিলের দায়িত্বে থাকা আইডবিবউ কবিরুল আলম সøীপার কারখানাটিতে যোগদানের পর থেকে তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। গত ৩ সপ্তাহ পূর্বে কারখানাটি চালুর পর স্থানীয় পাথর সরবরাহকারী সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের সাথে আতাঁত করে কারখানাটির ইয়ার্ডে ফেলে রাখা প্রায় ২০ হাজার ফুট পরিত্যক্ত কালো পাথর (রিজক্ট পাথর) গুলো ভেঙ্গে ভোলাগঞ্জের ভালো পাথর গুলোর সাথে মিশিয়ে ও নিম্ন মানের কাঁচামাল দিয়ে সøীপার তৈরী করা হয়। এ ব্যাপারে কারখানাটিতে কর্মরত অধিকাংশ শ্রমিকরা বাঁধা দিলে অনেক শ্রমিককেই শাস্তি ভয় দেখানো হয়। কারখানাটির ইয়ার্ডে ঘুরে  পরিত্যক্ত রিজেক্ট পাথর দিয়ে সøীপার তৈরী করার প্রমান পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, রিজেক্ট পাথর দিয়ে সøীপার তৈরী করার সময় দূর্নীতির বিষয়টি গোপন রাখতে কারখানার সকল গেইট  ও দরজা বন্ধ করে রাখা হয়েছিল। আর এ রিজেক্ট পাথর দিয়ে নিম্ন মানের সøীপার তৈরীতে রেলওয়ের  নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল জলিল ও আইডবিউ কবিরুল আলমের যোগসূত্র রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কারখানার একাধিক শ্রমিকরা জানান, বর্তমানে কারখানার ভেতরে জমা রাখা কালো রিজেক্ট পাথর দিয়ে অসংখ্য সøীপার তৈরী করা হয়েছে। উৎপাদিত এসব নিম্ম মানের সøীপার অল্প দিনেই ব্যবহারের অনুপযোগি হয়ে পড়বে। শ্রমিকরা আরো বলেন, কারখানাটির দূর্নীতির বিষয় গুলো সঠিক তদন্ত হলে থলের বিড়াল বেড়িয়ে আসবে। আইডবিউ কবিরুল আলম তার বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে কারখানাটির ইয়ার্ডে ষ্টক থাকা রিজেক্ট পাথর হঠাৎ করেই কোথায় গেল এমন প্রশ্নের কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। ছাতক রেলওয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল জলিল স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, ইনসার্ট স্ট্রিল পাত সহ কয়েকটি প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সংকটের করনে কারখানা সাময়িক ভাবে বন্ধ রয়েছে। কারখানাটির দূর্নীতি ও লুটপাটের বিষয়টি ভিত্তিহীন দাবী করে বলেন, আপনারা যা খুশি পত্রিকায় লিখতে পারেন এতে আমার কিছু যায় আসে না। ##