সুনামগঞ্জ জগন্নাথ জিউর মন্দিরের ভূমিতে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ চেষ্টার অভিযোগ

sunamganj-18অরুন চক্রবর্তী, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :
সুনামগঞ্জ শহরের শ্রী শ্রী জগন্নাথ জিউর মন্দিরের প্রায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের মূল্যবান ভূমি অবৈধভাবে গ্রাস ও জোর করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

শহরের তেঘরিয়া মৌজার ১৮০৬ নং খতিয়ানের ৩৮১ দাগের মন্দিরের দেড় কোটি টাকা মূল্যের প্রায় ৩০ শতক ভূমি জগন্নাথ বাড়ি রোড়ের জনৈক মো. শাহনেয়াজ ও তার সহোদররা ওই ভূমি  অবৈধভাবে গ্রাস ও জোর করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করছেন মন্দির পরিচালনা কমিটি। তবে এসব অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন মো. শাহনেয়াজ।

মন্দির পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি মন্দিরের ভূমি অবৈধভাবে গ্রাস ও জোর করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে জগন্নাথ জিউর মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক ও পৌর মেয়রের কাছে পৃথক পৃথক লিভিত অভিযোগ দিয়েছেন। কিন্তু প্রভাবশালী মন্দিরের ভূমি অবৈধভাবে গ্রাস ও জোর করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ চেষ্টাকারী বিভিন্ন ভাবে বেআইনী কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পায়তারা করছে।

মন্দিরের মূল্যবান ভূমি অবৈধভাবে গ্রাস ও জোর করে অবৈধ স্থাপনা নির্মান রোধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহন ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য শনিবার দুপুরে মন্দিরের নাট মন্দিরে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শ্রী শ্রী জগন্নাথ জিউর মন্দির পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি ধুর্জটি কুমার বসুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বিজয় তালুকদার বিজুর পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন  বিশিষ্ট আইনজীবী স্বপন কুমার দেব, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নৃপেশ তালুকদার নানু, অবসর প্রাপ্ত অধ্যক্ষ দিলীপ কুমার মজুমদার, অ্যাডভোকেট মলয় বিকাশ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট স্বপন কুমার দাস রায়, অ্যাডভোকেট বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, সংস্কৃতি কর্মী অভিজিৎ চৌধুরী, শিক্ষক যোগেশ্বর দাস, চঞ্চল কুমার লৌহ প্রমুখ।

মতবিনময় সভায় মন্দিরের ভূমি অবৈধভাবে গ্রাস ও জোর করে অবৈধ স্থাপনা নির্মান রোধে সবধরনের প্রশাসনিক ব্যস্থা গ্রহন ও সকল শ্রেণীর পেশার লোকজনকে নিয়ে দুর্বার সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

মতবিনিময় সভায় অজয় ভট্টাচার্য, রাধেশ্যাম, কাজল চন্দ্র দেব, জয়ন্ত রায়, করুনাময় দে, অসিত দাস, শংকর বণিক, চন্দন রায়, সেবক দাস, রাজন শ্যাম প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে মো. শাহনেয়াজ জগন্নাথ জিউর মন্দিরের ওই ভূমি তাঁর পিতার নামে প্রায় ৬০ বছর আগে সরকার ও মন্দিরের সেবাইতের কাছ থেকে দলিল মূলে বন্দোবস্ত নেয়া হয়েছে দাবি করে বলেন,‘মন্দির পরিচালনা কমিটির সকল অভিযোগ মিথ্যা। আমরা মন্দিরের কোন ভূমি গ্রাস বা জোর করে স্থাপনা নির্মানের চেষ্টা করিনি।

##