বেনাপোলে কাষ্টমসসের পরিচয়পত্র ব্যাবহার করে চলছে হুন্ডি, স্বর্ন ও মাদক ব্যবসা

indexমোঃ আনিছুর রহমান,বেনাপোল,(যশোর) সংবাদদতাঃ স্থল বন্দর বেনাপোলে দ্রুত মালামাল খালাশ আমদানি পন্যর জরুরী কাগজ পত্র সহ মালামাল দেখার জন্য ভারত- বাংলাদেশের সরকারের কাষ্টমস বিভাগ সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ কর্মচারিদের এপার-–ওপার যাওয়ার জন্য পরিচয় পত্র দিয়েছে। আর সেই পরিচয় পত্র বর্তমানে কম্পিউটারের মাধ্যেমে জাল জালিয়াতী করে বেনাপোলের অনেকে হুন্ডির ব্যাবসা, মাদকদ্রব্য পাচার, স্বর্নপাচারের সাথে জড়িয়ে পড়েছে।

বেনাপোল চেকপোষ্ট সুত্র জানায়, এক শ্রেনীর অসাধু লোক বিভিন্ন সিএন্ড এফের নাম করে কম্পিউটারে কাষ্টমসের দেওয়া পরিচয়পত্র জালিয়াতি করে ভারতের পেট্রোপোল যেয়ে হুন্ডির টাকা স্বর্নসহ মাদকদ্রব্য পাচার করছে।

তাছাড়া বৈধ পরিচয়পত্র ধারীদের ও অনেকে অবৈধ ব্যাবসার সাথে জড়িত হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি আসিফ এন্টার প্রাইজের ৫০ লাখ টাকা হুন্ডির মাধ্যেমে ভারতে পাচারের সময় বিজিবি হাতে নাতে টাকা ধরে নিয়ে যায়। তারপর সেজুতি এন্টারপ্রাইজের কর্মচারি ১২ পিস স্বর্ন নিয়ে কাষ্টমসের দেওয়া পরিচয়পত্র নিয়ে ভারতে ঢোকার সময় বিএসএফের সন্দেহ হলে তাকে তল্লাশি করে তার শরীর থেকে স্বর্ন উদ্ধার করে। এর পর গত ১৭ এপ্রিল আজাদ ক্লিয়াফোর্ড এজেন্সির লোকমান নামে এক বর্ডার ম্যান ভারতে ৪ লাখ টাকা পাচারের সময় বিএসেফের হাতে ধরা পড়ে ভারতে জেল হাজাত বাস করছে।

অপরদিকে কম্পিউটার তৈরী অবৈধ পরিচয়পত্র নিয়ে বেনাপোলের অনেক লোক ভারতে যেয়ে আমদানি ট্রাকে ফেনসিডিল সহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য পাচার করছে। সম্প্রতি ভারতের আমদানি পন্য নিয়ে আসা ডাব্লিউবি-৩৬৭৮৯ নং ট্রাকে ফেনসিডিল পাঠলে বেনাপোল চেকপোষ্টে বিজিরিব কাছে ধরা পড়ে। ভারতীয় ট্রাক চালক অনিমেষ সাহা জানান, বাংলাদেশের আলামিন নামে এক সিএন্ডএফ কর্মচারী তাকে বস্তর ভিতর বিস্কুট আছে বলে কিছি টাকা দিয়ে আমার ট্রাকে উঠিয়ে দেয়। এ ভাবে প্রতিদিন ভারত থেকে বৈধ অবৈধ সিএন্ডএফ কর্মচারীরা কাষ্টসসের দেওয়া পরিচয়পত্র নিয়ে অবৈধ ব্যাবসা করে যাচ্ছে।

বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী ভিত্তিতে দেখা উচিৎ বলে অভিজ্ঞমহল মনে করেন।