টেকনাফের সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে বিভিন্ন অস্ত্র

teknaf টেকনাফের বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমারে ধারালো অস্ত্র পাচারের খবর পাওয়া গেছে। মিয়ানমারে মুসলিম অধ্যুষিত আরকান প্রদেশে মুসলমানদের নির্মূলের উদ্দেশ্যে এসব অস্ত্র পাচার ও মওজুদ করা হচ্ছে বলে ধারনা স্থানীয়দের। আরকান প্রদেশের অতীত ইতিহাসও সেদিকে ইঙ্গিত করে এবং গত কয়েকদিন পূর্বে মিয়ানমার সরকারের ঘোষণাতেও তার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য, মিয়ানমার সরকার ঘোষনা করে যে, আরকান অঞ্চলের মুসলমানরা বাঙ্গালী!

নির্বরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, টেকনাফের হ্নীলা চৌধুরী পাড়া ও খারাংখালী রাখাইন পল্লীতে নানা ধরনের স্থানীয় ধারালো অস্ত্র যেমন, রামদা, কিরিচ, বল্লমসহ নানা অগেন্নয়াস্ত্র মজুদ করা হচ্ছে এবং রাতের আঁধারে সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে পাচার করে মিয়ানমারে রাখাইন সম্প্রদায়ের কাছে পৌছে দেয়া হচ্ছে।

এছাড়া সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট যেমন, জাদীমূরা, নাটমুরা পাড়া, মৌলভী বাজার, মিনাবাজার, উখিয়ার তম্ব্রু ইত্যাদি এলাকার স্থানীয় রাখাইন সম্প্রদায় ও কতিপয় বাঙ্গালীকে টাকার বিনিময়ে এসব অস্ত্র সংগ্রহে ব্যবহার করছে বলে জানা যায়।

বিশেষ করে মিয়ানমারের রাখাইন ইয়াবা গডফাদাররা তদের মুসলিম রোহিঙ্গা এজেন্টদের মোটা টাকার লোভ দেখিয়ে এদেশের ইয়াবা এজেন্টটের মাধ্যমে এসব অস্ত্র ও বিভিন্ন আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহ করছে বলে বিস্বস্ত সুত্রে জানা যায়।

এব্যাপারে হ্নীলা বিওপির কোম্পানী কমান্ডার জর্জ মিয়রার সাথে যোগাযোগ করা হলে জানান, অস্ত্র মওজুদের কথা শুনেছি তবে কতটুকু গ্রহণযোগ্য বলা যাচ্ছেনা। এব্যাপারে সীমান্তে আমরা সতর্ক রয়েছি।ৃ