দোষ কার? পার্বতীপুর রেল স্টেশনে দু’টি ট্রেনের সংঘর্ষ থেকে রক্ষা

DINAJPURবদরুদ্দোজা বুলু, পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ
পার্বতীপুরে দু’টি ট্রেনের মুখোমুখি দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। ফলে দু’টি ট্রেনের যাত্রীরা দুর্ঘটনা থেকে বেঁেচ গেছেন। ঘটনাটি গটে আজ শনিবার সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটের সময় পার্বতীপুর রেল স্টেশনে। এঘটনার পর লালমনিরহাট বিভাগের ডিএসটি সাদেকুজ্জামানকে প্রধান করে ৩ সদস্যের বিভাগীয় পর্যায়ে একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়। তদন্ত টিমের অপর দুই সদস্য হচ্ছেন ডিটিএস মোস্তাফিজুর রহমান ও ডিএমই রেজাউল করিম।

রেল সূত্র জানায়, ৭৬৮ নম্বর ডাউন দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ট্রেন দিনাজপুর ছেড়ে এসে শনিবার সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটের সময় পার্বতীপুর রেল স্টেশনে প্রবেশ করছিল। অন্যদিকে, একই সময়ে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ৭৪৭ আপ আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেন পার্বতীপুর রেল স্টেশন সৈয়দপুর অভিমূখে যাচ্ছিল। এসময় ব্রডগেজ ও মিটার গেজে ক্রসিং পয়েন্টে (লেভেলক্রসিং গেট) ভয়াবহ ও মুখোমূখি সংঘর্ষ ঘটতে যাচ্ছিল উভয় ট্রেনের মধ্যে। দু’টি ট্রেনের শত শত যাত্রীর ভয়-আতংক, চিৎকার আর্তনাদে এক অভাবনীয় দৃশ্যের অবতারণা হয়। তবে মাত্র একশ’ গজের ব্যবধানে ট্রেন দু’টি দাঁড়িয়ে পড়লে নিশ্চিত দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পায় শত শত যাত্রী ও তাদের মালামাল। এদিকে, ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে পার্বতীপুর রেল স্টেশন মাস্টার শেখ আবদুল জব্বার জানান, মিটার গেজ রেল লাইনের সিগনাল অমান্য করে (ওভারসুট) ড্রাইভার আব্দুল খালেক দোলনচাঁপা ট্রেন নিয়ে পার্বতীপুর রেল স্টেশন প্রবেশ করছিলেন। সীমান্ত আন্তঃনগর ট্রেনের ড্রাইভার আব্দুল মান্নান বলেন, স্পীড কম থাকায় তার ট্রেন দাঁড় করানো সম্ভব হয়েছে এবং দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। রানিং স্টাফ কল্যাণ সমিতির এক ড্রাইভার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেছেন, ঘরের দরজা খোলা ছিল বলে ঘরে প্রবেশ করা যায়। দরজা খোলা না থাকলে প্রবেশ করা যায় না। ঠিক তেমনি সিগন্যাল দেওয়া ছিল বলেই দোলনচাঁপা ট্রেনটি স্টেশনে প্রবেশ করেছে। তবে কথা আছে যত দোষ নন্দঘোষ। স্টেশন কর্তৃপক্ষ ও দু’টি ট্রেনের ড্রাইভার নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন। তাহলে দোষ কার এমন প্রশ্ন অনেকের।