থুথুর মধ্যে গোসল করাবো মোবারক সাহেবকে: গয়েশ্বর

18051_b6বিডি রিপোর্ট 24 ডটকম : যারা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা স্বীকার করে না তারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। বলেছেন, আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন- জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। তিনি পাকিস্তানের চর ছিলেন। কিন্তু যারা জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা স্বীকার করে না, তারাই প্রকৃত যুদ্ধাপরাধী, রাষ্ট্রদ্রোহী। তারা মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাস করে না। যারা মুক্তিযুদ্ধ বিশ্বাস করে না, তারা গণতন্ত্রও বিশ্বাস করে না। গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে দু’টি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। প্রথমে প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম আয়োজিত মানববন্ধনে গয়েশ্বর রায় বলেন, ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা দেননি। জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশে স্বাধীনতার ঘোষণা হয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহম্মেদ জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষণার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ জিয়াউর রহমান নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করে স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। আওয়ামী লীগ থেকে শুরু করে কোন দলই তখন তাকে চ্যালেঞ্জ করেনি। ২৬শে মার্চ থেকে ১৭ই এপ্রিল পর্যন্ত তিনিই দেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। পরে প্রেস ক্লাবে জাতীয়তাবাদী কর্মজীবী দল আয়োজিত আরেক আলোচনা সভায় গয়েশ্বর রায় বলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবদুল মোবারক বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে থুথু চাটার কথা বলেছেন। মোবাররক সাহেবকে মোবারকবাদ জানাবো। কিন্তু সময় আসবে, তখন তাকে শুধু থুথু চাটাবো না, থুথুর মধ্যে গোসল করাবো। জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীর উদ্দেশে তিনি বলেন, সংসদে অনুপস্থিত ব্যক্তিকে নিয়ে যখন সমালোচনা ও কটূক্তি হয় তখন তার প্রতিবাদে রুল দেয়ার কথা কিন্তু আপনি তা দিচ্ছেন না। বিএনপি নীতিনির্ধারক ফোরামের এ সদস্য বলেন, সংসদের প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেত্রীসহ ১৫৩ জন আল্লাহর ওয়াস্তে এমপি হয়েছেন। জনগণের ভোটে কেউ নির্বাচিত হননি। তাই জনগণের দাবির প্রতি তাদের কোন তোয়াক্কা নেই। গোটা বাংলাদেশ আজ কারাগারে পরিণত হয়েছে। জনগণ যেদিন এই স্বৈরাচার সরকারের কবল থেকে মুক্তি পাবে সেদিন আমরাও মুক্তি পাবো। শেখ সেলিমের সমালোচনা করে গয়েশ্বর রায় বলেন, ওয়ান-ইলেভেনের সময় আপনার বোন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির সাক্ষী দিয়েছিলেন। লুটপাট তো কম করেননি। এখন মানুষ খুন, লুটপাট করে ক্ষমতায় থাকতে চাইছেন। সংগঠনের সভাপতি হাজী মো. লিটনের সভাপতিত্বে বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, সাবেক ছাত্রনেতা মো. মোশাররফ হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।