কক্সবাজারের চকরিয়ায় সাড়ে ২৭ কেজি সোনার অলংকার উদ্ধার, আটক ৩

coxএম.শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার : কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর এলাকার এক মহাজনের বাড়িথেকে  সাড়ে ২৭ কেজি সোনা ও সাড়ে ৭’শ গ্রাম রোপ্য অলংকার উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় নগদ সাড়ে ১১ লাখ টাকা সহ পিতা ও দুই ছেলেকে আটক করা হয়। ৭ এপ্রিল ভোর সাড়ে ৪টার দিকে কক্সবাজারের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রট মোজাম্মেল হক রাসেল এর নেতৃত্বে ১৭ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এ অভিযান চালায়। উদ্ধার করা সোনার অলংকার গুলো চকরিয়া থানা হেফাজতে রয়েছে। উদ্ধার করাসোনা ও আটককৃতদের ছবি তুলতে গিয়ে বিজিবির হাতে নাজহাল হয়েছেন কয়েকজন সাংবাদিক।

কক্সবাজার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রট মোজাম্মেল হক রাসেল জানান, কক্সবাজার ১৭ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৭ এপ্রিলভোর সাড়ে ৪টার দিকে চকরিয়া পৌর এলাকার ৪ নং ওয়ার্ডের হিন্দুপাড়ার কালা বাঁিশর ছেলে নন্দরাম ধর মহাজনের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এসময় বাড়ির ভিতর লকারে থাকা  ৮ বস্তা সোনা ও রোপ্য অলংকার উদ্ধার করে।

এ সময় নগদ ১১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৫২ টাকা সহ নন্দরাম ধর এর দুুই ছেলে পলাশ ধর ও সুমন ধরকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা অলংকার গুলো সকালে চকরিয়া থানায় জমা দেয়া হয়।

কক্সবাজার ১৭ বিজিবি কমান্ডিং অফিসার লেঃ কর্ণেঃ খন্দকার সাইফুল আলম ও চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ফরহাদ জানান, উদ্ধার করা সোনার অলংকার গুলো সকাল ১০ টায় পরিমাপ শেষ হয়।

তারা আরও জানান, উদ্ধার করার পর ৮ বস্তা ২ মণ অনুমান করা হলেও  পরিমাপের পর অলংকারের মধ্যে ২৭কেজি ৬’শ ৫৪ গ্রাম সোনার, ৭’শ কেজি ৪২ গ্রাম রোপ্য অলংকার ,নগদ ১১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৫২ টাকা রয়েছে।

আটককৃতরা জানান, নন্দরাম ধর একজন সোনা ব্যবসায়ি। বড় মহাজন হিসেবে বিভিন্ন জুয়েলার্সের মালিকরা তার কাছে অলংকার বন্ধক রেখে টাকা নিয়ে যেতো। আটক করাসোনা গুলো বিভিন্ন ব্যক্তি ও পরিবারের এবং ব্যবসায়ীদের বন্ধকী বলে দাবী করেন তারা।

এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ফরহাদ।

এদিকে, ৭ এপ্রিল সকালে চকরিয়া থানা চত্বরে উদ্ধার করাসোনা ও আটককৃতদের ছবি তুলতেগেলে বিজিবির হাতে নাজেহাল হয়েছেন চকরিয়া প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক ও আমাদের সময় প্রতিনিধি ছোটন কান্তি নাথ সহ কয়েজন সংবাদ কর্মী। এসময় বিজিবি সদস্যরা তার ক্যামেরা কেড়ে নিয়েমেমোরি কার্ডথেকে ছবি গুলো মুছে দিয়েছে বলে জানান সাংবাদিক ছোটন কান্তি । এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক সমাজে মিশ্র প্রতিক্রিয়া চলছে।