কুষ্টিয়ার সৈয়দ মাছ-উদ-রুমী কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

Kustiaকুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি :

কুষ্টিয়া শহরের বড় বাজার এলাকার গড়াই নদীর তীরে অবস্থিত অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সৈয়দ মাছ-উদ-রুমী  ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ চৌধুরী নুরুদ্দিন মোঃ সেলিম ওরফে সজলের বিরুদ্ধে  একই কলেজের এক মহিলা প্রভাষককে কু-প্রস্তাব, যৌন হয়রানীমুলক কথাবার্তা এবং মানসিক নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ওই মহিলা প্রভাষক কলেজ কর্তৃপক্ষের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও লম্পট অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এখনো কলেজ কর্তৃপক্ষ কোন ধরনের ব্যবস্থা না নেয়ায় কুষ্টিয়া জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সৈয়দ মাছ-উদ-রুমী ডিগ্রী কলেজে প্রতিষ্ঠালগ্ন  থেকে ইসলামের ইতিহাস বিভাগের এক মহিলা প্রভাষক চাকুরী করে আসছেন।  সম্প্রতি কলেজের অধ্যক্ষ চৌধুরী নুরুদ্দিন মোঃ সেলিম ওরফে সজল ওই মহিলা প্রভাষককে নানা ভাবে কু-প্রস্তাব, মানষিক নিপীড়ন ও যৌন হয়রানিমুলক প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। চাকুরী হারানো ও মান সম্মানের ভয়ে ওই মহিলা প্রভাষক ঘটনা বিভিন্নভাবে অধ্যক্ষ চৌধুরী নুরুদ্দিন মোঃ সেলিম ওরফে সজলকে নিবৃত করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু তিনি কোন ভাবেই নিবৃত না হয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে ইসলামের ইতিহাস বিভাগের ওই মহিলা প্রভাষককে যৌন হয়রানীমুলক প্রস্তাব দিয়ে আসছে। এরই এক পর্যায় গত ৩০মার্চ’১৪ তারিখে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে কলেজের মহিলা কমন রুমে ঢুকে ওই মহিলা প্রভাষককে কলেজের অধ্যক্ষ চৌধুরী নুরুদ্দিন মোঃ সেলিম অশালীনভাবে বেইজ্জতি করার চেষ্টা করে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অধ্যক্ষ চৌধুরী নুরুদ্দিন মোঃ সেলিম ওরফে সজল এক অদৃশ্য শক্তির বলে সৈয়দ মাছ-উদ-রুমী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করার পর থেকে একের পর এক দূর্নীতি ও অনিয়ম করে চললেও তার বিরুদ্ধে কলেজ কর্তৃপক্ষ এ যাবত কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেননি। ফলে দিনের পর দিন তিনি দুর্নীতি ও অনিয়মের মধ্য দিয়ে কলেজের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে আদালতে দুর্নীতির দায়ে মামলা পর্যন্ত দায়ের করা হয়েছে। যা এখনো বিচারাধীন রয়েছে। এব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছে কলেজের চাকুরীরত কর্মকর্তারা। কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হলে কলেজের শিক্ষার পরিবেশ ফিরে আসবে বলে সুশীল সমাজ দাবী করছে।