টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে তোলপাড়

taingailটাঙ্গাইল প্রতিনিধি :
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের চান্দুলিয়া গ্রামে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মুক্তা(২২) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। গৃহবধূর মৃত্যুকে খুন আখ্যায়িত করায় তার ভাই শাহিনুর(২৪)কে পিটিয়ে আহত করেছে চান্দুলিয়া গ্রামবাসী। এ নিয়ে উপজেলার চান্দুলিয়া ও গোহাইলবাড়ি গ্রামের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

জানাগেছে, চান্দুলিয়া গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে নুর-এ-ফেরদৌস পাপনের স্ত্রী মুক্তাকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ির ঘরে বিছানার উপর ফ্যানের সাথে ওড়না দিয়ে ফাঁসি দেয়া অবস্থায় দেখা যায়। স্বামীর পরিবার বিষয়টিকে আতœহত্যা হিসেবে দাবি করে। কিন্তু ১ সন্তানের জননী গৃহবধূ মুক্তার বাবা একই উপজেলার গোহালিয়াবাড়ি গ্রামের মুক্তার মোল্লা ও তার ছেলে শাহিনুর ঘটনাটিকে খুন বলে অভিহিত করেন। এ নিয়ে উভয় পরিবারের লোকদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে চান্দুলিয়া গ্রামের লোজন একত্র হয়ে মুক্তার বাবা মুক্তার মোল্লা ও তার ছেলে শাহিনুরের উপর হামলা করে। এ সময় মুক্তার মোল্লা একটি বাড়িতে আশ্রয় নিলেও শাহিনুর চান্দুলিয়া গ্রামবাসীর রোষানলের শিকার হন। তারা শাহিনুরকে পিটিয়ে আহত করে। এ ঘটনার খবর গোহালিয়াবাড়ি গ্রামে পৌঁছলে ওই গ্রামের লোকজনও ক্ষুব্ধ হয়ে চান্দুলিয়া গ্রামের লোকদের উপর আক্রম,ন করতে লাঠিসোটা নিয়ে যেতে থাকে। স্থানীয় নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে সমুহ সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব হয়। পরদিন বুধবার পুলিশ গৃহবধূ মুক্তার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

মির্জাপুর থানার এসআই মিজানুর রহমান জানান, তিনি উভয় গ্রামের মাতব্বরদের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে জানা যাবে। তিনি ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছেন।