জামিনে মুক্ত ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান

Badsha Chirmen= Pictureমুহাম্মদ আবু হেলাল, ঝিনাইগাতী ঃ দীর্ঘ তিন মাস কারাভোগের পর ৭ এপ্রিল সোমবার জামিনে মুক্ত হলেন দ্বিতীয় বারের নির্বাচিত ও জনপ্রিয় শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশা । তার জামিনের সংবাদ শুনে কয়েকশ লোক ঝিনাইগাতী ধান হাটি মোড়ে সমবেত হন। পওে তিনি সেখানেই সকলের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন এবং সকলের কাছে কৃতজ্ঞা প্রকাশ করেন। গত ১৩ জানুয়ারী উপজেলা চেয়ারম্যান ও কাংশা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ সরকার নি¤œ আদালতে হাজিরা দিতে গেলে আদালত ওই দুই চেয়ারম্যানের জামিন বাতিল করে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। তাদের বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা হয়রানী মূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে ১৮ই জানুয়ারী উপজেলার বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের উদ্দ্যোগে অর্ধদিবস দোকান পাট বন্ধ ও দুপুরে এক বিশাল মানব বন্ধন শহরের জিরো পয়েন্টে অনুষ্ঠিত হয়। আইনের বাধ্যবাধকতা থাকায় আদালত তাদের জামিন না দিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। এ অবস্থায় নির্বাচন কমিশনারের ঘোষনা অনুযায়ী ২৭ ফেব্রুুয়ারী ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দিন ধার্য করা হয়। চেয়ারম্যান প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বাদশা জেলে থাকায়, তার পক্ষে মাঠে নামেন, সিাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক রুবেল, দলীয় সকল পর্যায়ের নেতাকর্মি, বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের সার্বিক সহযোগীতায় জেল খানায় থেকেও দ্বিতীয় বারের মতো পূনরায় উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হন। আজকের এই আমিনুল ইসলাম বাদশা প্রথমে ইউপি মেম্বার, তারপর ইউপি চেয়ারম্যার আর আজ দ্বিতীয় মেয়াদে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পূনরায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান। উল্লেখ্য যে, ২০১১ সালের ১০০.০৯ মেঃ টন টি আর কেলেংকারীর বিষয়ে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম রেজাউল করিম ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা লুৎফর রহমানকে বাদ দিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যানসহ ৭ ইউপি চেয়ারম্যানকে অভিযুক্ত করে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মূলক দুদক একটি মামলা দায়ের করে। ৭ ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যে ইতিপূর্বেই ধানশাইল ইউপি চেয়ারম্যান মৃত্যুবরণ করেছেন।