টাঙ্গাইলে নির্বাচনী সহিংসতায় হামলা,লুটপাট,ভাংচুর আহত ৮

Tangail-kalihati-election crash-24.03.2014টাঙ্গাইল প্রতিনিধি :
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার চক বানিয়াফৈর গ্রামে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় বিজিত প্রার্থীর লোকজন আ’লীগের(বিজয়ী প্রার্থী) সমর্থকের বসতবাড়িতে হামলা, লুটপাট ও ভাংচুর চালিয়েছে। এ ঘটনায় ৮ জন আহত হয়েছেন। তাদেরকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ও কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হচ্ছেন, লেবু মিয়া(৪৫), সোমলা বেগম(৩৫), আব্দুল মালেক(৪৫), জাহানারা বেগম(৪০), বিলাল(১৪), হোসনেয়ারা বেগম(১৫), সজিব(১৫)।

এলাকাবাসী জানায়, সোমবার সকালে কালিহাতী উপজেলা পরিষদের নির্বাচন পরবর্তী উপজেলার সহদেবপুর ইউনিয়নের বানিয়াফৈর গ্রামের বাসিন্দা ও আওয়ামীগ সমর্থক লেবু মিয়া-আ’লীগের সমর্থিত প্রার্থী মোজহারুল ইসলাম তালুকদারকে(মোটরসাইকেল প্রতীক) ভোট দেয়ায় প্রতিবেশি ও প্রতিপক্ষ বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী শুকুর মাহমুদের সমর্থক আলিম উদ্দিনের ছেলে জালাল গংদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। জালালরা লেবুর বাড়িতে ঢুকে ওই বাড়ির গেট ভাংচুর করে। লেবু মিয়া এ বিষয়ে কালিহাতী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে স্থানীয় বিএনপি কর্মী জালালসহ ৫০/৬০ লোক দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে সোমবার সকালে ওই বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর লুটপাট করে। তারা ওই ঘরে থাকা একটি মোটরসাইকেল, ১টি টিভি ও আসবাবপত্র ভাংচুর, নগদ ২লাখ টাকা, ৮ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুটপাট করে। এসময় তারা ওই বাড়ির লোকজনদের ওপর হামলা চালায়। এতে ৭জন লোক আহত হয়।

এদিকে, সোমবার সকালে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শুকুর মাহমুদের কর্মী-সমর্থকরা কালিহাতী পৌরসভার সিলিমপুর গ্রামে একটি মন্দিরের বাইরের অংশ ভাংচুর করেছে। প্রায় একই সময় উপজেলার বাংড়া ইউনিয়নের পাথালিয়া গ্রামে একই প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা নিরঞ্জন(৩২) সরকারের বাড়ি ভাংচুর করে। বাধা দিতে গেলে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত ক্যাডাররা নিরঞ্জন সরকারকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। তাকে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এসব ঘটনায় কালিহাতী উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মোজহারুল ইসলাম তালুকদার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।