আমার ক্ষমতা ছিল না সহিংসতা বন্ধ করা: সিইসি

বিডি রিপোর্ট 24 ডটকম indexঢাকা : প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আমার কিছু ব্যক্তিগত কাজ থাকায় আমি ছুটি নিয়েছি। আমি থাকলে সহিংসতা কম হতো তা কিন্তু নয়। আমি থাকলেও ভোট জালিয়াতি হতো। আমরা নির্বাচনের প্রক্রিয়া আগেই ঠিক করেছি।

বুধবার ষষ্ঠ ধাপে উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ দাবি করেন।

উপজেলা নির্বাচনের সব সহিংসতাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা দাবি করার পাশাপাশি উপজেলা নির্বাচনের শুরুতে নিজের দীর্ঘ ছুটিতে যাওয়াকে যৌক্তিক বলেও দাবি করেন সিইসি।

নির্বাচন কর্মকর্তাদের সহায়তায় আগের রাতে ব্যালট পেপারে সিল মারার বিষয়কে উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, সব ঘটনাই বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এ কারণে সব ঘটনাকে আলাদাভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। দ্রুত এ ধরণের মানসিকতা বদলাতে হবে।

নিজের দীর্ঘ ছুটিকে মানবিক দাবি করে তিনি বলেন, কমিশনকে কারো কাছে ছুটি নিতে হয় না। সিইসি নিজেই নিজের ছুটি মঞ্জুর করে। এটা একটা মানবিক দিক। রাজনৈতিক দল বা অন্যরা সমালোচনা করতেই পারেন। এটা কোনো সমস্যা নয়।

নির্বাচনী সহিংসতাকে ‘মানসিক সমস্যা’ বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি থাকলেও সহিংসতা হত। নির্বাচনের বিষয়ে আগেই সবকিছু ঠিক করা ছিল। কখন কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমি না থাকলেও নির্বাচন ঠিকভাবেই অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি বলেন, পূর্বের ধারাবাহিকতায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে। তবে সহিংসতার আশঙ্কা আমরা করছি না তাই বাড়তি কোন ব্যবস্থা নেই।

নির্বাচনে সহিংসতার দায়ভার কমিশন নেবে না দাবি করে সিইসি বলেন, আমরা নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিয়েছি। আইন শৃঙ্খলায় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। এখন মানুষ যদি সহিংসতা করে তাহলে আমাদের কি করার আছে। সবার মানসিকতা জিততে হবে। গণতন্ত্রের চর্চা না করে হাতে লাঠি তুলে নিলে যিনি সহিংসতা করবেন তিনিই দায়ী হবেন।

উল্লেখ্য, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন শুরু হয়ে পাঁচ দফায় ৩১ মার্চ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মোট ৪৫৮টি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২৩টি উপজেলায় সীমানা সংক্রান্ত জটিলতা, আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও মেয়াদ শেষ না হওয়ায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।