হাকিমপুরে বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বেকায়দায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি

Hakimpur-Nirbachon-Picমো. নুরুন্নবী বাবু দিনাজপুর প্রতিনিধি :
আগামী ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলা নির্বাচন। আর এই নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীদের নিয়ে বেকায়দায় পড়েছে হাকিমপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। দলের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের ভোটে একজন করে প্রার্থী নির্বাচন করা হলেও দুটি দলেই রয়েছে একজনকরে বিদ্রোহী প্রার্থী ফলে বেকায়দায় পড়তে হয়েছে সাধারণ নেতা-কর্মীদের। বিদ্রোহী প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে বিরোত রাখতে দল গুলোর পক্ষ থেকে জোর প্রচেষ্টা চালানো হলেও দমাতে পারেনি বিদ্রোহী প্রার্থীদের।

স্থানীয় ভোটারদের মতে যদিও স্থানীয় নির্বাচনে রাজনৈতিক পরিচয় বাধা হয়ে দাড়ায়না তারপরও এই বিদ্রোহী প্রার্থীরাই মাথা বেথার কারণ হয়েয়ে দারিয়েছে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির প্রার্থীদের। তাই এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছেনা কে হচ্ছেন আগামীর উপজেলা চেয়ারম্যান।

গত ৮ মার্চ দিনাজপুর জেলা বিএনপির নেতাদের উপস্থিতিতে মোত্তালেব খান মিঠুর চাতালে উপজেলা বিএনপি’র তৃণমূল নেতাদের ভোটে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আকরাম হোসেন মন্ডল ভাইস চেয়ারম্যান পদে হযরত আলী সরদার ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আকতারা বানু চৌধূরীকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হলেও বিদ্রোহী চেয়রম্যান প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেন বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়রম্যান পারুল নাহার আর মহিলা ভাইস চেয়রম্যান হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেন সাবেক ছাত্রদল নেতা রাসেদ এর স্ত্রী নূরুন্নহার।

এরআগে গত ১৬ ফেব্রুয়ারী দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের উপস্থিতিতে উপজেলা অডিটোরিয়ামে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাদের ভোটে চেয়ারম্যান পদে হারুন উর রশিদ, ভাইস চেয়ারম্যান পদে শাহিনুর রেজা শাহিন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সেলিনা নার্গিসকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়। তাৎক্ষনিক কারচুপির অভিযোগ এনে বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রার্থীতা ঘোষনা করেন সাবেক পৌর মেয়র কামাল হোসেন রাজ এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে খদেজা বেগম। ফলে বিপাকে পড়তে হয়েছে প্রধান এ দুটি রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের।

এদিকে দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে মনোনয়ন পত্র দাখিল করায় চেয়ারম্যান প্রার্থী কামাল হোসেন রাজ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী খদেজা বেগমকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। অণ্যদিকে চেয়ারম্যান প্রার্থী পারুল নাহারকে বহিস্কার করা হয়েছে বিএনপি থেকে। তারপরও তেমন সুফল পাচ্ছেনা দল গুলো। বিদ্রোহী প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে বসিয়ে দিতে জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে দল গুলোর শির্ষ পর্যায় থেকে।

তবে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি নেতাদের দাবী বিদ্রোহী প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও তেমন কোন সমস্যায় পরবেনা তাদের দল সমর্থীত প্রার্থীরা। কারণ বিদ্রোহী প্রার্থীদের ইতোমধ্যে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। তাই ভোটাররা তাদের মনোনিত পার্থীকেই ভোট দিবেন।