অগ্রণী রিসার্চ‘র মতবিনিময় সভায় ঐতিহাসিক ৭ইমার্চকে জাতীয় দিবস করার দাবী

agroni researchমতিয়ার চৌধুরী লন্ডন প্রতিনিধিঃ ৭ই মার্চ বাঙ্গালীর দৃঢ়সংকল্প, ঐতিহাসিক ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের উজ্জল প্রতীক। এর আগে বাঙ্গলীর মাঝে এত ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ব কখনোও দেখাযায়নি। তেমনিভাবে ইতিপূর্বে বাঙালী এত দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ হয়নি। যে ইসপাতকঠিন মনোবলের ফল হিসাবে আমরা আমাদের প্রত্যাশিত স্বাধীনতাকে পাই এবং মহান বিজয় ছিনিয়ে  আনি। ঐতিহাসিক ৭ই মার্চকে জাতীয় দিবস করার দাবীতে অনুষ্ঠিত এক মত বিনিময় সভায় অগ্রণী রিসার্চের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর নূর উদ্দিন আহমেদ এই কথা গুলো বলেন। গত ১৮ মার্চ মঙ্গলবার, পূর্ব লন্ডনের মন্টিফিউরি সেন্টারে বেশ কয়েকটি সমমনা সংগঠনের সহযোগিতায় অগ্রণী রিসার্চ এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। ইতিহাসের আলোকে  বঙ্গবন্ধুর ভাষন ও ৭ই মার্চের তাৎপর্য্যরে উপর গবেষনাকারী গবেষক নূর উদ্দিন আহমেদ আরো বলেন, যদিও বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় তবুও বাস্তবতাকে অস্বীকার করার কোন উপায় নাই। আর এই অপ্রিয় সত্যটি হচ্ছে যে, আমাদের স্বাধীনতার তেতাল্লিশ বছর পরেও ঐতিহাসিক ৭ই মার্চকে জাতীয় দিবসের মর্যাদা দেয়া হয়নি। অতচ এই দিনটি বাঙালী জাতির জীবনে সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ একটিদিন। যে দিনটিকে কবি নির্মলেন্দু গুনের ভাষায়, স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের হলো। আরেক কবি মহাদেব সাহার দৃষ্টিতে এই দিনটি হচ্ছে, স্বাধীনতার জন্মদিন। আর আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস যে হাজার বছর পরে এই দিনই বাঙ্গালীরা প্রথম স্বাধীনতার স্বাদ উপভোগ করলো। তাই আমাদের দাবী অচিরেই ঐতিহাসিক ৭ই মার্চকে জাতীয় দিবস করা হউক। এবং জাতীয় ছুটির দিন ঘোষনার মাধ্যমে আনন্দ উৎসব পরিবেশে এই দিনটিকে উদযাপন করার সুযোগ সুবিধা দেয়া হউক সমগ্র জাতিকে। নূর উদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, আমরা অগ্রণী রিসার্চের পক্ষ থেকে গত ৪ মার্চ বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে এক চিঠির মাধ্যমে অনুরোধ করেছি ঐতিহাসিক ৭ মার্চ জাতীয় দিবস ঘোষনা করে সরকারী ছুটি হিসাবে পালন করার জন্য। আমরা বিশ্বাস করি যে, আমাদের প্রজন্মের সকাছে এই দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরার জন্য এই পদক্ষেপ নেয়া অত্যন্ত জরুরী। ৭ই মার্চ প্রজেক্টের প্রচার ও গণ সংযোগ প্রধান জামাল খান বলেন, এই দাবী আমাদের একার নয়। এই দাবী স্বাধীনতার স্বপক্ষের সকলের। ইতিমধ্যে আমরা মাননীয় স্পিকার সহ সকল সংসদ সদস্যকে আমরা আমাদের চিঠির কপি দিয়েছি। অত্যন্ত আনন্দের বিষয় বিশিষ্ট লেখক কলামিষ্ট আব্দুল গাফফার চৌধুরী এই প্রস্থাবের সর্বাত্মক সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি এই উদ্যোগে রপ্রধান পৃষ্টপোষক ও এডভাইজারের কাজ করছেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সৈয়দ মাহমুদুল হক কয়ছর, ড. ফয়জুর রহমান, শহিদ আলী, এনামুল হক এনাম, শাহ বেলাল, আলী মজুমদার, মাহমুদাপারভীন, মুক্তিযোদ্ধা আমানউদ্দিন, নজমুল ইসলাম ইমুন, ফয়সল ইসলাম সুমন, সৈয়দ গোলাব আলী ও ডা. মোস্তফা প্রমূখ। নূর উদ্দিন আহমেদ শেখ মুজিব রিসার্চ সেন্টার, সেক্টর কমান্ডার ফোরাম, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, একাত্তরের ঘাতক দালালনির্মূল কমিটি ও ৭ই মার্চ উদযাপন পরিষদকে সহযোগিতার ধন্যবাদ জ্ঞাপনকরেন।