সুনামগঞ্জ জেলার নদী পথে প্রকাশ্যে চলছে চাদাঁবাজি

sunamganj-18অরুন চক্রবর্তী, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ
সুুনামগঞ্জ জেলার সদরসহ  জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা হয়ে ভারতীয় সীমান্ত উপজেলা  তাহিরপুর পর্যন্ত ৬০ কিলোমিটার  নদী পথে প্রকাশ্যে চলছে চাদাঁবাজি। চাদাঁবাজির শিকার হচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কয়লা, পাথর ও বালি বহনকারী, বলগেট ও কার্গোর মালিক ও শ্রমিকেরা। নদীপথে অসংখ্য ¯পটে চাদাঁবাজির দৃশ্য বড়ই করুন । বালি, পাথর ও কয়লা বহনকারী বলগেট ও কার্গোর মাস্টার ও সুকানীরা চাদাঁ দিতে বিলম্ব ও অপরাগতা প্রকাশ করলেই শুরু হয় তাদের উপর শারীরিক নির্যাতন এমনকি কার্গো ও বলগেট থেকে তাদের খাবার ও পরনের কাপড়সহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জোড় করে নিয়ে যায়। এব্যাপারে জামালগঞ্জ উপজেলা গজারিয়া বাজার ঘাটে অসংখ্য কার্গো ও বলগেটের মাস্টার সুকানী ও শ্রমিকেরা একত্রিত হয়ে এ মাসের শেষ দিকে চাদাঁবাজি বন্ধের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডাকার প্রস্তুতি নিয়েছে গত ১৮ এপ্রিল। কার্গো মাস্টার মোঃ লিটন মিয়া, সবুজ আহমদ, আঃ সালাম এর নেতৃত্বে অসংখ্য লোকের ভীড়ে সুরমা নদীর তীরে অনুষ্ঠিত হয় প্রস্তুতি সভা। তারা উল্লেখ করে গজারিয়া নদীপথে মিলনপুর থেকে মাহমুদ নগর, শানবাড়ি, ফাসুয়ারমুখ সেøাইচ গেইট, আহসানপুর, মাহমুদপুর, পন্ডুব, বেহেলী, ফতেহপুর, আনোয়ার পুর ব্রীজের উপরে ও নিচে, ঘাগড়া ও বিন্নাকুলি এলাকায় সকল নৌযান থেকে অযৌক্তিক, অন্যায়  ও বেআইনীভাবে ৩০০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত প্রতি নৌকা থেকে চাদাঁ আদায় করে থাকে। আল্লাহ ভরসা পরিবহনের মাস্টার বলেন, চাদাঁবাজদের হাতে অনেক টাকা সহ শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে আমরা এই আন্দোলনের ডাক দিতে যাচ্ছি। বি-বাড়িয়ার রাফি পরিবহনের মাস্টার সজল মিয়া, বরিশালের এম এফ -৩ পরিবহনের আব্দুস সালাম, কাওসার পরিবহনের জাহাঙ্গীর,বি-বাড়িয়ার বিপাশা পরিবহনের আয়াত উল্লাহ, মা পরিবহনের সাইফুল ইসলাম, যশোরের ভান্ডারী পরিবহনের রেনু মিয়া, বাজিতপুরের সাত তারা পরিবহনের  ইদ্রিস মিয়া, বরিশালের হাসান হোসেন পরিবহনের সবুজ মিয়া  জানান, গজারিয়া ও মিলনপুর নদী এলাকায় করিম, বকুল, এলাহী ও সেলিম বাহিনী চাদাঁবাজি করে। শানবাড়ি এলাকায় আয়নাল, হিরু, বাবুল ও বাশার মিয়ার বাহিনী, আহসানপুর এলাকায় সাইদুল, কামরুল, সামায়ন ও আলী রেজা গংরা । এ ব্যাপারে জামালগঞ্জ থানায় অফিসার ইনচার্জ আতিকুর রহমান বলেন, আমার এলাকায় কোন চাঁদাবাজি হয় না, সব বন্ধ করে দিয়েছি।##