বর্ণাঢ্য আয়োজনে নতুন বছরকে বরণ

19167_456বিডি রিপোর্ট 24 ডটকম : ভেদাভেদ ভুলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ১৪২১ বঙ্গাব্দকে বরণ করে নিয়েছে রাজধানীবাসী। ভোর থেকেই রাজধানীর পথে পথে নামে উৎসবমুখর নগরবাসীর ঢল। চারুকলা, রমনা, টিএসসি ছিল লোকে লোকারণ্য। নারীদের পরণে সুতির শাড়ি। হাতে কাচের চুড়ি। কবরীতে তাজা ফুলের মালা। পুরুষদের রঙিন পাঞ্জাবি। পথের পাশে বসেছে লোকজ খেলনা, কারুপণ্যের পসরা। দিনভর চলে কেনাকাটা। এ উপলক্ষে রাজধানীর রমনার বটতলায় সোমবার ভোর ছয়টার কিছু পর ছায়ানট আয়োজন করে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান। এবার তাদের অনুষ্ঠানের মূল ভাবনা ‘স্বদেশ ও সম্প্রীতি’। সকাল সোয়া নয়টার পর চারুকলা অনুষদ থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়। নববর্ষের প্রধান বর্ণাঢ্য এই আয়োজনের এবারের স্লোগান ‘জাগ্রত করো, উদ্যত করো, নির্ভয় করো হে’।
শিশুপার্কের সামনে নারকেলবীথি চত্বরে সকালে শুরু হয় ঋষিজের গানের অনুষ্ঠান। ধানমন্ডির রবীন্দ্রসরোবরে ধানমন্ডি ক্লাবের আয়োজনে বৈশাখ বরণের অনুষ্ঠান শুরু হয় ভোর ছয়টায়। বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ধানমন্ডির বেঙ্গল গ্যালারিতে গতকাল থেকেই শুরু হয় তিন দিনের অনুষ্ঠান। ধানমন্ডির সাতমসজিদ রোড থেকে সকাল সাড়ে ১০টায় ‘আমাদের বাংলা শোভাযাত্রা’ শীর্ষক মঙ্গল শোভাযাত্রা করে ইউডা। শিল্পকলা একাডেমিতে তাদের প্রাঙ্গণে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান হবে সন্ধ্যায়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয় সকাল সাড়ে নয়টায়। সারগাম ললিতকলা একাডেমির আয়োজনে গানের অনুষ্ঠান শুরু হয় সকাল আটটায় ধানমন্ডি লেকের পাশে। জাতীয় প্রেসক্লাব ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সকাল নয়টা থেকে শুরু হয়দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সঙ্গে ছিল বিশেষ ভোজ। বৈশাখী মেলা শুরু হয় বিসিক ও বাংলা একাডেমির যৌথ আয়োজনে একাডেমি প্রাঙ্গণে, মেলা চলবে ১০ দিন।
সোমবার সকাল সাড়ে দশটায় সেগুনবাগিচাস্থ কচি-কাঁচা ভবন প্রাঙ্গন এবং মিলনায়তনে কচি-কাঁচার মেলার শিশু-কিশোর, তরুণ ও প্রবীণ সদস্যদের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিশুদের আঁকা ছবি প্রদর্শনী ও পিঠা মেলা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ. কে. এম. নূর-উন-নবী। এছাড়া বক্তব্য রাখেন মেলার ট্রাস্টিবোর্ডের সদস্য শ্রী ডি.ডি. ঘোষাল, তরুণ সদস্য রাশেদুল হাসান জুনায়েদ ও শিশুবক্তা নুহা। সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় মেলার সভাপতি খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ। অনুষ্ঠানের শেষাংশে কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলা পরিচালিত কথাবিতান, সুরবিতান ও নৃত্যবিতানের শিল্পীরা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে।

দেশব্যাপী বর্ষবরণ
বর্ণাঢ্য নানা আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী নতুন বছরকে বরণ করেছে দেশবাসী। দেশের বিভিন্ন স্থানে দিনটিকে বরণ করে নিতে আয়োজন করা হয়েছে নাচ, গান, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, দেশীয় খেলাসহ সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড। সঙ্গে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী নানা বাঙালী খাবারের সমাহার।
ঢাকার নবাবগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, নানান আয়োজনের মধ্যে দিয়ে উপজেলায় বাংলা বর্ষবরণ করা হয়েছে। সোমবার সকাল ৯টায় উপজেলা প্রশাসন ও নবাবগঞ্জ থিয়েটারের আয়োজনে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি থিয়েটার কার্যালয় থেকে শুরু করে কায়কোবাদ চত্তর হয়ে দোহার নবাবগঞ্জ কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় বাংলার ঐতিহ্যবাহী কাছ নৃত্য, ঘোড়ায় রাজকুমার, রাজা-রাণী, বাউল সাধকসহ হাতে তৈরি বিভিন্ন শিল্পকর্ম তুলে ধরা হয়।
