১০ই এপ্রিল ১৯৭১ সালের মুজিবনগর সরকারের ঘোষনাপত্র স্বাধীনতার বৈধতার দলিল

ICT Support Furamমতিয়ার চৌধুরী ,লন্ডন প্রতিনিধিঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুই বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও স্বাধীনতার ঘোষক। ১০ই এপ্রিল ১৯৭১ সালের মুজিবনগর সরকারের ঘোষনাপত্র স্বাধীনতার বৈধতার দলিল। এই দলিলে পরিস্কার করে বলা আছে ‘‘ গণপ্রতিনিধিরা স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র প্রকাশ করছি’’ আইন মোতাবেক গণপ্রতিনিধি বা অবিংশবাদী নেতা ছাড়া কেউ স্বাধীনতা ঘোষনা করতে পারেনা। ১০ই এপ্রিলের ঘোষনার মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এতে পরিস্কার ভাবে বর্ণিত আছে অবিংবাদী নেতা ও গণপ্রতিনিধি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৬মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করেছেন। জিয়াউর রহমান মুজিব নগর সরকারের অধীনে একজন সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক আইনে বলা আছে গণপ্রতিনিধি বা অবিংশবাদী নেতা ছাড়া কেউ স্বাধীনতার ঘোষনা দিতে পারেনা। এটি অস্বীকার করলে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে অস্বীকার করা হয়। তারেক রহমান ও খালেদা জিয়া এমন প্রশ্ন তুলে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে অস্বীকার করছেন।  এমন্তব্য বিশিষ্ট সাংবাদিক ও ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবীরের। গত ২রা এপ্রিল লন্ডন সময় সন্ধ্যে ছয় ঘটিকায় পূর্বলন্ডনের মন্টিফিউরী সেন্টারে আইসিটি সাপোর্ট ফোরাম আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। শাহরিয়ার কবীর আরো বলেন জামাত-শিবির যুদ্ধাপরাধের বিচারকে বানচাল করতে বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার চালাচ্ছে, বিশেষ করে গণজাগরণ মঞ্চ নিয়ে তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। জামাত-শিবির নিষিদ্ধের ব্যাপারে আমাদের আরো সোচ্চার হতে হবে। জামাত-শিবির নিষিদ্ধ না করার কারণেই মানবতা বিরুধীদের বিচারে বিলম্ব হচ্ছে। মামলার সাক্ষী, বিচারক ও আইনজীবদের উপর হামলা হচ্ছে। আইনজীবি ও বিচারকদের প্রাণ নাশের হুমকী দেয়া হচ্ছে। জামাত-শিবির একটি সন্ত্রাসী দল যা আমেরিকান গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে বেরিয়ে এসেছে।  বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২০ধারার পরিস্কার ভাবে বলা আছে ধর্মের নাম ব্যাবহার করে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করা যাবেনা, জামাত শিবির বাংলাদেশে ধর্মকে ব্যাবহার করে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করছে  সরকার ইচ্ছে করলে বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২০ ধারা মোতাবেক এই দলটিকে নিষিদ্ধ ঘোষনা করতে পারে। ঘাতক-দালাল নিমৃূল কমিটির তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক বিশিষ্ট সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও নির্মুল কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য আনসার আহমেদ উল্লার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন জামাল খান, হুসনেয়ারা মতিন, মেহের নিগার চৌধুরী, ব্যারিষ্টার অনুকুল তালুকদার ডালটন, ব্যারিষ্টার সৈকত আচার্যী, এডভোকেট মুজিবুল হক মনি, অজয়ন্তা দেব রায়, কামরুল হাসান তুষার, শুসান্ত দাস গুপ্ত,  কবি ময়নুর রহমান বাবুল, লিপি হালদার, হাজী আব্দুল হান্নান, বেলাল আহমদ. আবুল লেইছ, স্মৃতি আজাদ, সৈয়দা নাজমিন সুলতানা শিখা, মজুমদার আলী প্রমুখ।