বিরামপুরে ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে টাকা আদায় ও ভারতে পানি পাচারের অভিযোগ

indexনুরুন্নবী বাবু দিনাজপুর প্রতিনিধি “:
দিনাজপুুর জেলার বিরামপুর উপজেলার ২ নং কাটলা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মকসেদ আলী বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর অযুহাত দেখিয়ে কৃষকদের কাছ থেকে সেচ খরচ বাবদ অতিরিক্ত টাকা আদায় ও মোটা টাকার বিনিময়ে ভারতে পাচার করে থাকেন বলে কৃষকরা অভিযোগ করেছেন।

২ নং কাটলা ইউনিয়নের খিয়ার মামুদপুর গ্রামের হাসান আলীসহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কৃষক এবং কাটলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ইউনুস আলী জানান,  ওই ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মকসেদ আলী তাঁর গভীর নলকূপ থেকে জামিতে সেচের পানি দেওয়ার জন্য একর প্রতি সেচ চার্জ নেন তিন হাজার ছয়শ টাকা করে। এছাড়াও তিনি গভীর নলকূপের পানি মোটা টাকার বিনিময়ে ভারতে পাচার করে থাকেন।

উপজেলা সেচ কমিটির সদস্য সচিব ও বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সহকারী প্রকৌশলী মোঃ হামিদুর রহমান জানান, উপজেলা সেচ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একর প্রতি বিদ্যুৎ চালিত গভীর নলকূপের ক্ষেত্রে সেচ চার্জ ২ হাজার ৭’শ টাকা নির্ধারন করা রয়েছে। সেচ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোন গভীর নলকূপের মালিকরা নির্ধারিত মূল্যের চাইতে বেশি টাকা আদায়ের সুযোগ নেই। এছাড়াও ভারতে পানি পাচারের অভিযোগ সত্য হলে তাঁর বিরুদ্ধে সেচ কমিটির মিটিংয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য মকসেদ আলী জানান, আগেও যেভাবে টাকা নেওয়া হয়েছে, এবারও সেভাবে টাকা নেওয়া হচ্ছে। আপনাদের যা  ইচ্ছে পত্রিকায় লেখেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা সেচ কমিটির সাধারন সম্পাদক বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সহকারী প্রকৌশলী হামিদুর রহমান জানান, সেচ কমিটির নির্ধারিত মূল্যের চাইতে বেশি টাকা আদায়ের লিখিত অভিযোগ পেলে তাঁরা ওই ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। #