পঞ্চগড়ে সীমান্তে দুই বাংলার মানুষের মিলন মেলা

photo3308ডিজার হোসেন বাদশা, পঞ্চগড় প্রতিনিধি ঃ পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটেলিয়ান ও ভারতের সীমান্ত রক্ষীবাহীনী ৯৩ বিএসএফ এর উদ্দেগে প্রতিবারের ন্যায় এবারও পহেলা বৈশাখে পঞ্চগড় অমরখানা, মাগুরমাড়ী, সুকানী সীমান্তের নোম্যান্স ল্যান্ডে  দুই বাংলার মিলন মেলা বসেছে। ১৪ইএপ্রিল রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পঞ্চগড় সদর উপজেলার অমরখানা সীমান্তের ৭৪২/৭৪৩/ ৭৪৪ মেইন পিলার সংলগ্ন প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বাংলাদেশ ও ভারতের হাজার হাজার মানুষের এই মিলন মেলা বসে। মিলন মেলাকে কেন্দ্র করে উভয় দেশের সীমান্তে পর্যাপ্ত বিজিবি ও বিএসএফ মোতায়ন করা হয়েছে। কঠোর পাহারায় কাঁটা তারের বেড়ার ফাঁক দিয়ে সজনদের একদৃষ্টি দেখতে দূর দূরান্ত থেকে লাখো মানুষের ঢল নামে। এই ক্ষণিক মিলনে অনেকেই  আবেগ আপ্লুত হয়ে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেন নি। ১৯৪৭-এ ভারত বিভক্তির আগে বর্তমান পঞ্চগড় জেলা ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার অন্তর্গত থাকায়, মানচিত্র বিভক্তির কারণে অনেক সজন হারিয়ে কেউ পড়ে যায় বাংলাদেশে আবার কেউ পড়ে ভারতের ভূক্ষন্ডে। এরপর সীমান্তে  নানা  জটিলতার কারণে আর দেখা করার সুযোগ হারিয়ে যায়। তাই পহেলা বৈশাখ এলেই ভূখন্ডে বিভক্ত সজনদের একপলক দেখতে শত মাইল পেরিয়ে অমরখানা সীমান্তে মিলিত হয় দুই বাংলার লাখো মানুষ। আদান প্রদান হয় বিভিন্ন উপহার সামগ্রীর। কবি সাহিত্যিক সহ সাধারন মানুষ এ মিলন মেলায় এসে স্বজনদের সাথে দেখা করতে পারায়   আনন্দিত।  অনেকেই  সরকারের প্রতি দাবি তুলেছেন যে, এ মিলন মেলাকে যেন দুইবাংলার মানুষের মিলন মেলায় রূপান্তরিত করে স্থায়ী রূপ দেয়া হয়।