বেনাপোলে যশোর রোডে পাসপোর্ট যাত্রীদের হয়রানি

jessore.মোঃ আনিছুর রহমান,বেনাপোল, (যশোর) : ভারত থেকে ফেরা পাসপোর্ট যাত্রেিদর ঝিকরগাছা থানার অধিনে বেনেয়ালী নামক স্থানে পুলিশের অস্থায়ী চেকপোষ্টে পাসপোর্ট যাত্রীরা হয়রানির শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ। বৈধ পথে ভারত ভ্রমন ব্যাবসা বানিজ্যের কাজে চিকিৎসার জন্য ভারত থেকে ফেরার পথে পুলিশের হয়রানির শিকার হয় বৈধ পাসপোর্ট যাত্রীরা।
ভারত থেকে ১৩ এপ্রিল ফিরে বেনেয়ালির চেকপোষ্টে পুলিশের হয়রানি ও পুলিশের উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগ করেছে ঢাকার মেরাজ সাঈদ খান নামে এক যাত্রী।
মেরাজ সাঈদ খান জানান, সে গত ১১ এপ্রিল টুরিষ্ট ভিসায় ই-০৪৭৬৮৭০ নং পাসেপার্টে ভারত যায়। তার ভারতে এক সপ্তাহর থাকার পরিকল্পনা থাকলে ও বাংলাদেশে তার মা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সে ১৩ এপ্রিল ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরত আসে। বেনাপোল কাষ্টমস এবং ইমিগ্রেশনের কাজ শেষে সে ঢাকার উদ্দেশ্য বেনাপোল থেকে একে ট্যাভেলস নামক একটি পরিবহন গাড়িতে রওনা হয়। পথে আমড়াখালি বিজিবি চেকপোষ্টে চেক করে তার কাছে তেমন কোন মালাসাল না পাওয়ায় সেখানে সে হয়রানির শিকার হয়নি। কিন্ত  বেনেয়ালী নামক স্থানে গাড়ি পৌছালে পুলিশ গাড়ি থামিয়ে গাড়ীর যাত্রীদের নানা ভাবে হয়রানি করতে থাকে এবং যাদের কাছে মালামাল আছে তাদের নিকট থেকে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়। মেরাজ সাঈদ খান জানান, আমার কাছে মাত্র বাড়িতে বোনের জন্য ও ভাবীর জন্য ২টি থ্রিপিস ও একটি শাড়ি ছিল তাতে পুীলশ দাবি করে ২ হাজার টাকা দিতে হবে। আমি বলিএটাতো ব্যাসসার কোন মাল নয় । বিদেশ গেলে মানুষ শখের বিষয় কিছু কেনাকাটা করে থাকে । এর পর পুলিশ বলে তা হলে মাল দিয়ে দিন। এক পর্যয়ে তল্লাশি কারক পুলিশদের নাম না পেয়ে মেরাজ খান তাদের বলেন আপনাদের তো নেম প্লেট নাই । তাতে পুলিশ ক্ষিপ্ত হয়ে বলে একে চালান দেও। এক পর্যায়ে দালালদের মাধ্যেমে মেরাজের নিকট থেকে ১৫০০ টাকা উৎকোচ আদায় করে।
মেরাজ সাইদ খান জানান এ ভাকে পাসপোর্ট যাত্রীদের হয়রানি করলে মানুষ বৈধ পথে ভারত যাওয়ার আগ্রহ হারাবে। সাথে ক্ষতি হবে সরকারের রাজস্ব আদায়। এখানে পুলিশ যে ভাবে মানুষকে হয়রানি করে রিতি মতো এটা একপ্রকার নির্যাতন। এ এক দুঃসহ যন্ত্রনা । ভদ্রতার ও একটি সীমা থাকে । শরীরের যেখানে সেখানে হাত দিয়ে তল্লাশি করে। মনে হয় কোন তালিকা ভুক্ত সন্ত্রসীকে চেক করছে।