শোভাযাত্রা শেষে কলেজ ক্যাম্পাসের বটমূলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, দোহার-নবাবগঞ্জ ঢাকা-১ আসনের সাংসদ অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম, উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাক, উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা দেওয়ান মাহবুবুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মহসিন রহমান আকবর, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট মরিয়ম জালাল শিমু, দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ অধ্যক্ষ মানবেন্দ্র দত্ত প্রমূখ। অপর-দিকে উপজেলার কলাকোপা কোকিল প্যারী উচ্চ বিদ্যালয়ে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে সোমবার সকাল থেকে দুই দিন ব্যাপী বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে ।
স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর থেকে জানান, বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা আর বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪২১ পহেলা বৈশাখ উদযাপন করেছে দিনাজপুরের মানুষ। দিনাজপুর বৈশাখী উৎসব পরিষদ ও জেলা প্রশাসনের যৌথ আয়োজনে সকাল ৯টায় দিনাজপুর গোর-এ-শহীদ বড় ময়দান বৈশাখী মেলার প্রাঙ্গন থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন জাতীয় সংসদের হুইপ সংসদ সদস্য ইকবালুর রহিম। শোভাযাত্রায় অন্যান্যদের মধ্য ছিলেন, জেলা প্রশাসক আহমদ শামীম আল রাজী,জেলা পুলিশ সুপার রুহুল আমীন সহবিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। উৎসবমুখর পরিবেশে শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে আবার গোর-এ-শহীদ বড় ময়দান এসে শেষ। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ নেন। এছাড়াও দিনাজপুরের বড় ময়দানে সোমবার থেকে শুরু  হয়েছে সপ্তাহ ব্যাপী বৈশাখী মেলা।
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি জানান, বর্ষবরণ উপলক্ষ্যে  সোমবার সকাল সাড়ে ৭ টায় শহরের ভিজে স্কুল মাঠ থেকে দৃষ্টিনন্দন একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মো. দেলোয়ার হোসাইন । এরপর শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে সরকারী কলেজ মাঠ প্রাঙ্গনে এসে শেষ হয়।এসময় জেলা প্রশাসক মো. দেলোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার রশীদুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হামিম হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মল্লিক সাঈদ মাহবুব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আনজুমান আরা, পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার ও চুয়াডাঙ্গা সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ রহমত আলী বিশ্বাস। এছাড়া বর্ষবরণ উপলক্ষ্যে জেলা শিল্পকলা একাডেমী মুক্তমঞ্চে শিশু একাডেমীর উদ্যোগে শিশুদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান , ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হালখাতা খোলা, জেলা কারাগার, হাসপাতাল ও শিশু পরিবারে উন্নতমানের ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবারের ব্যবস্থাসহ জেলার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহন করেছে।
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি জানান, নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে ঝিনাইদহে পালিত হচ্ছে পহেলা বৈশাখ। এ উপলক্ষে সোমবার সকাল সাড়ে ৭টায় জেলা প্রশাসক শফিকুল ইসলামের নেৃতৃত্বে ঝিনাইদহ শহরের স্থানীয় ওয়াজীর আলী হাই-স্কুলের মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের করা হয়। বর্ণিল সাজে সজ্জিত হয়ে দৃষ্টি নন্দন র‌্যালীটি শহর প্রদিক্ষন করে। র‌্যালী শেষে ঘুড়ি ওড়ানো, লাঠি খেলা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা, নাচ, গান ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সকাল ১০টায় ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে সাংবাদিকরা পান্তা ভাত ও ইলিশ খেয়ে বৈশাখের উৎসব পালন করে। উৎসব মুখর এই অুনষ্ঠানে জেলার কর্মরত সাংবাদিকেরা অংশ গ্রহন করেন। দিনব্যাপী জেলার ৬ উপজেলায় নানা আয়োজনে দিনটি পালিত হচ্ছে। এ ছাড়া বাংলা নব-বর্ষ পালন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন সরকারী, বে-সরকারী, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে নানা অুনষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি জানান, ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্মীপুর জেলায় উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ। সকালে জেলা পরিষদ কার্যালয় প্রাঙ্গন থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গনে গিয়ে পান্তা ইলিশ উৎসবে মিলিত হয়। পরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া নববর্ষকে বরণভ উপলক্ষে জেলা কালেক্টর ভবনের সামনে দিন দিন ব্যাপী বৈশাখী মেলা শুরু হয়েছে।  মেলায় ৫০টি স্টল বসে।
সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি জানান, নাটোরের সিংড়ায়  মঙ্গল শোভাযাত্রা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পহেলা বৈশাখ ১৪২১ পালিত হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়। মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও ওই আসনের সংসদ সদস্য জুনাইদ আহম্দে পলক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা খাতুন, সহকারী কমিশনার ভূমি রফিকুল ইসলাম, সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, ভাইস চেয়ারম্যান শামিম হোসেন ও আঞ্জুমানআরা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এড. ওহিদুর রহমান শেখ প্রমুখ। পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মঙ্গল শোভাযাত্রা সিংড়া কোর্ট মাঠে এসে সমাবেত হয়। সেখানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহম্দে পলক। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, মঙ্গল শোভাযাত্রা, পান্তা-ইলিশ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজনে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পালিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪২১। সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে কালেক্টরেট ভবনের সামনে থেকে এক বিশাল শোভা যাত্রা বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি সংগঠন এই শোভা যাত্রায় অংশগ্রহণ করে।
মঙ্গল শোভাযাত্রা শেষে গ্রীনভিউ উচ্চ বিদ্যালয় আ¤্রকানন প্রাঙ্গনে বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের  উদ্বোধন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসনের সাংসদ আব্দুল ওদুদ। এছাড়া সাধারণ পাঠাগার, উদিচী শিল্পী গোষ্ঠী, জাগো নারী বহ্নিশিখা ও প্রথম আলো বন্ধু সভাসহ বিভিন্ন সংগঠন নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করছে। অন্যদিকে  সোমবার থেকে হরিমহোন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ৫দিন ব্যাপী বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে জেলা প্রশাসন।
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি জানান, মৌলভীবাজারে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ পালিত হয়েছে। সকাল সাড়ে আটটায় এই শহীদ মিনার প্রাঙ্গন থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রার পুরোভাগে ছিলেন জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, জেলা পরিষদ প্রশাসক আজিজুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নেছার আহমদসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের ব্যক্তিবর্গ। শোভাযাত্রাটি শহর প্রদক্ষিণ করে আবার শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে ফিরে আসে এবং বর্ষবরণ উদযাপন পরিষদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেয়। এই শোভাযাত্রায় অংশ নেয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মীরা। এ ছাড়াও দিনটি পালনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আলাদা আলাদা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। পৌরসভার আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় পৌর প্রাঙ্গনে। এ ছাড়াও পাড়া মহল¬ায় বিভিন্ন সংগঠন আয়োজন করে দিন ব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার।